অ্যাথলেটিক্সে উড়ছে না নতুনের জয়কেতন
ইমরানুর ও শিরিনই দ্রুততম মানব-মানবী
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইমরানুর রহমান ও শিরিন আক্তারই দেশসেরার মুকুট পরলেন। রোববার জাতীয় স্টেডিয়ামের ট্র্যাকে ঝড় তুলেছেন নৌবাহিনীর এ দুই অ্যাথলেট। ১০.৫৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্রুততম মানবের খেতাব ধরে রাখলেন ইংল্যান্ড প্রবাসী অ্যাথলেট ইমরানুর। জাতীয় ও সামার মিট মিলিয়ে ছয়বার এই মুকুট উঠল তার মাথায়। ইমরানুরের সাফল্যে খুশি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক তাকে ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনার ঘোষণা দেন। অন্যদিকে ১২.১০ সেকেন্ড সময় নিয়ে ফের দ্রুততম মানবী হলেন শিরিন। তিনি গত বছর সামার অ্যাথলেটিক্সে এই খেতাব হারিয়েছিলেন সতীর্থ সুমাইয়া দেওয়ানের কাছে। এবার দ্রুততম মানবীর ১৭তম খেতাব জিতে সাবেক দ্রুততম মানবী নাজমুন নাহার বিউটির পাশে দাঁড়ালেন শিরিন।
চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে দেশের অ্যাথলেটিক্সের দৈন্যদশা। গত সামার অ্যাথলেটিক্সে ১০.৬৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্রুততম মানবের খেতাব পুনরুদ্ধার করেছিলেন ইমরানুর। এবার সময় নিয়েছেন ১০.৫৮ সেকেন্ড। ঘরোয়া আসরে এটা উন্নতি নয়, বরং অবনতি। কারণ, ২০২৩ সালে লন্ডনে একটি আমন্ত্রণমূলক টুর্নামেন্টে ১০.১১ সেকেন্ড সময় নিয়েছিলেন তিনি। ফলে অবনতি হয়েছে ইমরানুরের। স্বীকারও করলেন তিনি, ‘সব সময় ভালো টাইমিং হয় না। আমি এরচেয়েও ভালো পারফরম্যান্স করতে পারি।’ এশিয়ান গেমস নিয়ে ইমরানুর বলেন, ‘ভালো অনুশীলন হলে রেজাল্টও ভালো হবে। আশা করি, এশিয়ান গেমসের আগে ভালো প্রস্তুতি নিতে পারব। তাহলেই ভালো ফল হবে।’
দ্রুতম মানবীর খেতাব পুনরুদ্ধার করলেও ১২.১০ সেকেন্ড সময় নেন তিনি। ২০২২ সামার অ্যাথলেটিক্সে ক্যারিয়ারসেরা টাইমিং ছিল তার ১১.৯৫। তিনি বলেন, ‘আমার বিয়ে ভাগ্য ভালো।’ শিরিন বলেন, ‘আমার স্বামী বিমানবাহিনীর হয়ে বাস্কেটবল খেলেন। তিনি আমাকে অনুপ্রেরণা জোগান। ঈদুল ফিতরে শ্বশুরবাড়ি পাবনায় ঈদ করেছি। সেখানেও অনুশীলন করেছি। আমার স্বামী অনুশীলনে সহযোগিতা করেছেন।’
