Logo
Logo
×
   

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

সংসদে ববি হাজ্জাজ

আমাদের এইচএসসি সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের সমান

Advertisement

Icon

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, অতীতে যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় চরম নৈরাজ্য চলেছে, তা এখন স্পষ্ট। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় অনেক শিক্ষার্থী পাশ পর্যন্ত করতে পারে না। সিঙ্গাপুরে আমাদের দেশের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) লেভেল তাদের ষষ্ঠ শ্রেণির সমমান হিসাবে তুলনা করা হয়। এই শোচনীয় দশা থেকে উত্তরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলাম, শিক্ষকদের মান উন্নয়ন, অবকাঠামো এবং প্রশাসনসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংস্কারের হাত দেওয়া হয়েছে। রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘জনবান্ধব’ এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার দিকনির্দেশক হিসাবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারেই পরিষ্কার ছিল যে, শিক্ষা খাতকে জাতির সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হিসাবে দেখা হবে। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান এবং অর্থমন্ত্রী প্রথম থেকেই এই দূরদর্শী চিন্তা ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় দেশ ও জাতির সামনে এবারই প্রথম দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় বিনিয়োগের অংশ হিসাবে সামগ্রিক শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে একে পুরোপুরি ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

সংসদে ও সংসদের বাইরে বিরোধীদের নেতিবাচক প্রচারণার সমালোচনা করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘সরকার যখন সঠিক শিক্ষাব্যবস্থার অংশ হিসাবে প্রাথমিকে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি থেকেই খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিকে শিক্ষার অংশ হবে নিতে চাচ্ছে, তখন এটা নিয়ে বিরোধীদের কেউ কেউ নেতিবাচক আলোচনা শুরু করেছেন। এই বিরোধী শিবিরেরই অনেকে অতীতে নারী সংসদ-সদস্যদের নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, যা ভদ্র সমাজে উচ্চারণ করা যায় না। সেই একই নোংরা মনোভাব থেকে তারা এখন অপপ্রচার চালাচ্ছেন যে, সাংস্কৃতিক শিক্ষা নাকি সন্তানদের ভুল পথে নিয়ে যাবে!’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা আমাদের যে নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথ দেখাচ্ছেন, সেখানে পৌঁছাতে হলে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ও ক্রিয়েটিভ চেতনার জায়গা তৈরি করতে হবে। আর সেজন্যই সংস্কৃতি ও ক্রীড়াকে শিক্ষার বড় অংশ করা হয়েছে।’

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম