Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

পদকের সুবাস থেকে বিদায়ের রাগিণী

কাবাডিতে উলটো পথে যাত্রা

Advertisement

Icon

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

পদকের সুবাস থেকে বিদায়ের রাগিণী

Advertisement

আগেরদিনও নাগোয়ার কাবাডি কোর্টে ছিল পদকের সুবাস। চায়নিজ তাইপেকে হারিয়ে দুই দশক পর এশিয়াডে পদক পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই স্বপ্নের আয়ু হলো মাত্র একদিন। জাপানের কাছে অপ্রত্যাশিত হারে ভেঙে গেল স্বপ্ন। মঙ্গলবার স্বাগতিকদের কাছে বাংলাদেশ হেরেছে ৪০-৩৬ পয়েন্টে। জাপানকে হাংঝু এশিয়াডে বাংলাদেশ হারিয়েছিল ৫২-১৭ পয়েন্টে। তাদের কাছে এবার চার পয়েন্টের হার।

এশিয়ান গেমস কাবাডিতে বাংলাদেশের পথে উলটো যাত্রা ১৯৯০ বেইজিং এশিয়াডে রুপা দিয়ে শুরু। আবদুল জলিলদের সেই দল চার বছর পর হিরোশিমাতেও জিতেছিল রুপা। ১৯৯৮ ব্যাংককে ব্রোঞ্জ। ২০০২ বুসানে আবার রুপা। ২০০৬ দোহায় সবশেষ ব্রোঞ্জ। এরপর থমকে যায় বাংলাদেশের পদকের পথ। ২০১০ গুয়াংঝু এশিয়াডে যে পদক হাতছাড়া হয়, ১৬ বছরেও তা আর ফেরেনি। একসময় এশিয়ার কাবাডিতে বাংলাদেশের পদক ছিল নিশ্চিত। এখন আর তা নেই।

এবার সুযোগ ছিল। জাপানকে হারালেই গ্রুপ রানার্সআপ নিশ্চিত হয়ে যেত। সেমিফাইনালে উঠলেই নিশ্চিত হতো অন্তত ব্রোঞ্জ। সেই সহজ সমীকরণ কঠিন করে ফেলল বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরু থেকে জাপান পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে। বাংলাদেশের রেইডাররা বারবার আটকে গেছেন জাপানি রক্ষণে।

অধিনায়ক মিজানুর রহমান দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য রেইডার। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একাধিকবার রেইডে গিয়ে তিনি পয়েন্ট আনতে পারেননি। এতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় জাপানের হাতে। দ্বিতীয়ার্ধের ১৩ মিনিটে জাপানকে অলআউট করে তিন পয়েন্টের লোনা আদায় করে লাল-সবুজ। ব্যবধান তখন ৩৪-২৮। এরপর আরও চাপ তৈরি করে বাংলাদেশ। একসময় ব্যবধান নেমে আসে ৩৫-৩৪ এ শেষ পর্যন্ত জাপান স্নায়ু ধরে রেখে জয় তুলে নেয়। এই হারের পর বাংলাদেশের সামনে কঠিন সমীকরণ। গ্রুপের শীর্ষ দল ভারতের বিপক্ষে আজ শেষ ম্যাচ। জাপানের সামনে দক্ষিণ কোরিয়া ও চানিজ তাইপে। এ দুই ম্যাচের একটিতে জিতলে জাপানের চার পয়েন্ট হবে, বাংলাদেশের সমান। বাংলাদেশের বিপক্ষে জেতায় হেড-টু-হেডে জাপান এগিয়ে। ফলে বাংলাদেশের ব্রোঞ্জের আশা কার্যত শেষ। এমন হতাশার মধ্যে মেয়েদেরও শুরু হয়েছে হার দিয়ে। ইরানের কাছে ৫৪-১৯ পয়েন্টে হেরেছে বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম