Logo
Logo
×
   

Advertisement

দশ দিগন্ত

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কঠোর ট্রাম্প

বিরোধিতা করলেই শুল্ক আরোপের হুমকি

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত করার উচ্চাকাঙ্ক্ষায় আবারও বিশ্বজুড়ে উত্তাপ ছড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পরিকল্পনায় যারা বাধা দেবে, তাদের ওপর চড়া বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি। বিবিসি।

এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডকে ‘সহজ উপায়ে’ (কিনে নেওয়া) অথবা ‘কঠিন উপায়ে’ (সামরিক শক্তি প্রয়োগ) নিজের নিয়ন্ত্রণে নেবে। মূলত আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব রুখতেই এই বিশাল দ্বীপটি দখল করতে চান তিনি। বর্তমানে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসাবে পরিচিত। গ্রিনল্যান্ড জনসংখ্যায় খুবই কম হলেও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিক অঞ্চলের মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে এটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা এবং আর্কটিক অঞ্চলে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রিনল্যান্ডে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্রের পিটুফি

ঘাঁটিতে বর্তমানে স্থায়ীভাবে ১০০-এর বেশি মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। ডেনমার্কের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে সেখানে আরও সেনা মোতায়েন করতে পারে। তবে ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য শুধু সেনা বাড়ানো নয়, অঞ্চলটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বা মালিকানা চান তিনি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি,

জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন। ন্যাটো জোটের উচিত এটি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে নেতৃত্ব দেওয়া। কারণ, যদি গ্রিনল্যান্ড না পায়, তবে রাশিয়া বা চীন এটি দখল করবে। তবে ট্রাম্পের এই আগ্রাসী নীতির বিরোধিতায় সরব হয়েছেন খোদ মার্কিন আইনপ্রণেতারাই। ১১ সদস্যের একটি দ্বিপক্ষীয় কংগ্রেস প্রতিনিধিদল বর্তমানে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক সফর করছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম