Logo
Logo
×
   

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

হালফিল বয়ান

গাজা গণহত্যার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক প্রতিবাদ

Advertisement

Icon

ড. মাহফুজ পারভেজ

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৫, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

গাজা গণহত্যার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক প্রতিবাদ

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

গাজার গণহত্যা একটি সাধারণ ঘটনার মতো প্রতিদিন নিহতের সংখ্যা জানাচ্ছে। আজকে ১০০, আগের দিন ৯৫, এভাবে নিত্যদিনের নিহতের সংখ্যা দেখে দেখে বিশ্ববাসী অভ্যস্ত হয়ে গেছে। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন অসহায় পরিস্থিতি খুব কমই এসেছে, যখন একতরফা হত্যা প্রতিকারহীনভাবে চলেছে। গাজায় তেমনটিই হয়েছে। শুধু হত্যা নয়, খাদ্য, ওষুধ, জরুরি মানবিক সাহায্য থেকেও তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদের ধ্বনি উচ্চারিত হলেও গাজার পক্ষে বৈশ্বিক প্রতিবাদ হয়েছে কমই। বিশ্বনেতৃত্বের উদ্যোগী ও কার্যকর ভূমিকা রয়েছে সামান্যই। বরং আসল চিত্র হলো এই যে, গাজায় প্রতিদিন পাখির মতো মানুষ হত্যার বিপরীতে বিশ্বনেতৃত্বের মৌনব্রত আর মুসলিম শাসকদের অক্ষমতাই হলো প্রকৃত বাস্তবতা।

গাজার গণহত্যা দেখতে দেখতে এবং বিশ্বনেতৃত্বের প্রহসনমূলক আচরণ ও কথা শুনতে শুনতে বিশ্ববাসী যখন ক্লান্ত, অবসন্ন ও নির্জীব, তখন মানবতা নামক শব্দটি আর সাহস নামের বৈশিষ্ট্যটি পৃথিবীতে অবশিষ্ট আছে বলে মনেই হচ্ছিল না। আর ঠিক তখনই অবরুদ্ধ-উপদ্রুত গাজার মানুষের প্রতি সহমর্মিতার প্রত্যয়ে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের অভিযাত্রা মানবতার নব জন্ম দিয়েছে এবং সাহসের নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। অক্ষম পৃথিবীর অসহায় মানুষ এবং ব্যর্থ শাসকদের সামনে প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে ঘটনাটি, যার ফলে সাগর থেকে মাটি পর্যন্ত সঞ্চারিত হয়েছে ইসরাইলের প্রতি ঘৃণা ও প্রতিবাদ এবং গাজার প্রতি সমর্থন ও সংহতি।

যে বিশ্বখ্যাত ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে একদা এশিয়ায় এসেছিল ক্রুসেডার এবং ইউরোপে গিয়েছিল মুসলিম বিজেতা মুসার মুজাহিদ বাহিনী, সেই অনিন্দ্য সুন্দর সমুদ্রের একুয়ামেরিন জলের কল্লোলে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা সঞ্চারিত করেছে দ্রোহ ও প্রতিবাদের সীমাহীন ঢেউ। দুর্বল শাসক এবং নিষ্ক্রিয় বিশ্ববাসীর কাছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সাহসী উপস্থিতি বর্বরতা ও নৃশংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নতুন দৃষ্টান্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষকে প্রণোদিত করছে। একইসঙ্গে বিশ্ববাসীর সামনে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে গণহত্যার প্রতিবাদে মানবিক ও সাহসী মানুষের কর্তব্য তুলে ধরছে এবং অক্ষম ও দুর্বল শাসকের অবদমিত প্রতিচিত্র উন্মোচিত করেছে।

বলার অপেক্ষা রাখে না, গাজায় গণহত্যা ও মানবিক সংকট যখন নিত্যনৈমিত্তিক বাস্তবতা, তখন ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের অভিযাত্রা এক শিহরণ জাগানিয়া সঞ্জীবনী রূপে বিশ্ববাসীর সামনে হাজির হয়ে নির্মমতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের পথ দেখিয়েছে এমন এক পর্যায়ে, যখন গাজায় দীর্ঘস্থায়ী অবরোধ, ইসরাইলি সামরিক অভিযানে অকাতরে সাধারণ মানুষের মৃত্যু এবং মানবিক বিপর্যয়কে বহু দেশ ও মানবাধিকার সংস্থা গণহত্যা বা গণসংহার বলে অভিহিত করতেও রাজি হয়নি। চায়ের পেয়ালা হাতে বিশ্ব মোড়লরা আলোচনায় লিপ্ত হয়েছে গাজার গণহত্যা ও রক্তস্রোত এড়িয়ে। প্রতিবেশী আরব দেশগুলো রয়েছে নতজানু অবস্থায়। গাজা প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাপী অক্ষমতার চূড়ান্ত প্রদর্শনীর মধ্যে ফ্লোটিলা এক দুর্বার সাহসের নাম। যার মূল উদ্দেশ্য গাজাবাসীর জন্য খাদ্য ওষুধ পৌঁছে দেওয়া। এমন ঘোরতর গণহত্যার মধ্যে এ উদ্যোগকে ‘মানবতার পক্ষে সাহসী পদক্ষেপ’ হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, হন্তারক ইসরাইল ত্রাণকর্মী ও ডাক্তার-নার্সকেও রেহাই দিচ্ছে না। ফলে সেখানে যাওয়া মানে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার শামিল। ফ্লোটিলার ভয়হীন মানুষেরা মৃত্যুর মুখে এগিয়ে গিয়ে সেই সাহস ও মানবিকতার পরিচয় দিলেন।

বিশ্বের নানা দেশের অধিকার কর্মীর সমন্বয়ে গঠিত ফ্লোটিলার অংশগ্রহণকারী দল সত্যিই এক ঐতিহাসিক প্রতিবাদ, যাতে বাংলাদেশি ও বাঙালি বংশোদ্ভূতদের উপস্থিতির ঘটনা জাতি হিসাবে আমাদের জন্য উদ্দীপনামূলক। প্রতিনিধি দলের একেকজন আদর্শ সাহসী নাগরিক, যারা যুদ্ধনীতি-অমানবিকতা, দুর্ভিক্ষ ও নিপীড়নের এবং প্রতিনিয়ত ঘটমান গণহত্যার প্রতিবাদে জীবনবাজি রেখে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন। সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, বাংলাদেশের শহিদুল আলমের মতো বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ স্বেচ্ছাসেবক, মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে ইতিহাসে তাদের স্থান নিশ্চিত করেছেন।

কেন প্রতিবাদী অধিকার কর্মীদের জীবনবাজি রেখে ত্রাণ ও সাহায্য নিয়ে অবরুদ্ধ-উপদ্রুত গাজা অভিযাত্রায় শরিক হতে হলো? কারণ, একটাই। আর তা হলো বিশ্বনেতৃত্বের সীমাহীন ব্যর্থতা, ক্ষমার অযোগ্য অক্ষমতা এবং অকার্যকর অবস্থান। দিনে পর দিন চলমান গাজা গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের পটভূমিতে আন্তর্জাতিক রাজনীতির কর্তাদের এবং বড় বড় শক্তি ও দেশ বা জাতিসংঘের ভূমিকা সত্যিই বেদনাদায়ক। বস্তুত তাদের সম্মিলিত অবস্থান হত্যাকারীদের সহায়ক হয়েছে। অনেকেই শুধু বিবৃতি দিয়েছে, কোনো কার্যকর প্রতিরোধ বা মানবিক করিডর খুলে দেওয়ার জন্য সাহসী পদক্ষেপ নিতে পারেনি। অনেকেই, বিশেষত মুসলিম দেশগুলো মুখ লুকিয়ে রেখেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ভয়ে। গাজার রক্তবন্যায় সমগ্র জগৎ নীরব দর্শক হিসাবেই থেকেছে, যা শাসকদের কূটনৈতিক ও নৈতিক দুর্বলতার এবং সামরিক অক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ।

এমনই একতরফা ও আগ্রাসী পরিস্থিতিতে ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের গাজা অভিযাত্রা বিশ্ববিবেককে নাড়া দিয়েছে। বিশ্ববাসীর চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে; গাজা একটি মানবিক মৃত্যুকূপে পরিণত হলেও কিছু সাহসী মানুষ প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পিছপা হননি। জীবনের বিনিময়ে তারা গাজাবাসীর জীবনের নিরাপত্তা ও স্বাধীন ফিলিস্তিনের ন্যায়সংগত দাবিকে উচ্চারিত করেছেন। শক্তির রণহুঙ্কারের বিরুদ্ধে মানবতা যে এখনো জীবন্ত রয়েছে, ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের গাজা অভিযাত্রা তারই প্রমাণ বহন করছে। একইসঙ্গে এ সত্যকেও প্রকট করেছে যে, গণহত্যার বিপরীতে, কয়েকজন সাহসী মানুষের প্রতিবাদ মানবিকতা ও নৈতিকতার প্রতীক হয়ে বৈশ্বিক ঘটনায় পরিণত হতে পারে। প্রমাণ করতে পারে যে, গাজার গণহত্যায় হন্তারকরা যতই শক্তিশালী হোক, প্রতিবাদের, নিন্দার, ঘৃণার ঊর্ধ্বে নয়। আর দুর্বল, শাসকরা ইতিহাসে কেবলই অক্ষম চরিত্র মাত্র।

ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের গাজা অভিযাত্রা থেকে বিশ্বের বিপুলসংখ্যক মানবিক ও প্রতিবাদী মানুষের শিক্ষা নেওয়ার অনেক কিছু রয়েছে। গাজা গণহত্যার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী নিন্দা ও প্রতিবাদ যে মানবিক মানুষের নৈতিক দায়িত্ব, তা মনে করিয়ে দিয়েছে এ ঘটনা। গাজায় ইসরাইলের সামরিক হামলা, খাদ্য-জল-চিকিৎসার অপ্রতুলতা, বেসামরিক জনগণের প্রতি নির্বিচার আক্রমণের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংগঠন এবং বিশ্বের বড় বড় রাষ্ট্রের যে এখনো সঠিক দায়িত্ব পালনের অবকাশ রয়েছে, তা-ও মনে করিয়ে দিয়েছে ফ্লোটিলার সাহসী মানুষেরা। গাজার গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ কোনোক্রমেই যে বিনা বিচারে, বিনা প্রতিবাদে ছাড় পেতে পারে না, সেটিই বিশ্ববাসী ও বিশ্বনেতৃত্বকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তারা।

ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের গাজা অভিযাত্রা এটাও মনে করিয়ে দিয়েছে যে, বিশ্বের ২৮টি দেশ, স্বয়ং জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) ইসরাইলকে যুদ্ধ বন্ধ, গণহত্যা তদন্ত ও অবরোধ শিথিল করার আহ্বান জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়া-বিভিন্ন মহল থেকে সংসদ-সদস্য, রাষ্ট্রনায়ক ও বুদ্ধিজীবীরা কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন। এ প্রতিবাদকে আরও শক্তিশালী ও সর্বাত্মক করার মাধ্যমে গাজাবাসীকে রক্ষার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের গাজা অভিযাত্রা।

বাস্তবে, ইসরাইলের রক্তপিপাসু গণহত্যার বিপরীতে এসব নিন্দা ও প্রতিবাদ বহু ক্ষেত্রে নীতিগত, প্রতীকী বা ঘোষণামূলক রয়ে গেছে, কার্যকর রাজনৈতিক চাপ, হস্তক্ষেপ বা মানবিক করিডর শক্তভাবে গড়ে তোলায় অনীহা বা অক্ষমতা লক্ষ করা গেছে। এজন্যই ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের গাজা অভিযাত্রার প্রতীতিতে মানবিক মানুষের কর্তব্য হলো-শক্তিশালী কণ্ঠে প্রতিবাদ ও সত্য উদ্ঘাটন করা। মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া এবং নানাবিধ প্ল্যাটফর্মে সত্য ও মানবিক চিত্র তুলে ধরা। গাজাবাসীর মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সাহায্য প্রণোদনা পাঠানো ও সংগঠিত করা। আন্তর্জাতিক রেডক্রস, রেড ক্রিসেন্ট ইত্যাদি সংস্থার মাধ্যমে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা। একইসঙ্গে রাজনৈতিক ও আইনি প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রতিটি দেশ-রাষ্ট্রের নাগরিকদের উচিত নিজ নিজ সরকারকে চাপ সৃষ্টি করা, জাতিসংঘ-আন্তর্জাতিক আদালতে অভিযোগ, গণস্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন কার্যকরের আহ্বান জানানো।

শুধু সংবেদনশীল আচরণ ও সংহতি প্রকাশই গাজা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য যথেষ্ট নয়। শোক, সংহতি এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রদর্শন অবশ্যই নিপীড়িতদের প্রতি নৈতিক দায়িত্ব। জনসচেতনতা বাড়ানো বা রাজনৈতিক স্বার্থকে চ্যালেঞ্জ করাও একটি বড় কাজ। কিন্তু এসবের বাইরে এসে সক্রিয়তার শিক্ষা নিতে হবে ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের গাজা অভিযাত্রার ইতিবৃত্ত থেকে। শান্তির জন্য সক্রিয় উদ্যোগ এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নাগরিক সমাজ, বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করাই আবশ্যিক কর্তব্য। গাজা গণহত্যার মুহূর্তে বিশ্বব্যাপী প্রতিটি মানবিক মনুষ্যপ্রাণের দায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, মানবতার পক্ষে কার্যকর সহায়তা প্রদান করা এবং নির্যাতিতের পাশে দাঁড়ানো। এটি শুধু আঞ্চলিক সংকট নয়, যে কোনো গণহত্যার বিরুদ্ধে মানুষের সর্বজনীন নৈতিক দায়িত্ব ও সভ্যতার কণ্ঠস্বরের পরীক্ষা। ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের গাজা অভিযাত্রা এ শিক্ষাই বিশ্ববাসীকে দিয়েছে।

সবচেয়ে হতাশা ও ক্ষোভের বিষয় হলো, ফ্লোটিলার সাহসী মানুষদের ইসরাইল নৌবাহিনীর সরাসরি হামলা ও জলসীমায় আটকানোর ঘটনাটি শুধু আইনের লঙ্ঘন নয়, বরং মানবতাবিরোধী কার্যক্রমের একটা অংশ হিসাবে বৈশ্বিক আলোচনায় এসেছে। এমনকি পাশ্চাত্য শক্তি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার তীব্র মন্তব্যের পরও ফ্লোটিলা আটক এবং গাজা অবরোধ অপসারণের ব্যাপারে তারা সত্যিকারের চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি; এক্ষেত্রে শাসকগোষ্ঠীর নৈতিক ব্যর্থতা ও অক্ষমতা স্পষ্ট। আর অনেক রাষ্ট্র নিন্দার মুখে থেকেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। এসব ঘটনার মধ্যেই গণহত্যার নিষ্ঠুরতার পাশাপাশি হন্তারকদের অমানবিকতা স্পষ্ট হয়েছে। বৈশ্বিক রাজনীতির মুখোশ উন্মোচিত করে নৈতিকতাহীন চেহারা সবার সামনে নিয়ে এসেছে ফ্লোটিলা। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ফ্লোটিলার অভিযাত্রা গণহত্যা ও শক্তিমত্তার বিরুদ্ধে মানবিক আশাবাদের নৈতিক জয়ধ্বনি এবং সাহসের ঢঙ্কা-নিনাদ হয়ে বিশ্বের কেন্দ্র ও প্রান্তে প্রান্তে অনুরণন জাগাচ্ছে। এভাবেই ফ্লোটিলার গাজা অভিযাত্রা মানবতার নবজন্ম দিয়েছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের নতুন অধ্যায় রচনা করেছে ফ্লোটিলার গাজা অভিযাত্রা।

প্রফেসর ড. মাহফুজ পারভেজ : চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম