ব্রিফিংয়ে জয়সওয়াল
বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত
Advertisement
কলকাতা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী পথে এগিয়ে নিতে চায় ভারত। দুদেশের মধ্যে কাঠামোগত ব্যবস্থার ভেতর থেকে সব দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনায় দিল্লি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অবস্থান জানান। রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এটাই ভারতের মনোভাব। দুদেশের সম্পর্কের অভিমুখ ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী হোক, সেটাই ভারত চায়। দিল্লির এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামকে নয়াদিল্লিতে নতুন হাইকমিশনার হিসাবে নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার খবর জানাজানি হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুদেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগও বেড়েছে। ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব আলোচনায় দুদেশের সম্পর্ককে ইতিবাচক ও গঠনমূলকভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
এরপর ভারতের আয়োজিত বহুপক্ষীয় যুদ্ধবিমান মহড়া তরঙ্গ শক্তিতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অংশ নেওয়ার প্রসঙ্গ ওঠে। বাংলাদেশের বিমানবাহিনী একটি সি ১৩০ জে পরিবহণ বিমান নিয়ে মহড়ায় অংশ নেবে বলে জানানো হয়েছে। এটিও দুদেশের সম্পর্কের ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত কি না, জানতে চাওয়া হলে জয়সওয়াল আবারও সম্পর্ককে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী করার ভারতের অভিপ্রায়ের কথা জানান।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ সফর নিয়ে বাংলাদেশ আগে যে কয়েকটি শর্তের কথা জানিয়েছিল, নতুন আলোচনায় সেগুলো প্রত্যাহার করা হয়েছে কি না, জানতে চাওয়া হলে জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে বলার মতো কিছু থাকলে পরে জানানো হবে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে নিউইয়র্কে রয়েছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে তার বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে কি না, জানতে চাওয়া হলে জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে এখনো কোনো তথ্য নেই। তবে দিল্লির বক্তব্যে পরিষ্কার যে, ভারত প্রকাশ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সংঘাতের বদলে আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিচ্ছে।
