দৃষ্টিপাত
যুদ্ধ নয়, মানবতার জয়গানে মুখরিত হোক বিশ্ব
প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্মিলিত বাহিনীর সঙ্গে ইরানের সর্বাত্মক যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়ালেও এ রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে কোনো উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছে না। ফলে এ যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেই অনেকে মনে করছেন। সত্যি সত্যি যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে পুরো বিশ্বকে এর জের বহন করতে হবে। তাই জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে এখনই যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এ অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘাত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। কাজেই তা বন্ধ করার দায়িত্ব তাদেরই। যুদ্ধ বন্ধ করতে হলে ইরানের তিনটি শর্ত মেনে নিতে হবে। এগুলো হচ্ছে, ইরানকে ভবিষ্যতে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না; যুদ্ধের কারণে ইরানের যে ক্ষতি হয়েছে সে জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে নিশ্চিত করতে হবে যে তারা ভবিষ্যতে আর কখনোই ইরানে হামলা করবে না।
ইরানের এ তিনটি দাবির ব্যাপারে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানের গভীরে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বাহিনী। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মনে হচ্ছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যে সংঘাত শুরু হয়েছে, তা সহসাই শেষ হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী বি-১ বোমারু বিমানগুলোকে ‘জয়েন্ট ডাইরেক্ট অ্যাটাক মিউনিশনস’ (জেডিএএম) দিয়ে সাজানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণের মতো ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা চালাবে। বি-১ বোমারু বিমানগুলো সাধারণত শত শত মাইল দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুর ওপর আঘাত হানতে পারে। জেডিএএম বোমা নিক্ষেপ করতে হলে লক্ষ্যবস্তুর অন্তত ২৫ মাইলের মধ্যে থাকতে হয়। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে বার্তা দিতে চাচ্ছে যে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার নিরাপদ নয়। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরানি সীমানায় ৪টি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ১৩ জন নিহত হয়েছে।
বর্তমানে ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যে সংঘাত, তা হঠাৎ করেই শুরু হয়নি। এর দীর্ঘ পটভূমি রয়েছে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে আমেরিকাপন্থি বলে পরিচিত রেজা শাহ পাহলভি ক্ষমতাচ্যুৎ হলে নির্বাসিত নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি দেশে ফিরে এসে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আসীন হন। মূলত তখন থেকেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্নভাবে ইরানি জনগণকে আন্দোলনের মাধ্যমে ইসলামপন্থিদের সরিয়ে তাদের পছন্দনীয় সরকার গঠনের চেষ্টা করে। কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এমনকি জিমি কার্টার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে একবার ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই অভিযান ব্যর্থ হয় এবং বেশকিছু মার্কিন হেলিকপ্টার ধ্বংস হয় এবং সেনা নিহত হয়। রেজা শাহ পাহলভি সরকারের সঙ্গে ইরানি জনগণের তেমন কোনো সম্পর্ক ছিল না। খোমেনির নেতৃত্বে ইরানি জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়। ইরান কঠোর ইসলামি শাসনের আওতায় পরিচালিত হতে থাকে। কিছুদিন আগে ইরানে সরকারবিরোধী যে আন্দোলন হয়েছিল, তার পেছনেও যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ধন ছিল বলে ধারণা করা হয়। ইরান সরকার সে বিদ্রোহ কঠোরহস্তে দমন করে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দৃশ্যত ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছে এবং বলছে, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে। যদিও ইরান সবসময়ই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। কিছুদিন আগে ইসরাইল ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিল। কিন্তু উদ্দেশ্য সাধনে ব্যর্থ হয়। ইরান পালটা ব্যবস্থা হিসাবে ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। ইসরাইল কখনো ভাবতে পারেনি, বাইরের কোনো দেশ ইসরাইলে সামরিক অভিযান চালাতে পারে। ইসরাইল তার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়ে। বর্তমানে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যে যুদ্ধ চলছে, তার মূল উদ্দেশ্য ইরানের শাসন পদ্ধতি বা রেজিম চেঞ্জ করা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নেতারা ভেবেছিল ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করা গেলে ইরানি জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে এবং সরকার পরিবর্তন হবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সে ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। খামেনিকে হত্যার পর ইরানি জনগণ রাস্তায় নেমে আসেনি বরং নিজ দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ভেবেছিল, সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে তারা উদ্দেশ্য সাধনে সক্ষম হবে এবং য্দ্ধু থেমে যাবে। কিন্তু ইরানের মিসাইল ও ড্রোন ব্যবস্থাপনা এতটাই শক্তিশালী যে তারা পালটা আক্রমণ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে হতবাক করে দিয়েছে। এর আগে ইসরাইল যখন ইরান আক্রমণ করেছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্র সহায়ক শক্তি হিসাবে পেছন থেকে সার্বিক সহায়তা দিয়েছিল। আর এবার যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানে সামারিক অভিযান চালিয়েছে। ইসরাইল তাতে যুক্ত হয়ে যুদ্ধকে সর্বাত্মক রূপ দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শাসনব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তনের মাধ্যমে তাদের আজ্ঞাবাহী সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই তারা ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাকে হত্যা করে। কিন্তু তাদের সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। ইরানের শাসনব্যবস্থা এমনভাবে সাজানো রয়েছে যে, সেখানে এক বা একাধিক নেতাকে হত্যা করা হলেই সরকার পদ্ধতির পরিবর্তন হবে না। চলমান যুদ্ধের একটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আক্রান্ত ইরান তার পালটা অভিযানের পরিধি শুধু ইসরাইলে সীমাবদ্ধ রাখেনি। আশপাশের যেসব মুসলিম দেশ আমেরিকা ও ইসরাইলকে নানাভাবে সহায়তা করছে, যেখানে আমেরিকার সামরিক স্থাপনা রয়েছে; ইরান সেসব দেশের মার্কিন স্থাপনাতেও হামলা করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর অধিকাংশই আমেরিকা প্রভাবিত। কিন্তু ইরানকে তারা এখনো কবজা করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থাও খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। নানা দুর্নীতির অভিযোগে ইসরাইলে নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের অবস্থাও খুব একটা ভালো নেই। বিশেষ করে তার শুল্কনীতির কারণে মার্কিন ব্যবসায়ী গোষ্ঠী সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ। ইসরাইলে নেতানিয়াহু এবং যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের হারানো জনপ্রিয়তা পুনরুদ্ধারে এ যুদ্ধ কিছুটা হলেও অবদান রাখবে বলে তাদের ধারণা। ট্রাম্পের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের ফলে তার হারানো জনপ্রিয়তা ফিরে পাবার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। মার্কিন জনগণ এ ধরনের একটি যুদ্ধের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে না। তারা যুদ্ধ বন্ধের জন্য আন্দোলন করছে। ইসরাইলের জনগণও নেতানিয়াহুর ওপর সন্তুষ্ট নয়। ইরানের ব্যাপক মাত্রায় মিসাইল আক্রমণের কারণে ইসরাইলের সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
তেহরান জানত, আজ হোক, কাল হোক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে আক্রমণ করবেই। তাই তারা সেভাবেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। ফলে যুদ্ধ তাদের জন্য ততটা ক্ষতি করতে পারেনি, যা যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাশা করেছিল। ২০০৫ সালে ইরান তাদের য্দ্ধুকৌশল নির্ধারণ করে। ইরান তার নিরাপত্তা কৌশলকে ভিন্নভাবে সাজায়। তারা বিদেশি শক্তির সহায়তায় তাদের নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করেনি। কারণ, তারা বুঝতে পেরেছিল, অন্য কোনো দেশের সহায়তায় তারা যদি নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করে, তাহলে সমস্যা হতে পারে। সহায়তাকারী দেশটি একসময় পিছিয়ে যেতে পারে অথবা বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। এ ছাড়া যুদ্ধাস্ত্র যদি তারা বিদেশ থেকে আমদানি করে, তাহলে সেই অস্ত্রের যন্ত্রাংশের জন্য বিদেশিদের ওপর নির্ভর করতে হবে। তাই ইরান তার নিজস্ব সামরিক শক্তি বলে বলীয়ান হওয়ার কৌশল গ্রহণ করে। তারা মিসাইল ও ড্রোন তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করে। কট্টর ইসলামি দেশ হওয়া সত্ত্বেও ইরান এ সময় নারী বিজ্ঞানীদের ওপর বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ নারীরা সাধারণত সংসার এবং অন্য কারণে বিশ্বাসঘাতকতা করে না। তারা আন্তরিকভাবে দেশের স্বার্থে কাজ করে। বর্তমানে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি নারী বিজ্ঞানী রয়েছে ইরানে। ইরান চাইছে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হোক। কারণ আক্রমণকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইরানি জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে এবং ইরান সরকার যেভাবে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ করে চলেছে তা অব্যাহত রাখতে পারে, তাহলে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরান আক্রমণের ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। যুদ্ধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতি আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে, যেমনটি হয়েছিল ইউক্রেন যুদ্ধের পর। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। বিশ্বে প্রতিদিন যে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়, তার ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে যায়। যুদ্ধের আগেও ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল ৬৫ মার্কিন ডলার। এখন তা ট্রিপল ডিজিট অতিক্রম করেছে। একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বলেছে, ইরান যুদ্ধ যদি ৬ মাস স্থায়ী হয়, তাহলে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর যদি এক বছর স্থায়ী হয়, তাহলে ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ২০০ ডলার অতিক্রম করতে পারে।
ইরান যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। ইরান আশপাশের মুসলিম দেশেও আক্রমণ চালিয়েছে। কাজেই এসব দেশও তাদের অর্থনীতি নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছে। বিমান পরিবহণ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আরব দেশগুলোও একসময় যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য আমেরিকার ওপর চাপ প্রয়োগ করবে। তারা হয়তো যুক্তরাষ্ট্রকে বলবে, ইরানি জনগণ যেহেতু এখনো ঐক্যবদ্ধ রয়েছে, কাজেই ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
যুদ্ধ কখনোই শান্তি বয়ে আনতে পারে না। যুদ্ধ শুধু ধ্বংসই ডেকে আনে। শত্রুভাবাপন্ন এক বা একাধিক দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে শান্তি খুঁজে নিতে হয়। তাই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যে যুদ্ধ পরিচালনা করছে, তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাকে যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নিতে হবে। আর বিভিন্ন দেশে যেসব মানবাধিকার সংগঠন রয়েছে, তারাও নিজ নিজ সরকারের ওপর যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে। যুদ্ধ নয়, আলোচনার টেবিলেই সমস্যার সমাধান হোক।
বিশ্বের অগণিত মানুষ এ যুদ্ধের অবসান চায়। কারণ যুদ্ধ ধ্বংস ডেকে আনে; ধ্বংস হয় সম্পদ, মানুষ ও সভ্যতা। তাই বিশ্ব বিবেক আজ জাগ্রত হয়েছে। এ সুন্দর পৃথিবীর ধ্বংস কেউ কামনা করে না। মানবতার জয়গানে মুখরিত হোক এই ধরণি।
প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত

