কীটনাশক ব্যবহারে নীতিমালা থাকা উচিত: মৎস্য উপদেষ্টা
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৫, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, হাওড়ের স্থানীয় জাতের পরিবর্তে আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষ হচ্ছে। ফলে সেখানে কীটনাশক ও সার ব্যবহার হচ্ছে। কীটনাশক এর পরিমিত ব্যবহারের একটি নীতিমালা থাকা উচিত। তাছাড়া হাওড়ের ইজারা বন্ধ করতে হবে। হাওড় ওই অঞ্চলের মানুষের অধিকারের জায়গা, আর তা রক্ষা করাই আমাদের কাজ। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন হলে ‘সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি ২০০৯ : হাওড় অঞ্চলে বৈষম্য ও অব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এই সভার আয়োজন করে।
উপদেষ্টা বলেন, হাওড়ের কৃষিতে আগে স্থানীয় জাতের ধান হতো। সেটাতে অত কীটনাশক সারের নির্ভরশীলতা ছিল না। কিন্তু এখন ওখানে করা হচ্ছে আধুনিক জাতের চাষ। আধুনিক জাতের চাষ করা মানেই হলো সার, কীটনাশক দেওয়া। এমনকি ওই ধান কাটার জন্য শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না বলে এসিআই কোম্পানি অল ইজ মেকানাইজড হারভেস্টার দিচ্ছে। ওটা চলা মানে হলো আমাদের মাছের একদম সমস্ত বারোটা বেজে যাবে। আমি মনে করি যে, কোথায় গিয়ে আমরা কীটনাশক ব্যবহার করব, হাওড়ের এলাকায় কতখানি কীটনাশক ব্যবহার বেআইনি হবে বা প্রয়োজন, একেবারে না করলেই নয়, সেটা যেন করা হয়। আমি মনে করি, এরকম কিছু একটা নীতি থাকা উচিত। উপদেষ্টা আরও বলেন, কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে যে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে, তাকে বলা হচ্ছে অল ওয়েদার সড়ক। কারণটা কি? পরে জানতে পারলাম যে, সব ঋতুতেই এই সড়ক সহনশীল। অথচ এই রাস্তা তৈরির মাধ্যমে ইতোমধ্যে সেই এলাকার নিদারুণ ক্ষতি হয়ে গেছে। অনেক টাকা খরচ করে এই রাস্তাটা তৈরি করা অন্যায় হয়েছে। আমি মনে করি এই রাস্তা নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিচার হওয়া দরকার।
