Logo
Logo
×
   

Advertisement

খবর

বিএনপির দুই নেতার নারী ও শিশু নির্যাতন ভিডিও ভাইরাল

Advertisement

Icon

বরিশাল ব্যুরো

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

বরিশালের বাকেরগঞ্জের দাঁড়িয়াল ইউনিয়নে গ্রাম্য সালিশের নামে এক নারীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান মিয়ার বিরুদ্ধে। রোববার ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানিব্যাগ চুরির অপবাদ দিয়ে ১২ বছর বয়সি এক শিশু ও তার মাকে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের গামুরবুনিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

অভিযোগ উঠেছে, বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান নিজ বাড়িতে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যাপক মানুষের উপস্থিতিতে হট্টগোলের মধ্যে এক নারীকে চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি একাধিকবার চড়-থাপ্পড় মারা হচ্ছে। ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিকে স্থানীয়রা কামরুজ্জামান বলে দাবি করেছেন। তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, সেখানে আমি উপস্থিত ছিলাম। তবে কোনো মারধর করিনি।

এদিকে কলাপাড়ায় নির্যাতনের শিকার শিশু ও মা চাকামইয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। নির্যাতনের পর পাঁচদিন তারা ভয়ে ঘর থেকে বের হননি। পরে বুধবার সকালে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। ভুক্তভোগী শিশুটির মা জানান, ঘটনার দিন চুন্নু ও তার ভাই মানিব্যাগ চুরির অপবাদ দিয়ে শিশুকে তাদের ঘরে ডেকে নিয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করেন। অভিযোগ, জমি বন্ধক রাখার টাকা নেওয়ার লিখিত প্রমাণ চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারা তাদের বেধড়ক মারধর করেন। বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান চুন্নু জানান, ওই ছেলে তার আত্মীয়। সে চোর এবং চোর হিসাবে তৈরি হচ্ছে। কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম