Logo
Logo
×
   

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

ড্যাপ ও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুমোদন

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৫, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

ড্যাপ (২০২২-২০৩৫) এর সংশোধনী এবং খসড়া ঢাকা মহানগর ইমারত বিধিমালা-২০২৫ নীতিগত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা কমিটি। শিগগিরই এ দুটি গেজেট আকারে প্রকাশ করবে সরকার।

রোববার গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারের সভাপতিত্বে ড্যাপ রিভিউ সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, ড্যাপের ফ্লোর এরিয়া রেশিও (ফার) ও জনঘনত্ব, বন্যা প্রবাহ অঞ্চল এবং কৃষি ভূমি সংরক্ষণের বিষয় সভায় পর্যালোচনা করা হয়েছে। পরে পরিবেশ সংবেদনশীলতাকে গুরুত্ব দিয়ে সংশোধনীর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সংশোধনী অনুযায়ী, রাজউক আওতাধীন প্রায় সব এলাকায় ফার ও জনঘনত্ব বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া বিদ্যমান ড্যাপে কৃষি জমিতে সীমিত পরিসরে নাগরিক পরিষেবা নির্মাণের অনুমোদন ছিল। যা সংশোধনীতে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া মুখ্য জলস্রোত ও সাধারণ জলস্রোত পৃথকভাবে ছিল। সংশোধনীতে একত্রিতভাবে ‘বন্যা প্রবাহ অঞ্চল’ নামে পরিবর্তন করা হয়েছে। যেখানে সব ধরনের স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ হবে। এছাড়া টিওডি, রিজেনারেশন ও ব্লকভিত্তিক উন্নয়নের উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে এফএআর প্রণোদনার সুপারিশ করা হয়েছে।

এদিকে ইমারত নির্মাণে ব্যত্যয় নিয়ন্ত্রণে (যেমন অতিরিক্ত ভয়েড স্পেস, সেটব্যাক, ভূমি আচ্ছাদন, জনঘনত্ব ইত্যাদি) বিধি বিধানের সংশোধন, পরিমার্জন ও বিল্ডিং কোডের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। দুর্যোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নির্মাণ অনুমোদনকালে স্থাপত্য নকশার পাশাপাশি কাঠামোগত ও অন্যান্য নকশা অনুমোদনের বিধান রাখা হয়েছে। আর গ্রাহক হয়রানি লাঘবে বিশেষ ও বৃহদায়তন প্রকল্পের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না, নির্মাণ অনুমোদন সুপারিশ প্রাপ্তির পরে অনুমোদন ফি জমা দেওয়া হবে। ভবন নির্মাণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে পাঁচ কাঠা বা তদুর্ধ আয়তনের জমির জন্য স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর গ্রিন বিল্ডিং প্রণোদনা, আপিল কমিটি গঠন ইত্যাদি বিষয় সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়েছে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা এবং রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম