Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

নিউইয়র্কের চিঠি

ট্রাম্পের নানামুখী পদক্ষেপে বিশ্বজুড়ে উৎকণ্ঠা

Advertisement

Icon

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ট্রাম্পের নানামুখী পদক্ষেপে বিশ্বজুড়ে উৎকণ্ঠা

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

অশান্ত বিশ্ব আরও অশান্ত হয়ে উঠছে। গত মাসের শেষদিকে আমেরিকান সৈন্যরা যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ২ হাজার ১২৫ মাইল দূরবর্তী ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে উঠিয়ে নিউইয়র্কে এনে বিচার শুরু করেছে। ওয়াশিংটন থেকে ৬ হাজার ১০০ মাইল দূরে অবস্থিত ইরানের রাজধানী তেহরানে প্রচণ্ড বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চেষ্টা করছে প্রায় পাঁচ দশক আগে ইরানের ক্ষমতাসীন ইসলামি বিপ্লবী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে। প্রায় ৬ হাজার মাইল দূরবর্তী ইসরাইলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজায় জীবিত ফিলিস্তিনিদের সেখান থেকে উৎখাত করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা নিয়েছেন ট্রাম্প।

২ হাজার মাইল দূরের গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্বজুড়ে মোড়লিপনা প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগকে ভালো চোখে দেখছে না দুই পরাশক্তি চীন ও রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পদক্ষেপের জোরালো প্রতিবাদ করলেও তারা পালটা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, এমন কোনো আভাস দেখা না গেলেও পরিস্থিতি যদি তাদের কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করে, সেক্ষেত্রে পরিণতি কী হবে, তা কল্পনা করে বিশ্ববাসী এক ধরনের অস্থিরতা, অজানা আশঙ্কা ও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

অভিবাসী দমনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন

অভ্যন্তরীণ ফ্রন্টে যুক্তরাষ্ট্র যখন খুব ভালো অবস্থায় নেই, তখন ট্রাম্প প্রশাসন কী কারণে বিশ্বে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মাঝে ভিন্নমত দেখা গেলেও একটি বিষয়ে তারা একমত-যুক্তরাষ্ট্র ভেতর থেকে অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত এক অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রাস্ফীতির কারণে ভোগ্যপণ্য ও সব ধরনের সেবার মূল্যবৃদ্ধির কারণে আমেরিকানরা গত কয়েক বছর ধরেই বিক্ষুব্ধ, যা এখন বিস্ফোরণে রূপ নিয়েছে। সেক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগের পাশাপাশি দেশ থেকে অবৈধ অভিবাসীদের আটক ও বহিষ্কার অভিযান পরিস্থিতিকে আরও সঙ্গিন করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রচণ্ড গণবিক্ষোভ দিন দিন গতি লাভ করবে, তা নিশ্চিত করে বলা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক, দীর্ঘদিন থেকে যেগুলো কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়নি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত বছর হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করার পর সে আইনগুলো প্রয়োগ করে অভিবাসীদের ধরপাকড় ও বহিষ্কার শুরু করেছেন। বৈধ অভিবাসী ভিসায় আগতরা আমেরিকানদের জন্য নির্ধারিত কল্যাণমূলক সুবিধাগুলো ‘অগ্রহণযোগ্য ও মাত্রাতিরিক্ত হারে’ গ্রহণ করছে অভিযোগ তুলে ৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করায় অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে কিনা, তা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন আদৌ কোনো তোয়াক্কা করছে না।

সবকিছু মিলিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার জনগোষ্ঠীর অর্ধেক বা তারও বেশি অংশের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের যেসব অঙ্গরাজ্য ও বড় বড় শহর তার প্রতিপক্ষ দল ডেমোক্রেটিক পার্টির নিয়ন্ত্রণে, সেসব অঙ্গরাজ্য ও শহরে যেহেতু অভিবাসীরা বিপুলসংখ্যায় বসবাস করেন, ওই শহরগুলোতে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অভিবাসীবিরোধী আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট’ (আইস)।

এ অভিযান কি শুধু অবৈধ অভিবাসী আটক ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাদের বহিষ্কারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে? ডেমোক্রেটিক পার্টি, অভিবাসন অধিকার প্রবক্তা সংগঠনগুলোর মতে, ট্রাম্প যুগে ‘আইস’র অভিযানের আসল উদ্দেশ্য ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যেসব অঙ্গরাজ্য ও শহরের ভোটাররা ভোট দিয়ে এবং তাদের শহরকে অভিবাসীদের জন্য ‘স্যাঙ্কচ্যুয়ারি সিটি’ বা অভয়াশ্রম হিসাবে ঘোষণা করার ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। বৈধ-অবৈধ নির্বিশেষে অভিবাসীদের সঙ্গে ‘আইস’ যে নিষ্ঠুর আচরণ করছে, তাতে প্রশ্ন উঠেছে, ট্রাম্পের শাসনামল কি জার্মান একনায়ক হিটলার ও তার নাৎসি যুগের সমান্তরালে চলছে? ‘আইস’কে তুলনা করা হচ্ছে হিটলারের ‘গেস্টাপো’র সঙ্গে।

তেলের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার যুদ্ধ

যুক্তরাষ্ট্র আগেও বহু দেশে প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে অপ্রয়োজনীয় নারকীয় যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। ট্রাম্পের অধীনে এখন কি ভিন্ন ধরনের কিছু ঘটতে যাচ্ছে? বহির্বিশ্বে কোনো যুদ্ধে জড়িত হলে এবং অভ্যন্তরীণ সংকট মোকাবিলা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যে সামাজিক পরিবর্তন আসবে, তার সঙ্গে গণতন্ত্রের কোনো সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া যাবে না। ট্রাম্প সম্ভবত আমেরিকান সমাজে ঘৃণা ও রাজনৈতিক তিক্ততা ছড়িয়ে দিয়ে এর সুযোগ গ্রহণ করতে চেষ্টা করছেন এবং এ লক্ষ্যেই তার সমর্থকদের ক্ষমতায়ন করছেন। তিনি তার ভাষায় ‘বাজে লোকদের’ নির্মূল করতে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তিনি ও তার সমর্থকরা বিশ্বাস করেন, এর মাধ্যমে তারা ‘শ্বেতাঙ্গদের আমেরিকা’ সৃষ্টি করতে যাচ্ছেন। ভেনিজুয়েলা, ইরান, গাজা, উত্তর কোরিয়া, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্প যা করতে চান, তা থেকে কিছুটা হলেও আমেরিকান জনগণের দৃষ্টি সরিয়ে রাখতে অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং এতে তিনি অনেকটাই সফল।

ভেনিজুয়েলায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলের মজুত আছে প্রমাণিত হওয়ার আগে ইরান ছিল বৃহৎ তেল সম্পদ ভান্ডারের দেশ। এক শতাব্দীর কিছু সময় আগে ইরানের দুর্বল, অবৈধ ও দেউলিয়াত্বের প্রান্তে উপনীত হওয়া ‘কাজার রাজবংশ’ নামেমাত্র মূল্যে দেশটির পেট্রোলিয়াম সম্পদের অধিকার ব্রিটিশ খনি মালিক উইলিয়াম নক্স ডি’আরকির কাছে ন্যস্ত করে। ওই সময় ইরানে কোনো পেট্রোলিয়াম শিল্প ছিল না এবং তেলের সম্ভাব্য মজুতের কোনো নিশ্চয়তাও ছিল না। কাজাররা ইরানকে তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক মালিকানাধীন ভূখণ্ড বিবেচনা করত এবং তাদের খেয়ালখুশিমতো যেসব কোম্পানি বেশি মূল্য দিতে প্রস্তুত, তাদের উন্নয়ন কাজে ঠিকাদারি প্রদান এবং জাতীয় সম্পদ বিক্রি করে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছিল। ইরানিরা তাদের দেশের ওপর পাশ্চাত্যের খবরদারির বিরুদ্ধে দীর্ঘকাল লড়াই করেছে এবং বারবার তাদের সরকারকে বাধ্য করেছে বিদেশিদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে।

১৯০৮ সালে আবিষ্কৃত হয় ইরান তেলের সমুদ্রের ওপর ভাসছে, যার ফলে সৃষ্টি হয় ‘অ্যাংলো-পার্সিয়ান অয়েল কোম্পানি’। পরবর্তীকালে ১৯৫৪ সালে এ কোম্পানি নাম পরিবর্তন করে ‘ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামে’ রূপান্তরিত হয়। এর আগে ব্রিটিশ সরকার কোম্পানির বেশিরভাগ শেয়ার কিনে নিয়েছিল। সময়টি তেলের ব্যবসার জন্য অনুকূল ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ তেল উৎপাদন ও তেল ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে সহায়ক ছিল। ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধে ব্রিটেনের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইরানের তেল উৎপাদন দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ভেনিজুয়েলায় তেলের বৃহত্তম মজুতের প্রমাণ পাওয়ার আগে ইরান ছিল বিশ্বে ঘোষিত বৃহত্তম তেলসমৃদ্ধ দেশ। ১৯২০ ও ১৯৩০-এর দশকের মধ্যে ভেনিজুয়েলা তেল উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসাবে আবির্ভূত হয়। দেড় দশক আগে ২০১১ সালে ভেনিজুয়েলার সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দেশকে বিশ্বের বৃহত্তম তেল মজুতের দেশ হিসাবে ঘোষণা করার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলার তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালাতে থাকে, যার সর্বশেষ পরিণতি ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে তার দেশ থেকে তুলে এনে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করা। এর পেছনে নীতি-নৈতিকতা, আন্তর্জাতিক আইনের কোনো সম্পর্ক নেই। যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে মানবাধিকারের মহান দেশ বলে দাবি করলেও নিজ স্বার্থে কারও মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করতে যে কোনো দ্বিধা করে না, বিশ্ব তা বারবার প্রত্যক্ষ করেছে।

ইরানে সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসন বিক্ষোভকারীদের উৎসাহ দিতে শুরু করেছিলেন বিক্ষোভ আরও জোরদার করতে এবং তাদের জন্য ‘সাহায্য আসছে’ আশ্বাসও দিয়েছেন। ইরানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে পেন্টাগন সাউথ চায়না সি-তে মোতায়েন ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে আদেশ দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করতে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে প্রায় আড়াই হাজার বিক্ষোভকারী নিহত, অজ্ঞাতসংখ্যক আহত, আনুমানিক ১৮ হাজার লোককে গ্রেফতার এবং বেশ ক’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘোষণাকে অজুহাত হিসাবে নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানে যে কোনো সময় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শুরু হতে পারে বলে হম্বিতম্বি শুরু করেছিলেন। ইরান মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে না, নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি তার হুমকি শিথিল করেছেন বলে দৃশ্যত মনে হচ্ছে। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে অবস্থানরত আমেরিকানদের ইরান ত্যাগ করে স্থলপথে তুরস্ক অথবা আর্মেনিয়ায় যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সর্ববৃহৎ ঘাঁটি কাতারের আল-ওবেইদ এয়ার বেস থেকে কিছু সৈন্য প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছেন। গত বছর ইরান-ইসরাইল ক্ষেপণাস্ত্র বিনিময়ের সময় ইরান কাতারের আমেরিকান ঘাঁটি টার্গেট করে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল।

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকির কারণ হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কথা বলে না। ইরাকের বিরুদ্ধে হামলার অজুহাত হিসাবে যেমন ‘ব্যাপক বিধ্বংসী মারণাস্ত্র’ তৈরির ভুয়া অভিযোগ তুলেছিল, ঠিক একইভাবে ইরানের ওপর হামলার অজুহাত হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের আগাম অভিযোগ হচ্ছে, ‘ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে।’ ইরান বারবার যুক্তরাষ্ট্র্রের অভিযোগ নাকচ করে দাবি করেছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। কিন্তু ইরানের মাথা নোয়াতে পারেনি। এবারও যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে আমলে না নিয়ে পালটা বলেছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো হামলা প্রতিরোধ করার জন্য প্রস্তুত। বিগত প্রায় পাঁচ দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অবরোধ, প্রতিবেশী ইরাককে দিয়ে যুদ্ধ বাধিয়ে অবকাঠামোসহ অর্থনীতিকে বিধ্বস্ত করা, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কূটনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপের মধ্যে রাখার পরও আমেরিকার বিরুদ্ধে বহাল তবিয়তে টিকে থাকা একমাত্র দেশ ইরানের জনগণ আরেকবার যাতে যুদ্ধকবলিত না হয়, সে আশাই করে উৎকণ্ঠিত বিশ্ববাসী।

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু

যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক ও অনুবাদক

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় বিপর্যয় এড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় বিপর্যয় এড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

বিপুল পরিমাণ ডিজেল বাজারে ছাড়তে রাজি হয়েছে ইউরোপ: ট্রাম্প

বিপুল পরিমাণ ডিজেল বাজারে ছাড়তে রাজি হয়েছে ইউরোপ: ট্রাম্প

ডিজেলের মজুত ছাড়তে ইউরোপকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ডিজেলের মজুত ছাড়তে ইউরোপকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে ২২ বিলিয়ন ডলার খরচ করবে যুক্তরাষ্ট্র

ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে ২২ বিলিয়ন ডলার খরচ করবে যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের সঙ্গে প্রকাশ্যেই মতবিরোধ ভারতের

ট্রাম্পের সঙ্গে প্রকাশ্যেই মতবিরোধ ভারতের

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ, সেই নারীর সর্বশেষ অবস্থা সর্ম্পকে যা জানা গেল

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ, সেই নারীর সর্বশেষ অবস্থা সর্ম্পকে যা জানা গেল

আরও পড়ুন

খেলাপি ঋণের সংকট ও সমাধান

খেলাপি ঋণের সংকট ও সমাধান

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বার্তা : এখন কূটনৈতিক বাস্তবায়নের পালা

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বার্তা : এখন কূটনৈতিক বাস্তবায়নের পালা

চাকরির আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো কতটা জরুরি

চাকরির আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো কতটা জরুরি

সরকারের শক্তি বক্তব্যে নয়, সুশাসনে হতে হবে

সরকারের শক্তি বক্তব্যে নয়, সুশাসনে হতে হবে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম