আর্কাইভ হচ্ছে অ্যাথলেটদের
সংরক্ষণ করা হবে কীর্তি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এতদিন পদকজয়ী অ্যাথলেটদের কীর্তি সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনে। নারী অ্যাথলেটদের নিগৃহীত হওয়ার খবরও জানতে পারতেন না কেউ। অ্যাথলেটদের কীর্তিগাথা নিয়ে ডাটাবেজ ও আর্কাইভের জন্য নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করছে অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটি। সেই সঙ্গে নারী অ্যাথলেটদের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে সেফগার্ডিং (সুরক্ষানীতি)। শনিবার ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) ড. মো. নাঈম আশফাক চৌধুরী।
মজিবুর রহমান মল্লিক, কিতাব আলী, প্রয়াত শাহ আলম, মিলজার হোসেন, মিজানুর রহমান, মো. শাহ আলম, ইকবাল হোসেন, গোলাম আম্বিয়া, প্রয়াত মাহবুব আলমের মতো অ্যাথলেটরা দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে পদক জিতেছেন। তাদের সেসব কীর্তির কোনো তথ্য নেই কোথাও। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে কে কতবার দ্রুততম মানব-মানবী হয়েছেন-তারও কোনো তথ্য নেই ফেডারেশনে। এবার সেসব তথ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছেন নতুন সভাপতি। ওয়েবসাইটে প্রত্যেক অ্যাথলেটের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সব তথ্য থাকবে। নাঈম আশফাক চৌধুরী বলেন, ‘পুরোনো ও নতুন অ্যাথলেটদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের যাবতীয় তথ্য থাকবে এই সাইটে। আশা করি, এই সাইট বন্ধ হবে না। খরচ দেবে আন্তর্জাতিক অ্যামেচার অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন (আইএএএফ)।’ অনেক নারী অ্যাথলেট নানা সমস্যার সম্মুখীন হন। কেউ নিগৃহীত হন। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে তারা সেসব কথা কাউকে বলতে পারেন না। নারী অ্যাথলেটদের এসব সমস্যার সমাধানে এবার সেফগার্ডিং বা সুরক্ষানীতি তৈরি করেছে ফেডারেশন। যার প্রধান প্রফেসর ড. ওয়াজিদা বানু। সভাপতি আরও বলেন, ‘সুরক্ষানীতির প্রধান হিসাবে কাজ করবেন প্রফেসর ড. ওয়াজিদা বানু। যদি তার সমাধান অ্যাথলেটের মনঃপুত না হয়, তাহলে সেটা পুলিশের কাছে রেফার করা হবে।’
