Logo
Logo
×
   

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

ক্ষমতায় নয়, দেশ পরিচালনার দায়িত্বে বিএনপি

Advertisement

Icon

ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ক্ষমতায় নয়, দেশ পরিচালনার দায়িত্বে বিএনপি

Advertisement

৭ নভেম্বর ১৯৭৫। স্বাধীনতার চার বছর পার হতে না হতেই সিপাহি-জনতার এমন প্রতিবাদী বিপ্লব আবশ্যিক হয়ে পড়েছিল আওয়ামী-বাকশালি দুঃশাসনে।

লাখো মানুষের রক্ত দেওয়া একাত্তরের স্বাধীনতার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্বপ্ন আর প্রত্যাশার মৃত্যু হতে সময় লাগেনি। দুর্ভিক্ষে মৃত্যুর সংখ্যা দশ লাখ ছাড়িয়ে গেছে, রক্ষীবাহিনীর নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছে পঞ্চাশ হাজারের বেশি তরুণ, প্রতিদিনই বন্ধ হয়েছে শত শত কলকারখানা, কর্মহীন বেকার তরুণদের খবর নেওয়ার কেউ নেই। কথা বলার স্বাধীনতা দূরে থাক, মিছিল মানেই গুলি। রিলিফনির্ভর অর্থনীতি আর পররাষ্ট্রনীতিতে সম্পূর্ণ একঘরে বাংলাদেশ।

এমনই অন্ধকারে এ দেশের দায়িত্ব এলো একাত্তরে স্বাধীনতা ঘোষণা করা সেই তরুণ মেজর জিয়াউর রহমানের কাঁধে। পঁচাত্তরে সে যুবক সেদিন দেশের অবহেলিত সেনাবাহিনীর প্রধান। কাঁধে সহস্র সমস্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করলেন। উপলব্ধি করলেন-সাধারণ প্রান্তিক মানুষগুলোই তার প্রধান শক্তি। দিন-রাতের হিসাব তখন চব্বিশ ঘণ্টায় সীমাবদ্ধ থাকল না। হাটে-মাঠে-উঠোনে সর্বত্রই একই মুখ ‘জিয়াউর রহমান’। তার জাদুর স্পর্শে দুর্ভিক্ষপীড়িত শীর্ণ হাতগুলো হয়ে উঠল বলিষ্ঠ কর্মী আর কৃষকের হাত। বদলে গেল ফসলের মাঠের চেহারা, চারদিকে সবুজের সমারোহ। রুক্ষ মাটি সেচ আর খালের সুবিধায় পরিণত হলো সোনালি ফসলের ভান্ডারে। বিদ্যুৎ আর সড়ক বিস্তৃত হলো গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। ছোট, মাঝারি আর বড় শিল্প অর্থনীতিকে করল সচল, সৃষ্টি হলো কর্মসংস্থান। নারীরাও বসে রইল না ঘরে, গড়ে উঠল কুটিরশিল্প, সূচনা হলো বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন ক্ষেত্র-পোশাকশিল্প। শিক্ষা খাতে এলো পরিবর্তন, নিরক্ষরতা গেল নির্বাসনে।

স্বাস্থ্যব্যবস্থা এলো দোরগোড়ায়, সৃষ্টি হলো একত্রিশ শয্যার থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আর অগণিত বিশেষায়িত হাসপাতালের। শিশু, চক্ষু, হৃদরোগ, হার জোড় চিকিৎসায় এলো নতুন সম্ভাবনা। হাটে মাঠে অলস আড্ডা দেওয়া তরুণদের কর্মসংস্থানের নতুন গন্তব্য সৃষ্টি হলো সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত আর মধ্যপ্রাচ্যে। বাস্কেট কেস আর তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ পরিণত হলো স্বয়ংসম্পূর্ণ এক সম্ভাবনার দেশে। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে পৌঁছে দিলেন মর্যাদার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ওআইসি’র নেতৃত্ব, আল কুদস কমিটির সদস্য, নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য।

সমমর্যাদার গঙ্গা পানি চুক্তি, সফল রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন, বাংলাদেশকে বিশ্ব চিনল অন্য রূপে। আরাফার উষর বালুময় মরুপ্রান্তর জিয়া-ট্রির সুশীতল ছায়ায় হজযাত্রীদের জন্য পরিণত হলো প্রশান্তির মরূদ্যানে। শিশু-কিশোরদের প্রতিভার স্ফুরণ হলো নতুন কুঁড়ির প্রতিযোগিতায়, ক্রীড়াঙ্গন হলো মুখরিত, স্থবির মাঠগুলো জনাকীর্ণ হলো দর্শক আর প্রতিযোগীদের প্রাণোচ্ছল উপস্থিতিতে। মেধাবীরা হিজবুল বহরে চিনল বিস্তীর্ণ সমুদ্র সীমার নতুন বাংলাদেশকে। এত সবকিছুর পরও একটা অসম্পূর্ণতা তিনি অনুভব করতেন অন্তর দিয়ে।

বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ রোধ করা বাকশাল ছিল এ দেশের রাজনীতির অনপনেয় কালিমা। সবার জন্য রাজনীতি অবারিত করার পাশাপাশি ১৯৭৭ সালে তিনি দেশ গড়ার পরিকল্পনায় ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করলেন। তারপর জাগদল, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট হয়ে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর রমনা রেস্টুরেন্টে যাত্রা শুরুর ঘোষণা আসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির। যার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

জিয়াউর রহমানের সফল নেতৃত্বের সাফল্য ঈর্ষার জন্ম দেবে সেটাই স্বাভাবিক, আর সেই ঈর্ষা যখন পরিকল্পিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে পরিণত হয়, তখন সেই আঘাত শুধু পরিবারে সীমাবদ্ধ থাকে না, ক্ষতবিক্ষত করে দেশ আর জাতিকে। ১৯৮১ সালে ৩০ মে সেই ঈর্ষাকাতর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র কেড়ে নিল দেশের জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াকে। উপনির্বাচনে জয়ী প্রেসিডেন্ট বিচারপতি সাত্তার সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বন্দুকের নলের সামনে ক্ষমতাহীন হলেন। শুরু হলো স্বৈরাচারের দীর্ঘযাত্রা।

গৃহবধূ বেগম খালেদা জিয়াকে আসতে হলো রাজনীতির মাঠে। একদিকে ভঙ্গুর দল গোছানো, অন্যদিকে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে জনগণের পাশে থাকার চ্যালেঞ্জ সামলালেন শক্ত হাতে। শত নির্যাতন আর প্রলোভনের সামনে রইলেন অবিচল।

বেগম জিয়ার নেতৃত্বে পতন হলো এরশাদ স্বৈরাচারের। জাতীয় নির্বাচনে পেলেন প্রত্যাশিত বিজয়। শপথ নিলেন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে। জাতিকে উপহার দিলেন দুটি ঐতিহাসিক মাইলস্টোন-সংসদীয় গণতন্ত্র আর নিরপেক্ষ নির্বাচনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

প্রাথমিক চিকিৎসার উৎকর্ষ, নারী শিক্ষার উন্নয়নে অভূতপূর্ব কর্মসূচি, অবকাঠামো উন্নয়ন, বিশেষায়িত চিকিৎসায় আধুনিকতা, যোগাযোগ অবকাঠামোয় নতুন ধারার সূচনা, উন্নয়ন আর গণতন্ত্রের সেই অগ্রযাত্রাকে প্রতিহত করতে এলো কুখ্যাত এক-এগারো, অন্তরীণ হলেন বেগম জিয়া, নির্যাতনে নিষ্পেষিত হলো জিয়া পরিবার। চিকিৎসার জন্য দেশান্তরে বাধ্য হলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান।

এক-এগারোর ধারাবাহিকতায় এলো আওয়ামী দুঃশাসনের নিদারুণ দেড় দশক। সেই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে চিরায়ত আপসহীন বেগম জিয়া লড়াই চালিয়ে গেলেন সামনে থেকে। তাকে নিবৃত্ত করতে এলো প্রহসনের বিচারের কলঙ্কিত রায়, কারারুদ্ধ হলেন বেগম জিয়া। বিশাল পরিত্যক্ত কারাগারের একমাত্র বন্দি, সুস্থ নেত্রী আক্রান্ত হলেন পরিকল্পিত দুরারোগ্য ব্যাধিতে। এমনই দুঃসময়ে দলের দায়িত্ব নিলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের কাঁধে নিলেন আট হাজার কিলোমিটার দূর থেকে নির্যাতনকবলিত একটি দলের নেতৃত্ব।

ইতিহাসের জঘন্যতম রাজনৈতিক হিংসার শিকার তখন বিএনপি। প্রতিদিনই বাড়ছে মিথ্যা মামলা আর কারাবন্দির সংখ্যা। ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ১ লাখ ৩৫ হাজার মিথ্যা মামলার ভয়াবহ সংখ্যা, নিরাপত্তা হেফাজতে অস্বাভাবিক মৃত্যু, পায়ে তখনো ডান্ডাবেড়ি আর হাতে হাতকড়া। প্রিয়জনের জানাজায় হাতকড়া আর ডান্ডাবেড়ির ছবি যেন নিত্যকার ঘটনা। এমনই দুর্যোগকালে যে কণ্ঠস্বর জাতীয়তাবাদী দলের লাখো নেতাকর্মীর মনোবল অটুট রেখেছে তিনি আর কেউ নন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এ আন্তরিক সম্ভাষণ ভুলিয়ে দিয়েছে সব ব্যথা আর যন্ত্রণা। সৃষ্টি করেছে সুদৃঢ় সাংগঠনিক বন্ধন। কর্মসূচি বিস্তৃত হয়েছে দেশব্যাপী। বিভাগীয় সাংগঠনিক সমাবেশ, তারুণ্যের সমাবেশ, ৩১ দফার জনসম্পৃক্তির সিরিজ অনুষ্ঠান। দলের চেয়ারম্যান জড়তাহীনভাবে নেতাকর্মীর সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন অবলীলায়।

ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন আর স্বৈরতন্ত্রের থাবা বিস্তৃত হয়েছে নাগিনীর বিষ নিশ্বাসের মতো। ২০১৪-এর ভোটবিহীন নির্বাচন তাদের সাহসী করেছে ২০১৮-এর নিশিরাতের নির্বাচন অনুষ্ঠানের, যার নির্লজ্জ সমাপ্তি ঘটেছে ২০২৪-এর জানুয়ারিতে আমি-ডামির প্রহসনের নির্বাচনে। যার সবই চরম ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে তারেক রহমানের বর্জনের আহ্বানে। দেড় যুগের অনাচারের বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ প্রতীক্ষমাণ ছিল এক ভয়ংকর অগ্ন্যুৎপাত আর বিস্ফোরণের।

জুলাই ২০২৪, এলো সেই বহু প্রতীক্ষিত মুহূর্ত, স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্তির এক দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ক্ষণ। নেহায়েতই সাদামাটা কোটা সংস্কারের আন্দোলন ক্যাম্পাস থেকে রাজপথে গড়ালেও জুলাইয়ের মাঝামাঝি সেটা কিছুটা স্থিমিত হওয়ার মুহূর্তে ১৬ জুলাই একই দিন শহীদ হলেন আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম। আট হাজার কিলোমিটার দূর থেকে সঠিক সিদ্ধান্তে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সরাসরি এ আন্দোলনে সম্পৃক্ত করলেন তারেক রহমান। পাঁচ আগস্টে এলো বহু প্রতীক্ষিত মুক্তি, আনন্দের বাঁধভাঙা স্রোত। পরম বিনয়ে তার কণ্ঠে উচ্চারিত হলো-ছাত্র-জনতাই এ আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড ।

আগস্ট বিজয়ের পর জনতার তখন একটি মাত্র প্রতীক্ষা-কবে আসবেন নেতা! দীর্ঘ প্রতীক্ষার ঘড়ি অবশেষে স্থির হলো ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ এ। এমন রাজসিক প্রত্যাবর্তনের আগে কখনোই দেখেনি পৃথিবী। জনতার মহাসমুদ্রে তখন পুরোপুরি হারিয়ে গেছে রাজধানী আর আশপাশের সর্বত্র। সকৃতজ্ঞ ঘোষণায় তিনি জানিয়ে দিলেন ‘I have a plan’.

ভালোবাসা অন্তহীন আবেগে নেতার আগমন বার্তায় জনস্রোত বিস্তৃত হলো দেশের প্রত্যন্ত-সর্বত্র। এরই মাঝে সবাইকে শোকের মহাসাগরে ভাসিয়ে জনতার অকৃত্রিম ভালোবাসা সিক্ত আর কৃতজ্ঞতার ঋণ অপরিশোধিত রেখে চলে গেলেন দেশনেত্রী।

শোককে কীভাবে শক্তিতে পরিণত করতে হয়, সেটা তো কৈশোরেই শিখেছেন তারেক রহমান। তাই আর পেছনে তাকানো নয়, সিলেট থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনি জনস্রোতের প্রবাহ চট্টগ্রাম ছাড়িয়ে বিস্তৃত হলো রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ, যশোর সর্বত্র।

নির্বাচনি প্রচারের কৌশলই তিনি বদলে দিলেন। জনতার কাতারে মিশে যাওয়া, তাদের সঙ্গে কথোপকথন, মুক্তিযোদ্ধা আর জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শন-সম্পূর্ণ নতুন ধাঁচের প্রতিশ্রুতি-ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম মোয়াজ্জিন ভাতা, সবার জন্য স্বাস্থ্য, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ, যুগান্তকারী খাল খনন, কোটি কর্মহীনের কর্মসংস্থান আর সম্পূর্ণ স্বনির্ভর আত্মমর্যাদার পররাষ্ট্রনীতি-‘সবার আগে বাংলাদেশ’। মুহূর্তেই বদলে গেল নির্বাচনের হিসাব-নিকাশ। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী বিএনপি।

নির্বাচনের বিজয় তাকে আরও সহনশীল আর পরিশীলিত করল। জনতা দেখল এক আটপৌরে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে। নেই বিরক্তিকর লম্বা গাড়িবহর, নেই জনভোগান্তির নিরাপত্তা, বিমানবন্দরের প্রটোকল হলো সংক্ষিপ্ত, প্রধানমন্ত্রী এলেন জনতার হাত ছোঁয়া দূরত্বে। নতুন আবিষ্কার, তারুণ্যের ভাবনা, খাল খনন, খেলার মাঠ, নির্যাতিত পরিবারের সান্নিধ্য, সংবাদকর্মী, দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, প্রতিদিনই হাজারো ব্যস্ততায় তার কর্ম ঘণ্টা বাড়ছেই প্রতিনিয়ত।

বিশ্ববাসীর কাছে তারেক রহমান এখন নেতৃত্বের নতুন নাম। মালয়েশিয়া হয়ে সফল চীন সফর রাজনীতিতে দিল নতুন বার্তা। বাংলাদেশ আজ আর কোনো তাঁবেদার রাষ্ট্র নয়। সময় এখন বাস্তবতা অনুধাবনের। আর সে দায়িত্ব আজ দলের নেতাকর্মীর সবার-বৈশ্বিক রাজনীতি আর অর্থনীতিতে প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ।

কোনো উসকানি আর প্ররোচনায় বিভ্রান্তি বা ধৈর্যচ্যুতি নয়। ত্যাগীদের সম্মানজনক অবস্থান প্রয়োজনীয়, কিন্তু তা অনাচার অনিয়ম নয়। প্রয়োজন জন কল্যাণে সরকারের সদিচ্ছার অঙ্গীকার সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া আর সর্বোচ্চ সতর্কতা সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে। সব অন্তর্দ্বন্দ্ব আলোচনার মাধ্যমে নিরসন করে ইস্পাত কঠিন ঐক্যই একমাত্র প্রত্যাশা। একটা সুসংহত দল থাকলেই থাকবে একটা নিরাপদ সরকার।

বিশ কোটি মানুষের ইস্পাত কঠিন ঐক্য আর দেশ হিসাবে আমাদের অস্তিত্ব একান্তভাবে জড়িয়ে আছে একে অপরের সঙ্গে। আর এ ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু আমাদের সেই গর্বিত পরিচয়। শহীদ জিয়ার হাতে যে ঐক্য আর সম্ভাবনার সূচনা হয়েছে সেই সাফল্যের আলোকবর্তিকা আরও উজ্জ্বলতর হয়েছে দেশনেত্রীর হাতে। তার প্রশ্নহীন দেশপ্রেম আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে। সেই ঐক্যের আলোকবর্তিকা এখন চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে। যে সম্ভাবনা আর উজ্জ্বল আগামীর প্রতিশ্রুতি তিনি দেশের তারুণ্য আর জনগণকে দিয়েছেন সেই প্রত্যয়ের বার্তাবাহক আমরা সবাই।

জিয়া উদ্যানে শেষ শয্যায় শায়িত আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবকদের কাছে আমাদের প্রত্যয়ী প্রতিশ্রুতি, এক আর অভিন্ন আমাদের জাতিসত্তা। আমরা বাংলাদেশি, আর আমাদের হৃদয়ের উচ্চারণ একটাই ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।

অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল : আহ্বায়ক, বিএনপি মিডিয়া সেল

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম