Logo
Logo
×
   

Advertisement

খবর

চাঁদপুরের হাইমচর

খাসজমিতে হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৩, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের ২১৩ নং ঈশানবালা মৌজার ৬৬ একর কৃষি খাস জমিতে ছয় মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেন। আদালতের রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী বিভূতি তরফদার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

আইনজীবী বলেন, ২০১৭ সালের ২৩ এপ্রিল নীলকমল ইউনিয়নের ২১৩নং ঈশানবালা মৌজার ৮১ একর কৃষি খাস জমি ৮১ জন স্থানীয় ভূমিহীনকে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। ৯৯ বছরের জন্য এ বন্দোবস্ত দেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)।

গত ১৯ মার্চ নীলকমল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা আবদুল মালেক হাইমচর উপজেলার সহকারী কমিশনারের কাছে একটি সরেজমিন প্রতিবেদন দাখিল করেন। সে প্রতিবেদনে তিনি ২১৩নং ইশানবালা মৌজার ৭৪ একর জমি নীলকমল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সউদ আল নাছের ও তার ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজনসহ মোট ৭৪ জনের দখলে দেখান।

ফসলের বাৎসরিক ক্ষতিপূরণ বাবদ এই ৭৪ জন ৩০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদন করলে সরেজমিন তদন্ত করে এ প্রতিবেদন দেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা আবদুল মালেক। গত জানুয়ারিতে এ প্রতিবেদনটি চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন বন্দোবস্ত পাওয়া মামুন মিয়া, স্বপন মোল্লাসহ ৬৮ জন ভূমিহীন।

বুধবার ওই রিটের প্রাথমিক শুনানির পর রুলসহ আদেশ দেন উচ্চ আদালত। স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া ২১৩নং মৌজার জমি বছর ভিত্তিতে ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়ালের ৮৫ ধারা লঙ্ঘন করে নীলকমল ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে বন্দোবস্ত দেওয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, জানতে চাওয়া হয় রুলে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম