কোর্তোয়ার সাত সেভ এমবাপ্পের ‘৭১’
২ রিয়াল মাদ্রিদ, ইন্টার মিলান ১
Advertisement
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
২০১০ সালে বার্নাব্যুতে ইন্টার মিলানের বস হিসাবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ট্রফি জিতেছিলেন জোসে মরিনিও। ইন্টারের কোচ হিসাবে সেটাই ছিল তার শেষ ম্যাচ। ১৬ বছর পর রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে মরিনিও দেখালেন, এখনো পুরোনো জাদু ভোলেননি তিনি। বল নিয়ন্ত্রণে এগিয়েছিল ইন্টার। সহজ সুযোগও তৈরি করেছে তারা। কিন্তু মরিনিওর মাদ্রিদ কাজের কাজটা করেছে সঠিক সময়ে জ্বলে উঠে। গত সপ্তাহান্তে লা লিগায় রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হারের জ্বালা নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শুরু করা রিয়ালের মাঝমাঠ নতুন চেহারা পায় ট্রেন্ট আলেকজান্দার-আরনল্ডকে এই ভূমিকায় এনে। শুরুটা ছিল ইতালীয়দের। প্রথম ১১ মিনিটে চার শট। মনে হচ্ছিল, বার্নাব্যুতে ইন্টার ঢেউ উঠেছে। ঠিক তখনই ইন্টারের রক্ষণের ভুলে প্রথম গোল পেয়ে যায় রিয়াল। ম্যাচের ১৪ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের শট জালে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৯৯ ম্যাচে ফরাসি ফরোয়ার্ডের ৭১তম গোল। এই টুর্নামেন্টে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের মধ্যে পঞ্চম। তার চেয়ে বেশি গোল শুধু করিম বেনজেমা (৯০), রবার্ট লেওয়ানডোস্কি (১০৯), লিওনেল মেসি (১২৯) ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর (১৪০)। রিয়ালের হয়ে তিনবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী রাউল গঞ্জালেস ৭১ গোল করেছেন ১৪২ ম্যাচে। এমবাপ্পে এখন তার পাশে।
লক্ষ্যে প্রথম শটেই গোল। রিয়াল দ্বিতীয় গোল পায় ২৩ মিনিটে। প্রথম গোলটি ছিল ইন্টারের রক্ষণের ভুলে, দ্বিতীয়টি তাদের স্প্যানিশ গোলরক্ষক জোসেফ মার্তিনেজের হাস্যকর ভুলে। বেনজামিন পাভার্দের ব্যাকপাস ধরতে ব্যর্থ হন মার্তিনেজ। রিয়াল অধিনায়ক ফেদেরিকো ভালভার্দের টোকায় স্কোরলাইন হয় ২-০। মার্তিনেজ প্রথমার্ধের অন্তিমলগ্নে এমবাপ্পে ও বেলিংহামকে দুবার হতাশ করে ঈষৎ প্রায়শ্চিত্ত করেন। কিন্তু এদিন নিজের শততম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচ খেলতে নামা রিয়ালের বেলজীয় গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া সাতটি অপূর্ব সেভে দলের ত্রাতা হিসাবে আবির্ভূত হন। ১৫ বারের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের ৩-০ গোলে এগিয়ে দেওয়ার সহজ সুযোগ হেলায় হারান জুড বেলিংহাম। শেষমেশ ৭৭ মিনিটে কার্লোস অগাস্তোর একখানা গোলে ইন্টার ব্যবধান কমিয়ে আনে ১-২ এ। মরিনিওর সাবেক ও বর্তমান ক্লাবের দ্বৈরথ শেষ হয় এই ফলাফলে।
