Logo
Logo
×
   

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

গণতন্ত্র একটি আস্থার জায়গা : চিফ হুইপ

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, গণতন্ত্র হলো একটি আস্থার জায়গা। আমরা বিরোধী দলকে বিশ্বাস করব, আর বিরোধী দলও আমাদের বিশ্বাস করবে। রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা ও মো. মাহমুদুল হক রুবেলের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, ‘কোথাও কোনো সমস্যার উদ্ভব হলে আপনারা প্রশাসনের দ্বারস্থ হবেন অথবা প্রয়োজনে আমাকে জানাবেন। কিন্তু কেউ কখনো আইন হাতে তুলে নেবেন না। আমরা মানুষের কল্যাণের জন্য নির্বাচিত হয়েছি। কাজেই মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করাটা আমাদের দায়িত্ব। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে দায়িত্ব পালন করা দরকার আপনারা সেই দায়িত্ব পালন করবেন সংসদে এবং সংসদের বাইরে। আমরা সত্যিকার অর্থেই একটি কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র গড়তে চাই। এরকম রাষ্ট্র গড়ার ক্ষেত্রে আপনারা আমার টুলস এবং হ্যান্ডস।’

জ্বালানি সংকট নিরসন প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সমস্যা সমাধানে ভর্তুকির ওপর আরও ৩৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান করেছেন। আপনারা জানেন বিগত স্বৈরাচার এই দেশ থেকে ২৭ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে। এই ভর্তুকির টাকা মানুষের কল্যাণে কাজে লাগবে। প্রধানমন্ত্রী চান এই দেশের টাকা পাচার নয় মানুষের কল্যাণে কাজে লাগুক এবং এটি শুধু তারেক রহমানকে দিয়েই সম্ভব।

চিফ হুইপ বলেন, পার্লামেন্ট চলছিল এমন সময় যখন শেরপুরে নির্বাচন হচ্ছে, একজন বিরোধীদলীয় সদস্য দাঁড়িয়ে বললেন, এইমাত্র খবর এলো যে আমাদের একজন জামায়াতের কর্মী নিহত হয়েছেন এবং তিনি তখন ইন্নালিল্লাহ পাঠ করেছেন কিন্তু লোকটি আসলে মারা যাননি এবং লোকটি এখনো জীবিত আছেন। পরবর্তী অধিবেশনের সময় আমি সংসদে বক্তব্যটি এক্সপাঞ্জ করার প্রস্তাব করব। এরকম কিছু ভুয়া ও মিথ্যা তথ্যের ওপর সিদ্ধান্ত হয়। মানুষ এক্ষেত্রে যাচাইও করে না। আমি বিশ্বাস করতে চাই বাস্তবতা যাচাইয়ের নিরিখে তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

চিফ হুইপ বলেন, আমরা বিরোধীদলীয় ও সরকারদলীয় সদস্য দ্বারা গঠিত বিশেষ কমিটির মাধ্যমে ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করেছি। চুলচেরা বিশ্লেষণ শেষে আমরা একমত হই যে, ১৬টি অধ্যাদেশে সংশোধনী আনা দরকার। তাই আমরা এগুলো বিল আকারে পরে উত্থাপন করব এবং ১১৭টি অধ্যাদেশ আমরা পাশ করব। সেভাবেই আমরা পার্লামেন্টে পাশ করেছি এবং এর জন্য সময় পেয়েছি মাত্র ৫ দিন। আমিসহ সংসদ সচিবালয়, বিজি প্রেসের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নির্ঘুম রাত কাটিয়ে এর জন্য কাজ করেছি। বাংলাদেশের ইতিহাসে ৫ দিনে ১১৭ বিল পাশ করার রেকর্ড এই প্রথম, নজিরবিহীন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম