Logo
Logo
×
   

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির উন্নয়নে ৩০০ কোটি টাকা

Advertisement

Icon

মুহম্মদ আকবর

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

সরকার প্রথমবার ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির উন্নয়নে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এ খাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া সংস্কৃতি খাতে ৮২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন। বাজেট ঘোষণার পর সংস্কৃতি অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রতিনিধিরা বলছেন, সংস্কৃতি খাতের জন্য সরাসরি বরাদ্দ এখনো প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

বাজেটে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে, সৃজনশীল শিল্পের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ খাতকে অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করা হবে। ক্রিয়েটিভ পণ্যের বৈশ্বিক বাজার সম্প্র্রসারণ, ‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ নামে জাতীয় ব্র্যান্ড চালু, আন্তর্জাতিকমানের স্টুডিও নির্মাণ, পর্যটন খাতের আধুনিকায়ন এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়তা কর্মসূচির কথাও বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সংস্কৃতি খাতের জন্য ৮২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের তুলনায় দুই কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে পরিচালন ব্যয় ৪৮৫ কোটি এবং উন্নয়ন ব্যয় ৩৪১ কোটি টাকা। সংস্কৃতি খাতের জন্য জাতীয় বাজেটের মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রতিনিধিরা বলছেন, সংস্কৃতি খাতের জন্য সরাসরি বরাদ্দ এখনো প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। সাংস্কৃতিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণের স্বার্থে তারা জাতীয় বাজেটের দুই শতাংশ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জল যুগান্তরকে বলেছেন, সংস্কৃতি খাতে বাজেট বৃদ্ধি সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতারই প্রতিফলন। তবে শুধু বরাদ্দ বৃদ্ধি নয়, সেই পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাবেক সভাপতি রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, সংস্কৃতি খাতে বাজেট বৃদ্ধি দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে। এতে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম