দিল্লিতে বিক্ষোভে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক, পরে মুক্ত
Advertisement
কলকাতা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে ফের পথে নামলেন বিরোধী দলের সংসদ-সদস্যরা। মঙ্গলবারের এ কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ। মিছিল আটকে বেশির ভাগ নেতাকে আটক করা হলেও পুলিশের বাধা এড়িয়ে আকাশবাণী ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে আকাশবাণী ভবনের দূরত্ব প্রায় ৫০ মিটার। বিরোধী নেতাদের পরিকল্পনা ছিল কমিশন ভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা। তবে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের পথ আটকে দেয়। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সংসদ ভবন এলাকা থেকে মিছিল শুরু করেন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পাশাপাশি সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, তৃণমূল কংগ্রেসের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বিভিন্ন দলের সংসদ-সদস্যরা এতে অংশ নেন। তবে ডিএমকে ও আম আদমি পার্টির (এএপি) সদস্যরা কর্মসূচিতে ছিলেন না।
ভারতের পার্লামেন্ট ভবন থেকে বের হওয়ার পর মিছিলটি পার্লামেন্ট স্ট্রিট ধরে প্যাটেল চকের দিকে এগোতে থাকে। হাতে ছিল বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড। স্লোগান ওঠে-‘ভোট চোর গদ্দি ছোড়’। তাদের সঙ্গে যোগ দেন কংগ্রেসের ছাত্রসংগঠন এনএসইউআইয়ের কয়েকশ নেতাকর্মীও। বিক্ষোভ ঠেকাতে আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেয় দিল্লি পুলিশ। এলাকায় মোতায়েন করা হয় ৩১ কোম্পানি পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য। প্রায় সাড়ে তিন হাজার নিরাপত্তাকর্মী তিন স্তরের ব্যারিকেড তৈরি করেন। বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে নিতে রাস্তায় প্রস্তুত রাখা হয় বাসও।
একপর্যায়ে পুলিশি বাধা পেরিয়ে রাহুল গান্ধী একটি ব্যারিকেডের ওপর উঠে দাঁড়ান। পরে তার হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়া হলে সেটি নাড়াতে দেখা যায় তাকে। এ সময় পার্লামেন্ট স্ট্রিট এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ভিড় আরও বাড়ে। পরে পুলিশ বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে বাসে তোলে। রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাকেও বাসে তোলা হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। পুলিশের নজর এড়িয়ে দুজনকে আকাশবাণী ভবনের ভেতরে ঢুকে যেতে দেখা যায়।
