Logo
Logo
×
   

Advertisement

দ্বিতীয় সংস্করণ

নীতিতে বড় পরিবর্তন

চুক্তির মাধ্যমে সব পণ্য আমদানি করা যাবে

কোনো এলসি খোলারও প্রয়োজন হবে না

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতের আমদানিযোগ্য সব পণ্য ক্রয়-বিক্রয় চুক্তিপত্রের মাধ্যমে আমদানি করা যাবে। একই সঙ্গে এর আওতায় আমদানি পণ্যের মূল্যও পরিশোধ করা যাবে। এক্ষেত্রে কোনো এলসি খুলতে হবে না। এ ধরনের আমদানিতে থাকবে না কোনো মূল্য সীমাও। এছাড়া ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতি বা গ্রাহকের অন্য যে কোনো অ্যাকাউন্ট থেকেও মূল্য পরিশোধ করা যাবে। তবে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে থাকা ভিন্ন নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

গত ২৪ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আমদানি নীতি আদেশে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। আদেশটি রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সার্কুলার জারির মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আমদানির ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা ব্যাংকগুলোকে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই আমদানি নীতি আদেশ বহাল থাকবে। পণ্য আমদানি সহজ করতে এতে অনেক নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। যাতে উদ্যোক্তারা সহজে পণ্য আমদানি করতে এবং মূল্য পরিশোধ করতে পারেন। একই সঙ্গে রপ্তানি খাতের জন্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেও কাঁচামাল সংগ্রহ ও ফ্রি অব কস্টে বা বিনামূল্যের পণ্য সংগ্রহের বিধানও রাখা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, উদ্যোক্তারা প্রচলিত পদ্ধতিতে আমদানি পণ্যের মূল্য পরিশোধের পাশাপাশি ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতিতে বা গ্রাহকের অন্য কোনো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেও মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।

তবে মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় দেশটি থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় একক চালানে ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত মূল্যের চাল আমদানি করা যাবে সরাসরি। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চাল, ডাল, ভুট্টা, শিম, আদা, হলুদ, রসুন, সয়াবিন তেল, পামওয়েল, পেঁয়াজ, মাছ ও অন্যান্য পণ্য একক চালানে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ডলার পর্যন্ত আমদানি করা যাবে।

রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে স্থানীয় মুদ্রায় উপকরণ সংগ্রহ এবং ফ্রি-অব-কস্ট ভিত্তিতে স্থানীয় উৎস থেকে উপকরণ সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া, উৎপাদন উপকরণাদি আমদানি বা সংগ্রহের ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ পদ্ধতির প্রযোজ্যতার বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আমদানি আদেশে। বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্সধারী রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র খোলার অনুমতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অপর এক নির্দেশনায়।

পণ্য আমদানি বা স্থানীয় সংগ্রহ-সংক্রান্ত লেনদেন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ব্যবস্থায় অনুসৃত বিধিবিধান ব্যাংকগুলোকে যথাযথভাবে পরিপালন করতে বলা হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম