প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবার নিয়ে কটূক্তি
ভোলার দুই যুবকের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, জিডি
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
লোডশেডিংয়ে ভোগান্তির কারণে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার কন্যা জাইমা রহমান, বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে দুই যুবকের কুরুচিপূর্ণ কটূক্তি এবং অশালীন ভিডিওর প্রতিবাদে আদালতে মামলার আবেদন ও থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার আবেদন করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফকরুল ইসলাম লুকু ও সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আমিন। কোর্টে মামলার আবেদনে অভিযুক্তরা হলেন-মো. মাসুম ও রিফাত। এছাড়া ৩ নম্বর অভিযুক্ত রিফাতের বাবা মো. আব্দুল জলিল ও ৪ নম্বর অভিযুক্ত মো. মাসুমের বাবা নাছির আহমেদ।
তাদের সবার বাড়ি সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে। অন্যদিকে থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে অভিযুক্তরা হলেন-রিফাত ও মাসুম।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ৩০ আগস্ট (বুধবার) ফেসবুকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর উসকানিমূলক ভাষায় গালিগালাজ করে অপপ্রচার করেন মাসুম ও রিফাত। তাদের পোস্টে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উসকানিমূলক ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ও জনবিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং দেশের কোটি জনগণের অনুভূতি ও রাষ্ট্রীয় ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। অভিযুক্তরা প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের মানহানি করেছে।
আদালতে মামলার আবেদনকারী ফকরুল ইসলাম লুকু বলেন, কিশোর গ্যাং সদস্য মাসুম ও রিফাত জিয়া পরিবারকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে এবং এটা ভাইরাল করেছে। আমি একজন সচেতন নাগরিক ও স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা হিসাবে এ ঘটনার প্রতিবাদ করার জন্যই আদালতের শরণাপন্ন হই। আদালত মামলার শুনানিতে বলেছে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি সরাসরি নিতে পারবে না। যদি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি গ্রহণ না করতে পারে তাহলে সাইবার ক্রাইম আদালতে যেতে হবে। আদালতের কাছে আবেদন অনতিলম্বে আমার মামলা নথিভুক্ত করা হোক এবং আসামিদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হোক।
অন্যদিকে ভোলা সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি প্রসঙ্গে ভোলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আমিন বলেন, অভিযুক্তরা প্রধানমন্ত্রী, তার মেয়ে ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে ফেসবুক ভিডিওতে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করেছেন। এ ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।
ভোলা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
