এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা
বাংলা প্রথমপত্র
Advertisement
ড. সনজিত পাল, সিনিয়র শিক্ষক, সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সুভা
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
অনুধাবন প্রশ্ন : [পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]
২১. সুভার গরম কোলটি... আয়োজন করত’- কে? ব্যাখ্যা কর।
২২. প্রতাপ কেমন লোক ছিল- বর্ণনা দাও।
২৩. প্রতাপকে সরকারি লোক বলা হয়েছে কেন?
২৪. প্রতাপ মাছ ধরার সময় সঙ্গী হিসাবে সুভাকে পছন্দ করত কেন?
২৫. প্রতাপ সুভাকে ‘সু’ বলে ডাকত কেন?
২৬. সুভা প্রতাপকে আশ্চর্য বা অবাক করে দিতে চাইত কেন?
২৭. ‘তাহা কি হইতে পারিত না’- কোন প্রসঙ্গে, কেন বলা হয়েছে?
২৮. সুভাকে পাতালপুরীর রাজকন্যা কল্পনা করা হয়েছে কেন?
২৯. সুভা যেন আপনাকে আপনি অনুভব করতে পারছে- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
৩০. ‘সুভা আপনাকে... পারিতেছে না’- কেন?
৩১. ‘এই নিস্তব্ধ ব্যাকুল... বালিকা দাঁড়াইয়া’- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
৩২. এদিকে কন্যাভারগ্রস্থ পিতামাতা চিন্তিত হইয়া উঠিয়াছেন- কেন?
৩৩. লোকেও নিন্দা আরম্ভ করিয়াছে- কেন?
৩৪. বাণীকণ্ঠের শত্রু ছিল কেন?
৩৫. সুভার পরিবারের বিদেশযাত্রার উদ্যোগ হইতে লাগিল- কেন?
৩৬. ‘কুয়াশা-ঢাকা... ভরিয়া গেল’- কেন?
৩৭. ‘দেখিস আমাদের ভুলিস নে’- কেন বলা হয়েছে?
৩৮. সুভাকে মর্মবিদ্ধ হরিণীর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে কেন?
৩৯. ‘সুভা বাবার পায়ের... কাঁদিতে লাগিল’- কেন?
৪০. ‘বাণীকণ্ঠের শুষ্ক কপোলে অশ্রু গড়াইয়া পড়িল’- কেন?
সৃজনশীল প্রশ্নের দিকসমূহ
১. প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতি মমত্ত্ববোধ।
২. নির্বাক প্রকৃতির সঙ্গে সুভার যোগাযোগ বা সম্পর্ক।/ নির্বাক প্রকৃতির মধ্যে মুক্তির আনন্দ পাওয়া।
৩. মূকপশুর সঙ্গে সুভার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।
৪. সুভাকে কেন্দ্রকরে তার মা ও প্রতিবেশীদের ভাবনা/ বিশ্বাস।
৫. বাণীকণ্ঠের প্রতি গ্রামবাসীর হিংসা বা শত্রুসম মনোভাব।
৬. বাণীকণ্ঠকে একঘরে করে রাখার কারণ।
৭. দুপুরের বিজন প্রকৃতির সঙ্গে সুভার মুখোমুখি বসা।
৮. নিজের জীবনের প্রতি সুভার অনুভূতির জাগরণ।
পদার্থবিজ্ঞান
মো. বদরুল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক, গভর্নমেন্ট সায়েন্স হাইস্কুল, তেজগাঁও, ঢাকা
গতি
[পূর্বে প্রকাশিত অংশের পর]
৬৬। স্থিতি কাকে বলে?
- সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে পারিপার্শ্বের সাপেক্ষে যখন কোনো বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তন না ঘটে তখন তাকে স্থিতিশীল বস্তু বলে। স্থিতিশীল বস্তুর এ অবস্থার পরিবর্তন না ঘটাকে স্থিতি বলে।
৬৭। পরম স্থিতি কাকে বলে?
- প্রসঙ্গ বস্তু যদি প্রকৃতপক্ষে স্থির হয় তাহলে তার সাপেক্ষে যে বস্তু স্থিতিশীল রয়েছে সেও প্রকৃতপক্ষে স্থির। এ ধরনের স্থিতিকে পরম স্থিতি বলে।
৬৮। রৈখিক গতি কাকে বলে?
- কোনো বস্তু যদি একটি সরল রেখা বরাবর গতিশীল হয় তাহলে তার গতিকে রৈখিক গতি বলে।
৬৯। ঘূর্ণন গতি বা বৃত্তকার গতি কাকে বলে?
- যখন কোনো বস্তু কোনা নির্দিষ্ট বিন্দু বা রেখা থেকে বস্তু কণাগুলোর দূরত্ব অপরিবর্তিত রেখে ওই বিন্দু বা রেখাকে কেন্দ্র করে ঘোরে তখন সে বস্তুর গতিকে ঘূর্ণন গতি বলে। যেমন ঘড়ির কাঁটার গতি।
৭০। চলন গতি কাকে বলে?
- কোনো বস্তু যদি এমনভাবে চলতে থাকে যাতে করে বস্তুর সব কণা একই সময়ে একই দিকে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে তাহলে ওই গতিকে চলন গতি বলে।
৭১। পর্যায়বৃত্ত গতি কাকে বলে?
- কোনো গতিশীল বস্তুকণার গতি যদি এমন হয় যে, এটি এর গতি পথে কোনো নির্দিষ্ট বিন্দুকে নির্দিষ্ট সময় পরপর একই দিক থেকে অতিক্রম করে, তাহলে সেই গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি বলে।
৭২। স্পন্দন গতি বা কম্পন বা দোলন গতি কাকে বলে?
- পর্যায়বৃত্ত গতিসম্পন্ন কোনো বস্তু যদি পর্যায়কালের অর্ধেক সময় কোনো নির্দিষ্ট দিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় একই পথে তার বিপরীত দিকে চলে তবে এর গতিকে স্পন্দন বা দোলন বা কম্পন গতি বলে।
৭৩। তাৎক্ষণিক দ্রুতি কাকে বলে?
- অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে যে কোনো মুহূর্তে কোনো বস্তুর অতিক্রান্ত দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করলে যে দ্রুতি পাওয়া যায় তাকে তাৎক্ষণিক দ্রুতি বলে।
৭৪। সুসম দ্রুতি কাকে বলে?
- কোনো বস্তু তার গতিকালে যদি সমান সময়ে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে তাহলে সেই দ্রুতিকে সুসম দ্রুতি বলে।
৭৫। অসম দ্রুতি কাকে বলে?
- কোনো বস্তু তার গতিকালে যদি সমান সময়ে সমান দূরত্ব অতিক্রম না করে তাহলে সেই দ্রুতিকে অসম দ্রুতি বলে।
