Logo
Logo
×
   

Advertisement

খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে

Advertisement

Icon

সংসদ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষর হওয়া অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানিনিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ-সদস্য একেএম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ আশাবাদের কথা জানান। স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

সংসদ-সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো কূটনৈতিক সম্পর্কের বহুমুখীকরণ এবং কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষা। তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার ঐতিহ্যগত অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার পাশাপাশি নতুন নতুন অঞ্চলের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণে কাজ করছে। কোনো একক শক্তিকেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল না থেকে স্বাধীন ও বাস্তবভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, মধ্যপ্রাচ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো ঐতিহ্যগত অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আসিয়ানভুক্ত দেশ, পূর্ব ও মধ্য এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ন্যায্যতা, সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে সরকার কাজ করছে। ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি সহযোগিতা ও বাণিজ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে গঠনমূলক কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে মিয়ানমার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। অর্থনৈতিক কূটনীতি বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর, জ্বালানি নিরাপত্তা ও শিল্প সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, পূর্ব ও মধ্য এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকাকে রপ্তানি সম্প্রসারণের নতুন গন্তব্য হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও পূর্ব ইউরোপের উদীয়মান শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের পর ৩৬টি পুশইন চেষ্টা প্রতিরোধ করেছে বিজিবি-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ৩৬টি পুশইন চেষ্টাকে প্রতিরোধ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সংসদে সিলেট-৩ আসনের সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ আবদুল মালিকের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বুধবার বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফের পুশইন করা ২ হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে ২ হাজার ১৭৫ জনকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ১১ জনকে হস্তান্তর করা হয়েছে বিএসএফের কাছে। আর ১৮৩ জনকে পুশব্যাক করা (ফেরত পাঠানো) হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম