প্রতিমন্ত্রীকে ডেপুটি স্পিকার
আস্তে কথা বলুন প্লিজ
টুকিটাকি
Advertisement
সংসদ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সংসদে একজন সংসদ-সদস্য বক্তব্য দেওয়ার সময় কথা বলছিলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এ সময় দুজনের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘আস্তে আস্তে কথা বলুন, প্লিজ’। সোমবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সংসদ-সদস্য সেলিনা সুলতানা বক্তব্য দিচ্ছিলেন। ধর্মমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীকে তখন দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা যায়। বিষয়টি ডেপুটি স্পিকারের নজরে এলে তিনি বলেন, ‘মাননীয় ধর্মমন্ত্রী এবং মাননীয় এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী, দয়া করে বসে কথা বলুন। আপনাদের পেছনে একজন বক্তব্য দিচ্ছেন। আস্তে আস্তে কথা বলুন, প্লিজ।’
হজ প্যাকেজের খরচ কমেছে : সাধারণ মানুষের জন্য সশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের অংশ হিসাবে ২০২৬ সালের তুলনায় ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের মূল খরচ কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। আনিসুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে সোমবার তিনি এ তথ্য জানান। ধর্মমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালে খাবারের খরচ ব্যতিরেকে সরকারের সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য ছিল ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৩৭ টাকা। চলতি বছর (২০২৭) হজযাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে মূল প্যাকেজের সঙ্গেই খাবারের খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে; যা মূল হজের খরচে ৩৯ হাজার ৫০৮ টাকা যুক্ত করেছে।
মুজিব কর্নারকে জুলাই কর্ণারে রূপান্তরের প্রস্তাব : দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত মুজিব কর্নারগুলো ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই’ কর্নারে রূপান্তরের প্রস্তাব দিয়েছেন জামায়াতের সংরক্ষিত সংসদ-সদস্য মারদিয়া মমতাজ। সোমবার জাতীয় সংসদে সম্পূরক প্রশ্ন করতে গিয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রীর কাছে এই প্রস্তাব দেন তিনি। মারদিয়া মমতাজ বলেন, গত রেজিমে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সাড়ে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি পাঠাগারগুলোতে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুজিব কর্নার স্থাপন করা হয়েছিল। চব্বিশের আগস্টের পরে এই নোটিশগুলো বা হেডিংগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু পাঠাগারগুলো সেখানেই অরক্ষিত অবস্থায় আছে। এগুলো যদি সংস্কারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই কর্নারে রূপান্তরিত করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের মানুষের জন্য কল্যাণের কাজ হতে পারে। জবাবে সংস্কৃতিমন্ত্রী এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত রূপরেখা ও পাঠাগারের তালিকা দেওয়ার অনুরোধ করেন এবং বিষয়টি আলোচনা সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
