টাইব্রেকারে ভারতকে কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
Advertisement
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রোনান সুলিভান শেষ শটে ভারতের গোলকিপার সুরজ সিংকে পরাস্ত করতেই মালে স্টেডিয়ামে গগনবিদারী উল্লাস দর্শকদের। সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের ফাইনালে টাইব্রেকারে এই যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফুটবলারের শটেই শিরোপা নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। শুক্রবার মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে টাইব্রেকারে ভারতকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় লাল-সবুজের দল। নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ড্র ছিল।
রোনান সুলিভানে শুরু, রোনান সুলিভানেই শিরোপা জয় বাংলাদেশের। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ২-০ ব্যবধানে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন রোনান। আর ফাইনালে তার শিরোপা নির্ণয়ক শটেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত সময়ে দু’দল দুর্দান্ত খেললেও গোলের দেখা মেলেনি কোনো শিবিরেই। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
বাংলাদেশ ও ভারত দুদল একই গ্রুপে ছিল। তাই একে অন্যকে বেশ ভালোভাবে চেনে। বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড রোনান সুলিভানকে তাই ভারত বেশ কড়া পাহারায় রাখে। এর পরও রোনান তার দক্ষতা দেখিয়ে বেশ কয়েকটি শট নিয়েছেন। দুই দলই একাধিক গোলের সুযোগ পেয়েছিল। বাংলাদেশের গোলকিপার মাহিন একাধিকবার পোস্ট থেকে বেরিয়ে আসেন। দুবার বল গ্রিপে না নিতে পারলেও বিপদ আসেনি। বাংলাদেশ বক্সের আশপাশে অনেকবার বল নিলেও কাঙ্ক্ষিত গোল আদায় করতে পারেনি। নির্ধারিত সময়ে কোনো দল গোলের দেখা না পাওয়ায় বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট বাইলজ অনুযায়ী সরাসরি টাইব্রেকারে ফাইনালের ফল নিষ্পত্তি হয়।
টাইব্রেকারে বাংলাদেশের মুর্শেদ আলী, চন্দন রায়, আবদুল রিয়াদ ফাহিম ও রোনান সুলিভান গোল করলেও ব্যর্থ হন সামজেল রাকসাম। ভারতের আরবাস, হংষংবাম সামসন ও বিশাল যাদব গোল করলেও ব্যর্থ হন রিশি সিং এবং ওমাং দুদাম। রিশি সিংয়ের শট রুখে দেন বাংলাদেশের গোলকিপার ইসমাইল হোসেন। যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা ভারতের ওমাং দুদামের শট বারের উপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। শিরোপা জেতার পর লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে মালে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজার হাজার প্রবাসী দর্শকের অভিবাদনের জবাব দেন ইসমাইল, মোর্শেদ, মানিকরা।
এক নজরে সাফ অ-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ
চ্যাম্পিয়ন : বাংলাদেশ, রানার্সআপ : ভারত, ফেয়ারপ্লে : মালদ্বীপ
সেরা গোলকিপার : ইসমাইল হোসেন (বাংলাদেশ)
সর্বাধিক গোলদাতা (৩ গোল) : ইলান ইমরান (মালদ্বীপ) ও ওমাং দুদাম (ভারত), সেরা খেলোয়াড় : ওমাং দুদাম (ভারত)
