Logo
Logo
×
   

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

এলপিজির সংকট বাড়ছে

আমদানি করতে সময় লাগবে : লোটাব

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

দেশের বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পরও বাজারে এলপিজির তীব্র সংকট কমছে না। কোনোভাবেই মিলছে না রান্নার গ্যাস এলপিজি। অন্যদিকে রাজধানীতে তিতাসের লাইনের গ্যাসও পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় বাসায় রান্না করতে না পেরে অনেকে চরম দুর্ভোগে আছেন। সরকার যত উদ্যোগই নিক না কেন এলপিজির এই সংকট কাটতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছে, এলপিজি অপারেটরদের অ্যাসোসিয়েশন-লোটাব।

মঙ্গলবার লোটাবের সভাপতি আমিরুল হক যুগান্তরকে বলেন, এলপিজির সংকট তো বাজারে আছে। এলসি করে নতুন করে এলপিজি আমদানি করতে কিছুটা সময় লাগবে। তখন হয়তো বাজারে এলপিজির সংকট পুরোপুরি কাটবে।

রোরবার সচিবালয়ে জ্বালানি বিভাগে লোটাবের সঙ্গে জ্বালানি সচিব সাইফুল ইসলামের এক বৈঠক হয়। সেখানে এলপিজির তীব্র সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সরকার। ওই বৈঠকে এলপিজির সংকটের জন্য মূলত ডিলারদের দায়ী করে লোটাব। তবে এলপিজির ডিলাররা বলছেন, বাজারের সংকটের জন্য দায়ী এলপিজির অপারেটররা। তারা চাহিদা অনুযায়ী ফ্যাক্টরি থেকে এলপিজির সিলিন্ডার দিচ্ছে না। এ নিয়ে বুধবার ডিলাররা রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনও ডেকেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায় না। কাওরান বাজার পেট্রোবাংলার সামনে চা বিক্রি করেন মুকবুল হোসেন। তিনি বলেন, চা বানাতে এলপিজির দরকার হয়। এখন এলপিজির সিলিন্ডার ২৫০০ টাকা চাইছে। আগে ১৫০০ টাকা দিয়ে কিনেছি। এভাবে এলপিজির দাম বাড়লে আর ব্যবহার করব না। শীত ও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এমনিতেই বেচা-বিক্রি নেই বললেই চলে। তিনি বলেন, দোকানের এলপিজি শেষ হলে বাসা থেকে রং চা বানিয়ে এনে বিক্রি করব। তবুও এলপিজি কিনব না। বাড্ডা এলাকা ঘুরে ২৩০০ টাকা দিলেও একটি সিলিন্ডার কিনতে পারেননি রামপুরার বাসিন্দা আবুল কালাম। তিনি বলেন, সোমবারও ২৩০০ টাকা সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। কিন্তু বুধবার আর পাওয়া যাচ্ছে না।

জানা গেছে, নওগাঁ এবং ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু এতে করে এখনো কোনো ইতিবাচক ফল মিলছে না।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম