আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম চলবে
Advertisement
মেজর (অব.) মনজুর কাদের
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৫, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে গিয়ে ১৯৫৭ সালের ২৬ জুলাই ন্যাপ প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন দলটি বারবার নীতি ও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। যে আওয়ামী লীগ ছয় দফা প্রণয়ন করে স্বায়ত্তশাসনের দাবি তুলে নিম্নমধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে পুঁজিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল, সেই দল স্বাধীনতার পর বড় বড় শিল্পকারখানার প্রসার যাতে লাভ না করতে পারে, তার জন্য আদেশ দেওয়া হয় যে, কেউ শিল্প খাতে ২৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ কেউ করতে পারবেন না। বামপন্থিদের প্রভাবে ১৯৭০ সালের নির্বাচনি মেনিফেস্টো রচনা করে আওয়ামী লীগ ছয় দফার স্পিরিট থেকে সরে গিয়ে ব্যাংক, বিমা, পাটকল, শিল্পকারখানা জাতীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন করার ব্যবস্থা করে, যার রেশ এখনো রয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের ১৯৭০ সালের নির্বাচনি মেনিফেস্টোর মধ্যে অর্থনীতি ধ্বংস করার জন্য যে বীজ রোপণ করা হয়েছিল, জনগণ তখন তা বুঝতে পারেনি।
দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা
ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তি আওয়ামী লীগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রাজনীতি ধ্বংস করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে অনেক দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে, ১৬ ডিসেম্বরের পর জহির রায়হানসহ হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গুম ও সিরাজ সিকদারসহ হাজার হাজার প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে, সেনাবাহিনীতে ২১টি ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান সংঘটিত করে এবং ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে অসংখ্য মেধাবী সামরিক অফিসারকে হত্যা করে বাংলাদেশকে বেসামরিক ও সামরিক নেতৃত্বশূন্য করেছে। এসব বিষয়ে নিয়ে কথা বললে, আওয়াজ তুললে গুম-খুন করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ মানুষ বারবার এ অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে এবং বিজয়ী হয়েছে।
সিপাহি জনতার বিপ্লব : আধিপত্যবাদী ভারতের বিরুদ্ধে জিয়ার অবস্থান
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সফল সিপাহি জনতার বিপ্লবের পর এ বাস্তবতা বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছিলেন। জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করলে যশোর সেনানিবাসে স্বল্পসময়ের নোটিশে হেলিকপ্টার নিয়ে উপস্থিত হন। তার নির্দেশে সেনাবাহিনীর সব অফিসার গ্যারিসন সিনেমা হলে জমায়েত হন। সব বেসামরিক ব্যক্তি, এমনকি মাইক্রোফোন অপারেটরকেও হল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন জিয়া। উপস্থিত সব অফিসারের মধ্যে তখন উদ্বিগ্নতার ছাপ ফুটে উঠেছে। রাষ্ট্রপতি জিয়া গুরুগম্ভীর গলায় ইংরেজিতে বলতে থাকলেন, যার বাংলা হলো :
‘আপনাদের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলার সুযোগ হয়তো আর পাব না। ভারত যদি আমাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়, তাহলে আমাদের শক্তি দিয়ে ৫ দিন প্রচলিত পদ্ধতিতে যুদ্ধ করতে পারব। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক চাপে ভারত যদি যুদ্ধ বন্ধ না করে, তাহলে আপনারা গেরিলা যুদ্ধ শুরু করার জন্য আমার পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করবেন না। আমাদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আপনাদের নেতৃত্বে ভারতের বিরুদ্ধে গেরিলাযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে’ (লেখক এই সভায় সেনাবাহিনীর অফিসার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এবং এ বিষয়ে ২০০৪ সালের দিকে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় একটি সাক্ষাৎকার প্রদান করেছিলেন)।
জিয়া ভারতের সেভেন সিস্টারের চোখের ভাষা বুঝতে পেরেছিলেন
রাষ্ট্রপতি জিয়া বাংলাদেশের চতুর্দিকে অবস্থিত ভারতের রাজ্যগুলোর মানুষের চোখের ভাষা বুঝতে পেরেছিলেন ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধের রণাঙ্গন থেকে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পর জিয়ার দৃষ্টিনিবদ্ধ হয় সেভেন সিস্টারের অন্তর্ভুক্ত রাজ্যগুলোর দিকে। বড় মাপের ঝুঁকি তিনি নিয়েছিলেন। যুদ্ধ ঘোষণার পরপরই ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী বাংলাদেশ সীমান্তে অস্থিরতা তৈরি করার সব কার্যকলাপ বন্ধ করে দেয়। তাই যারা জুজুর ভয় দেখিয়ে প্রায়ই বলে থাকেন, বিশাল ভারত যদি বাংলাদেশের প্রতি বিরূপ আচরণ করে, তাহলে বিপদ নেমে আসতে পারে। এ ব্যক্তিরা বাস্তবতা বোঝার জন্য চেষ্টা করতে পারেন।
জিয়ার কণ্ঠের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সোচ্চার হয়ে উঠছেন অনেকেই
বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা জুজুর ভয়ে ভীত নয় বলেই ভারতকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিপ্লব সফল করেছেন। বাংলাদেশের ছাত্র, জনতা, শ্রমিক, কৃষক বুঝতে পেরেছেন, এ বিজয় ধরে রাখার এই তো সময়, এগিয়ে যাওয়ার এই তো সময়। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে ভারত অবৈধভাবে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনবরত বিরূপ প্রচারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নেতারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কণ্ঠের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন।
ড. ইউনূসের স্পষ্ট কথা
ইউনূস স্পষ্ট ভাষায় বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এর পেছনে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ও কার্যক্রমের বিষয়টি অন্যতম। তিনি বলেন, ‘ভারতীয়রা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কিছু বিষয় পছন্দ করেনি। এর ফলে সম্পর্কের মধ্যে টান পড়েছে।’
এর পাশাপাশি তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারতের অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন। ইউনূসের অভিযোগ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তরুণদের মৃত্যুর জন্য দায়ী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। এ বিষয়টি সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে ছড়ানো মিথ্যা খবরও পরিস্থিতি খারাপ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
‘আমার দাড়ি নেই, বাড়িতে রেখে এসেছি’
ইউনূস ব্যঙ্গ করে বলেন, ইসলামী আন্দোলন নিয়ে অনেক ভুয়া খবর ছড়ানো হয়েছে, যেখানে তালেবানের প্রশিক্ষণের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ দেখানো হয়েছে। এমনকি তাকেও তালেবান বলে অপপ্রচার করা হয়েছে। তিনি হেসে বলেন, ‘আমার দাড়ি নেই, বাড়িতে রেখে এসেছি।’
ড. ইউনূস মনে করিয়ে দেন, সার্কের ধারণার জন্ম বাংলাদেশেই (রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়)। সার্ক আসলে একটি পরিবারের মতো, যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে একত্রিত করার মূল চিন্তা ছিল। তরুণদের পারস্পরিক যোগাযোগ, শিক্ষায় অংশগ্রহণ, ব্যবসা ও সংস্কৃতির আদান-প্রদান ছিল সার্কের উদ্দেশ্য। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ভারতের কারণে অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
ড. ইউনূস নেপাল, ভুটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যের কথাও উল্লেখ করেন। এ সাতটি রাজ্য ল্যান্ডলকড হওয়ায় তাদের সমুদ্রপথে কোনো সংযোগ নেই। বাংলাদেশ এ ব্যাপারে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারে। ড. ইউনূস সাহসিকতার সঙ্গে বাংলাদেশের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেছেন।
‘জিয়ার স্বপ্নেরই প্রতিধ্বনি আমরা সেদিন ড. ইউনূসের কণ্ঠে শুনেছি’
২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে ‘এনআরবি কানেক্ট ডে : এমপাওয়ারিং গ্লোবাল বাংলাদেশি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের একটি সেশনে দেওয়া বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বিজনেস ফোরামের সভায় ড. ইউনূসের বক্তব্য শুনে বারবার আমার মনে হচ্ছিল, আমি যেন এদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কথাই শুনছি। গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নেরই প্রতিধ্বনি আমরা সেদিন ড. ইউনূসের কণ্ঠে শুনেছি।’ এ সময় বাংলাদেশ বিষয়ে সবাইকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যে কোনো দুঃসময়ে বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করতে জানে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান তার প্রমাণ।’
৫ আগস্ট শিখিয়েছে জাতীয় মুক্তির আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে হবে
রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পৃথিবীতে যেসব দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে, তা সুসংহত করতে এবং জনগণের চূড়ান্ত মুক্তির জন্য আরও রক্ত ঝরাতে হয়েছে। বাংলাদেশেও তাই ঘটেছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জিত হলেও মুক্তির স্বাদ মেলেনি বাংলাদেশের মানুষের। ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে। বাংলাদেশে গণতন্ত্র অর্জন, গণতন্ত্র হত্যা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম করতে গিয়ে কেটে গেছে ৫৩ বছর-অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের আকাঙ্ক্ষা ছিল সোনার হরিণ শিকারের মতো।
আদর্শ থেকে বিচ্যুত
শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসার পর পদে দলটি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, এমনকি দলটি ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বিলুপ্ত করে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। একবার ধনতন্ত্র, আরেকবার সমাজতন্ত্র, সবশেষে ফ্যাসিবাদ কায়েমের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে লুটেরা অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করে সব নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে এক লজ্জাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। দেশের সর্বক্ষেত্রে গভীর এক অচলায়তনের সৃষ্টির অভিযোগে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বলিষ্ঠ ভূমিকা
সামরিক শাসন বা জরুরি অবস্থা জারি না করেই ড. ইউনূস বাংলাদেশের সরকার চালিয়েছেন ১ বছর ২ মাস। এ সময়ের মধ্যে তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছেন ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগদানের জন্য অবস্থানরত ড. ইউনূস সাংবাদিক মেহেদী হাসানের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘আমাদের তিনটি প্রধান কাজ রয়েছে। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। শুধু নির্বাচন করে আগের মতো সবকিছু রেখে দিলে আবারও সেই একই দুর্নীতি, স্বৈরতন্ত্র ফিরে আসবে। তাই আগে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান স্পষ্ট করে বলেন, আমরা শুধু নির্বাচন করতে আসিনি। আমাদের কাজ হলো-ফ্যাসিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলা, যাতে আর কেউ গণতন্ত্রের নামে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে না পারে’।
বাংলাদেশের জনগণ দেখেছেন, কীভাবে ফ্যাসিস্ট এবং স্বৈরাচারের হাত ধরে নির্লজ্জভাবে আধিপত্যবাদী শক্তি ২০০৭ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে। আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য সব দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে জাতির এ ক্রান্তিকালে; যেমনটি করা হয়েছিল ষাটের দশকে। ছাত্ররা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, পাকিস্তানের আধা-ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে। সংগ্রাম ও যুদ্ধ করে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। প্রয়োজনে ছাত্ররা ষাটের দশকের মতো ঐক্যবদ্ধ থেকে ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরঙ্কুশ করবেন।
মেজর (অব.) মনজুর কাদের : সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ-সদস্য
