Logo
Logo
×
   

Advertisement

শেষ পাতা

ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসা করা উচিত: ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসা করা উচিত: ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার

ফাইল ছবি

Advertisement

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার ক্রাইম প্রিভেনশন (দক্ষিণ) মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া। শুক্রবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ একজনকে গ্রেফতারের বিষয় জানাতে এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে ডিএমপি। শুক্রবার ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও ৯ হাজার পিস কাগজের মুখোশ উদ্ধারসহ জাহিদ হাসান ইমন (৩০) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজধানীর নেভি গলিতে দাঁড়িয়ে ২১ সেপ্টেম্বর রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছিলেন, ‘আমরা তো তিনটি দাবিতে রাজপথে আছি। আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে বাদ দেওয়া, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাইয়ের ঘটনার বিচার। এই দাবিগুলো সরকার মানছে না! দাবিগুলো মানলে তো ককটেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে। তার ওই কথার পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নেটিজেনদের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

রাজধানীতে সম্প্রতি যেসব ককটেল বিস্ফোরণ ঘটছে, সেগুলো কি শুধু কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরাই ঘটাচ্ছে, নাকি অন্য কেউ জড়িত-এমন প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম কমিশনার বলেন, আমার কাছে মনে হয়, তাকে (নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী) জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। তিনি এই বক্তব্যটা কেন দিয়েছেন? আমার কাছে মনে হয়, অবশ্যই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।

ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেফতার ১ : শ্যামপুর মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তদন্তের একপর্যায়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ শুক্রবার ভোরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত কস্টিক সোডা ১ কেজি ৫০০ গ্রাম, সালফার ১ কেজি ৬০০ গ্রাম, ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত মারবেল ৫ কেজি, ১ ইঞ্চি তারকাঁটা ২ কেজি, ককটেল মোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত লাল স্কচটেপ ২০টি ও কালো স্কচটেপ ১১টি, অসৎ উদ্দেশ্যে প্রস্তুতকৃত কাগজের তৈরি ৩ কার্টনে মোট ৯ হাজার পিস মুখোশ, মুখোশ পরার ইলাস্টিক ৩০ প্যাকেট, ককটেল তৈরির উপাদান বিচূর্ণ করার কাজে ব্যবহৃত একটি ব্লেন্ডার ও একটি জার উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাত এক ভ্যানচালকের সাহায্যে মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়। পরে বিভিন্ন নেতাকর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল। ইমনের বিরুদ্ধে ডিএমপির শাহবাগ ও লালবাগ থানায় পৃথক দুটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম