Logo
Logo
×
   

Advertisement

শেষ পাতা

আবারও বন্ধ আদানির বিদ্যুৎ

দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং

Advertisement

গরমের তীব্রতা বৃদ্ধির মুখে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট। একই সময়ে বন্ধ আছে আরএনপিএলের বিদ্যুৎকেন্দ্র। এতে নতুন করে ঘাটতি বেড়েছে ১২শ মেগাওয়াট বিদ্যুতের। সব মিলিয়ে ঘাটতি ছাড়িয়ে গেছে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট।

একদিকে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে গরম বাড়ছে, অন্যদিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল হয়ে পরিস্থিতি নাজুক হয়ে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওই সময় দেশে ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি হয়েছে। এর অর্থ চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের দিকেই যাচ্ছে পরিস্থিতি। এই সময় বিদ্যুতের চাহিদা দেখানো হয়েছে ১৬ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট, যা সর্বোচ্চ চাহিদা থেকে অন্তত এক হাজার মেগাওয়াট কম। এই সময় উৎপাদন হচ্ছিল ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট যা সাধারণ উৎপাদন পরিস্থিতি থেকে অন্তত এক থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট কম।

দেশে বিদ্যুতের চাহিদা যখন বেড়ে যায়, তখন সব ধরনের সংকটের মধ্যেও দেশে ১৪ হাজার থেকে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে দেখা গেছে। বিদ্যুতে হঠাৎ এই ঘাটতির কারণ খুঁজে পাওয়া গেল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) জহুরুল ইসলামের কথায়।

তিনি জানান, হঠাৎ করে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। তারা দ্রুত তা মেরামতের চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে আরএনপিএলের একটি ইউনিটও বন্ধ হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে একযোগে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের নতুন করে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এছাড়া বাদবাকি পুরোনো সমস্যাগুলো তো আগের মতোই রয়েছে।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বুধবার রাত ১১টায় আদানির বিদ্যুৎ হঠাৎ ১ হাজার ৪৩০ মেগাওয়াট থেকে ৭৫৮ মেগাওয়াটে নেমে আসে। কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন কমে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮৫৭ মেগাওয়াট যা একদিন আগেও ছিল ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুকেন্দ্র ছাড়াও কয়েকটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে একই সময়ে। আশুগঞ্জে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র একদিন আগেও ৩১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছিল। কিন্তু কারিগরি ত্রুটির কারণে সেটি বন্ধ হয়ে পড়েছে।

এছাড়া গ্যাস সংকটের কারণে কেবল ঢাকা অঞ্চলে বন্ধ অথবা স্বল্প সক্ষমতায় চলছে অন্তত সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে একটি করে কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে।

এদিকে বিদ্যুতের এমন ঘাটতিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। মাঝে কয়েক সপ্তাহের জন্য কমে আসা লোডশেডিং আবার তীব্র আকার ধারণ করেছে। শহরাঞ্চলে দিনে চার বার করে বিদ্যুৎ গেলেও গ্রামের দিকে আবারও ৭ থেকে ১০ ঘণ্টার লোডশেডিং ফিরে এসেছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম