নিউইয়র্কের চিঠি
ট্রাম্পের ‘ইরান যুদ্ধবিলাস’ ও বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা
Advertisement
আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাংলাদেশের বাজেট বছর জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের জুন পর্যন্ত। প্রতিবছর জুন শুরু হতেই প্রায় সব পর্যায়ের মানুষের মাঝে উদ্বেগ কাজ করে-নতুন বাজেটে কোন কোন পণ্য ও সার্ভিসের মূল্য বৃদ্ধি পাবে এবং আয়ের ওপর কতটা বাড়তি চাপ পড়বে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার, অধিকাংশ স্টেট ও সিটি সরকারের বাজেট জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত। আবার নিউইয়র্ক স্টেট সরকারের বাজেট এপ্রিল থেকে মার্চ পর্যন্ত হলেও নিউইয়র্ক সিটি সরকারের বাজেট জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত। এছাড়া ব্যতিক্রম রয়েছে, ৩০টি স্টেটের বাজেট বার্ষিক এবং ২০টি স্টেটের বাজেট দ্বিবার্ষিক। বাংলাদেশের জনগণ বাজেট নিয়ে যতটা মাথা ঘামায়, সাধারণ আমেরিকানরা ফেডারেল, স্টেট ও সিটি সরকারের বাজেট নিয়ে ততটা মাথা ঘামায় না। বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো বাজেটের খুঁটিনাটি বিষয়ে জনগণকে অবহিত রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম মনে হয় বাজেট সম্পর্কে, বিশেষ করে ফেডারেল বাজেট সম্পর্কে আমেরিকানদের কিছু না জানানোর অথবা সামান্য জানানোর সচেতন সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে। বাজেটে কোন খাতে কত বরাদ্দ দেওয়া হলো, তা স্পষ্টভাবে বলার চেয়ে গণমাধ্যমগুলো মিলিয়ন ও বিলিয়নের বড় বড় সংখ্যা উল্লেখ করে, যা জনগণের কাছে সম্পূর্ণ অর্থহীন। এমনকি বাজেটের বাইরে বছরজুড়ে ভোগ্যপণ্য ও সার্ভিসের মূল্যবৃদ্ধির ক্ষেত্রেও আমেরিকানরা অদ্ভুত রকম উদাসীন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করার পর থেকে দেশব্যাপী পেট্রোলের গড়মূল্য গ্যালনপ্রতি ৩.৪৮ ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ে অর্থাৎ পেট্রোল পাম্পগুলোতে গত ২৬ মার্চ ৪.৫৬ ডলার হয়েছে, অর্থাৎ প্রতি গ্যালনে ১.০৮ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে পেট্রোলের খুচরা মূল্য বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। যুদ্ধ শুরুর দিনের গ্যালনপ্রতি পেট্রোলের মূল্য ৩.৪৮ ডলার থেকে ২৬ মার্চ ক্যালিফোর্নিয়ায় ৫.৪১ ডলারে উন্নীত হয়েছে, অর্থাৎ গ্যালনপ্রতি মূল্য বেড়েছে ১.৯৩ ডলার বা প্রায় ২ ডলার। তা সত্ত্বেও পেট্রোল পাম্পগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ লাইন নেই, মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মাঠে-ময়দানে কোনো বিক্ষোভ নেই।
শুধু পেট্রোল নয়, সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফুয়েল, যা প্রধানত ডিজেল, যুক্তরাষ্ট্রে এ পণ্যের পাইকারি মূল্য যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বৃদ্ধি পেতে পেতে গত ২৪ মার্চ ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোতে ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে গ্যালনপ্রতি প্রায় ৮০ শতাংশ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সব অঙ্গরাজ্যে এক গ্যালন ডিজেলের গড়মূল্য ছিল ১.৮৫ ডলার, তা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে গত ২৪ মার্চ এর দাম হয় ৫.৫৩ ডলার। যুদ্ধ প্রলম্বিত হলে জ্বালানি তেলের মূল্য যে আরও বাড়বে, তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই। এর ফলে ভোগ্যপণ্যসহ প্রতিটি পণ্য ও সার্ভিসের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
যুক্তরাষ্ট্র দৈনিক প্রায় ৭ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেলসহ প্রায় ৯ মিলিয়ন ডলার ব্যারেল পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করে, যা যুক্তরাষ্ট্রের মোট পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির প্রায় ৭৬ শতাংশ। এ হিসাব অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক পেট্রোলিয়াম আমদানির অধিকাংশের উৎস পাঁচটি দেশ। এর মধ্যে ১.৭ বিলিয়ন ব্যারেল আসে কানাডা থেকে, ২২৯ মিলিয়ন ব্যারেল মেক্সিকো থেকে, ১২৩ মিলিয়ন ব্যারেল সৌদি আরব থেকে, ১০৩ মিলিয়ন ব্যারেল ব্রাজিল থেকে এবং ৯৫ মিলিয়ন ব্যারেল ইরাক থেকে। অন্যান্য উৎস থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অবশিষ্ট পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করা হয়।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ব্যয় নির্বাহের উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের কাছে ২০০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চাইতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে, যা ফেডারেল বাজেটের ২.৯ শতাংশ। যদিও এ বিপুল পরিমাণ অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের কল্যাণের জন্য নিবেদিত সোশ্যাল সিকিউরিটি, মেডিকেয়ার ও মেডিকেইডের জন্য ব্যয়ের চেয়ে অনেক কম; কিন্তু যুদ্ধের প্রভাব-প্রতিক্রিয়ার সার্বিক অর্থনৈতিক চাপ ভয়াবহ ও সুদূরপ্রসারী, যা প্রত্যেক আমেরিকানের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। যুদ্ধবিরোধী রাজনৈতিক পক্ষগুলো এবং বুদ্ধিজীবীরা ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের কাছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর যুক্তরাষ্ট্রের ৪টি বড় ও প্রলম্বিত সামরিক অভিযানের ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে এ পর্যায়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে অহেতুক ও অসময়োচিত বলে বর্ণনা করেছেন। তাদের উল্লেখ করা যুদ্ধগুলোর মধ্যে আমেরিকান জানমালের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার মধ্যে কোরিয়ান যুদ্ধে ৩৬ হাজার ৫৭৪ জন আমেরিকানের মৃত্যু এবং ৪৭৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয়, ভিয়েতনাম যুদ্ধে ৫৮ হাজার ২২০ জন আমেরিকানের মৃত্যু এবং যুদ্ধের প্রত্যক্ষ ব্যয় ১৬৮ বিলিয়ন ডলার ও সামগ্রিক ব্যয় দেড় ট্রিলিয়ন ডলার, ইরাক যুদ্ধে ৪ হাজার ৪৯২ জন আমেরিকানের মৃত্যু এবং যুদ্ধের প্রত্যক্ষ ব্যয় ১.৭৯ ট্রিলিয়ন ডলার ও সামগ্রিক ব্যয় ২.৮৯ ট্রিলিয়ন ডলার, আফগান যুদ্ধে ২ হাজার ৪৬৯ জন আমেরিকানের মৃত্যু এবং যুদ্ধের প্রত্যক্ষ ব্যয় ২.৩ বিলিয়ন ডলার এবং সামগ্রিক ব্যয় আনুমানিক ৪ থেকে ৬ ট্রিলিয়ন ডলার। এ যুদ্ধগুলোর মধ্যে ভিয়েতনাম ও আফগান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে অপমানজনকভাবে সৈন্য প্রত্যাহার করতে হয়েছে। কোরিয়া থেকে একতরফাভাবে এবং ইরাক থেকে দুই দেশের মধ্যে আংশিক সমঝোতার ভিত্তিতে সৈন্য প্রত্যাহার করতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ভেবেছিল, ইরানে ‘রেজিম চেঞ্জের’ জন্য তাদের হামলা হবে খুব সহজ ও ঝামেলাবিহীন। কিন্তু হামলার পর চার সপ্তাহ কেটে গেলেও ইরানের পালটা হামলার প্রচণ্ডতা কিছুমাত্র হ্রাস না পাওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যুদ্ধের হিসাব-নিকাশ নতুন করে করতে হচ্ছে। ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। ইসরাইলের সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেশটির আর্থিক সামর্থ্যরে চেয়ে অনেক বেশি। ট্রাম্প যদিও আমেরিকানদের সামনে তার মুখ রক্ষার জন্য বলে চলেছেন, ‘ইরানের যুদ্ধ করার সামর্থ্য নিঃশেষ হয়েছে, তাদের বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী ধ্বংস হয়েছে, তাদের মিসাইল সামর্থ্য হ্রাস পেয়েছে,’ ইত্যাদি; কিন্তু বিমান ও নৌশক্তির অনুপস্থিতি সত্ত্বেও ইরানের পালটা হামলার সক্ষমতা এখনো দৃশ্যমান থাকায় ট্রাম্প প্রশাসন ও পেন্টাগন পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নিরূপণ করতে হিমশিম খাচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে তিনি ‘যুদ্ধের চির অবসান’ ঘটাবেন; ইরানের সঙ্গে অপরিকল্পিত যুদ্ধে জড়ানোর ফলে তার সমালোচকরা বলতে শুরু করেছেন, ‘এটি তার সূচনার অবসান’ ছাড়া কিছু নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ইরান যুদ্ধের লোকসানের হিসাব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুদ্ধের চার সপ্তাহে আমেরিকান হতাহতের সংখ্যা যদিও ন্যূনতম; কিন্তু সামরিক ব্যয় আমেরিকান সমর কুশলীদের হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি। প্রথম ছয়দিনের যুদ্ধে সামরিক রসদ-সরঞ্জামে আমেরিকান করদাতাদের ব্যয় হয়েছে ১১.৩ বিলিয়ন ডলার। অন্যান্য খরচ ও ইরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলায় ক্ষয়ক্ষতির একটি হিসাব তো আছেই। ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ দাবি করেছে, যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় আমেরিকার ব্যয় হয়েছে ৩.৭ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ দৈনিক ৮৯১.৪ বিলিয়ন ডলার। যুদ্ধের চতুর্থ সপ্তাহ যখন শেষ হচ্ছে, এর অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের চিত্র প্রকটভাবে ফুটে উঠতে শুরু করেছে। যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, সব সূচকে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাবগুলো তত গভীর ও জটিল হবে। মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে, ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়াবে; যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য বড় অর্থনীতির দেশে চরম অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেবে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইউরোপ ও উপসাগরীয় দেশগুলো এবং মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরশীল চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি ও ঋণের পরিমাণ সীমাহীন বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে ট্রাম্পের ‘ইরান যুদ্ধবিলাস’! টানা তিন বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি হচ্ছে বার্ষিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার করে। এ ঘাটতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের বোঝা ৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে এবং এ বছরের শেষ নাগাদ তা পৌঁছবে ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে। ইরান যুদ্ধ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয়ের কারণে ঘাটতি ও ঋণ অবশ্যম্ভাবীভাবে চরম সংকট সৃষ্টি করবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজেটে সব ধরনের প্রতিরক্ষা খাতে বর্তমানে বার্ষিক ব্যয় বরাদ্দ ২.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি, যার মধ্যে ১.১ টিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় কেবল প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য। ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব অর্থনীতির নেতিবাচক প্রবণতাকে যে মন্দ থেকে মন্দতর অবস্থার দিকে ঠেলে দেবে, সেসব আলামত সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, অর্থনীতির নেতিবাচক পরিণতি ঠেকানো ততই কঠিন হবে।
২০২৫ সালজুড়ে অপরিশোধিত তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৬০ ডলারের মতো ছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর আগে ব্যারেলপ্রতি ৭১ ডলার থেকে তা যুদ্ধ শুরুর তিনদিনের মধ্যে ১১৮ ডলারে উঠে যায়। এরপর হঠাৎ করে তা কমে ১০০ ডলারের নিচে নামে। গত ১৬ মার্চ মূল্য আবারও বেড়ে ১০৬ ডলারে উন্নীত হয়। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য অস্থির হয়ে ওঠে; কারণ এ সমুদ্রপথ দিয়ে বিশ্বের ৩০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল সরবরাহ হয়ে থাকে। যুদ্ধ যদি চলতে থাকে, তাহলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বর্তমান মূল্যের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং গোল্ডম্যান স্যাকস ব্যাংক আশঙ্কা ব্যক্ত করেছে, যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে অপরিশোধিত তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। যুদ্ধরত ইরানও তেলের মূল্য ২০০ ডলারে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছে। জ্বালানি তেলের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি সমগ্র বিশ্বে শস্য উৎপাদনে যে বিরূপ প্রভাব ফেলবে, তা খাদ্যসহ সব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিশ্ব এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে চায় না।
আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক ও অনুবাদক
