পুষ্টিকর খাদ্যের অপ্রাপ্তিতে কমছে উৎপাদনশীলতা
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনসহ (এফএও) কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিশ্বের খাদ্য পরিস্থিতির একটি ভয়াবহ দিক ফুটে উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘দ্য স্টেট অব ফুড অ্যান্ড নিউট্রেশন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড, ২০২৬’ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা রীতিমতো উদ্বেগজনক। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে গেলেও খাদ্য নিরাপত্তা এবং নিরাপদ খাদ্য জোগান নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে দেশটির ব্যর্থতা চোখে পড়ার মতো। বিশ্বের মোট ৮৬টি দেশের খাদ্য পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ পরিসংখ্যান মোতাবেক বাংলাদেশের জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৫০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কিছু বেশি। ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপির আকার এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার জন্য সরকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। অর্থাৎ আগামী ৮ বছরের মধ্যে জিডিপির বর্তমান আকার দ্বিগুণ করতে হবে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রতিবছর গড়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং প্রাইভেট সেক্টরে বছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের সমতুল্য বিনিয়োগ আহরণ করতে হবে। এটি অত্যন্ত কঠিন একটি চ্যালেঞ্জ।
তবে একটি বিষয় বরাবরই উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে, যা হলো, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদের জোগান নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। আগামীতে টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য আমাদের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। আমরা প্রায়ই বলি, বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক সস্তা শ্রমশক্তির নিশ্চিত জোগান রয়েছে। তাই এখানে তৈরি পোশাক ও অন্যান্য শিল্প বিকাশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, শুধু সস্তা শ্রমশক্তির জোগান থাকলেই একটি দেশ শিল্পায়ন তথা অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে না। আমরা কি ভেবে দেখেছি, বাংলাদেশের শ্রমিকের মজুরি অন্য প্রতিযোগী দেশের চেয়ে কম কেন? বাংলাদেশের শ্রমিকদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে অনেক কম। তাই তাদের মজুরিও কম। একজন উদ্যোক্তা কম উৎপাদনক্ষম সস্তা মজুরির শ্রমিকের চেয়ে বেশি মজুরিতে হলেও দক্ষ এবং অধিক উৎপাদনশীল শ্রমিক পেতে চাইবেন।
শ্রমিকের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিজ্ঞান থাকা একান্ত প্রয়োজন। এর পাশাপাশি তার জন্য পর্যাপ্ত ও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। মানুষ যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ সুষম খাদ্য না পায়, তাহলে তার পক্ষে পূর্ণ উৎপানশীলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এফএও’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৬ কোটি ৭৮ লাখ বা ৩৯ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্যকর বা নিরাপদ খাবার কিনতে পারছে না। অবশ্য এ হার ৯ বছর আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। ২০১৭ সালে দেশের মোট ৬৩ শতাংশ মানুষ নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হতো। তবে এখনো বিষয়টি স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে আসেনি। ২০২৫ সালে ভারতের ৩৬ শতাংশ এবং পাকিস্তানের ৬৩ শতাংশ মানুষ নিরাপদ খাদ্য ক্রয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য জোগানের ক্ষেত্রে নেপাল ও মালদ্বীপ অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক অবস্থায় ছিল। এ দুটি দেশের মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ নিরাপদ খাদ্য ক্রয় করতে পারছিল না। ২০২৫ সালের হিসাব মতে, বাংলাদেশের একজন মানুষের নিরাপদ খাদ্য ক্রয়ের জন্য প্রতিদিন গড়ে ১৬০ টাকা ব্যয় হয়। ২০১৭ সালে এটা ছিল ১০৮ টাকা। সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অন্যান্য প্রতিকূল অবস্থার কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। মূল্যস্ফীতি যে হারে বাড়ছে, মানুষের আয় সে হারে বাড়ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা ক্রমেই কমছে। শুধু খাদ্যপ্রাপ্তিই একজন মানুষের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে না, যদি সেই খাদ্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত না হয়। বাংলাদেশের মানুষের উৎপাদনশীলতা প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় কম। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে আমরা ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছি। যারা কঠোর কায়িক পরিশ্রম করেন, তাদের জন্য সুষম ও পুষ্টিকর খাবার একান্ত প্রয়োজন।
মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার জোগান নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন।
আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। বাংলাদেশ যদিও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে; কিন্তু এ অবস্থান বেশিদিন ধরে রাখা সম্ভব হবে না। কারণ ভিয়েতনাম যেভাবে বাজার দখল করছে, তাতে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশটি বাংলাদেশকে অতিক্রম করে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসবে। তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের তুলনায় ভিয়েতনামের ভালো করার নানা কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি কারণ হচ্ছে ভিয়েতনামের শ্রমিকদের গড় উৎপাদনশীলতা বাংলাদেশি শ্রমিকদের তুলনায় অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের একজন শ্রমিকের বার্ষিক উৎপাদনশীলতা ২৫ হাজার ডলার থেকে ৩১ হাজার ডলার। শ্রীলংকার একজন শ্রমিকের বার্ষিক উৎপাদনশীলতা ১১ হাজার ডলার থেকে ১৮ হাজার ডলার। ভিয়েতনামের শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এটা ৭ হাজার ৫০০ ডলার থেকে ১৭ হাজার ডলার। ভারতের ক্ষেত্রে এটা ৬ হাজার ২০০ ডলার থেকে ১৪ হাজার ডলার। আর বাংলাদেশের একজন শ্রমিকের উৎপাদনশীলতা হচ্ছে বছরে ৪ হাজার ডলার থেকে ১১ হাজার ডলার। বাংলাদেশের শ্রমিকদের তুলনায় চীনের শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা প্রায় তিনগুণ বেশি। শ্রীলংকায় অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নানা সংকট থাকা সত্ত্বেও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে অত্যন্ত ভালো করেছে। যেমন, দেশটি শতভাগ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। ভিয়েতনামের শ্রমিকরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং দেশটির সরকার শ্রমিকদের নানাভাবে প্রশিক্ষিত করে দক্ষতা বৃদ্ধি করেছে। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে চীনের পরেই অবস্থান করছে। চীন অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যবস্থাকে সফলভাবে কাজে লাগানোর জন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শ্রমিক শ্রেণি গড়ে তোলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তার ফল তারা এখন পাচ্ছে। এছাড়া ভিয়েতনাম রপ্তানি পণ্যের গন্তব্য বহুমুখীকরণে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। দেশটি ১৭টি দেশ ও অঞ্চলিক জোটের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করতে সমর্থ হয়েছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ একমাত্র ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে জিএসপি সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্তভাবে পণ্য রপ্তানি করতে পারছে। বাংলাদেশ যখন উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত তালিকায় উত্তীর্ণ হবে, তখন জিএসপি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। তখন বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবেই বিপাকে পড়বে।
শ্রমিকের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষীয় পর্যায়ের উদাসীনতা দৃষ্ট হয়। শ্রমিক অনেকেই হতে পারে। কিন্তু দক্ষ এবং অধিক উৎপাদনশীল শ্রমিক সবাই হতে পারে না। একজন মানুষ উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং অনুকূল পরিবেশ না পেলে কখনোই সর্বোত্তম উৎপাদনশীল শ্রমিক হতে পারে না। নিজের সুপ্ত প্রতিভা বা সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তোলার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ এবং শিক্ষা-প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের বিষয়টি বরাবরই উপেক্ষিত হয়ে আসছে। একজন শ্রমিককে কোনো কাজে নিযুক্ত করলেই তিনি দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন। কিন্তু সেই দক্ষতাকে চূড়ান্ত পর্যায়ে উন্নীত করার জন্য প্রশিক্ষণের গুরুত্ব কোনোভাবেই অস্বীকার করা যাবে না। বাংলাদেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিও অনেক ক্ষেত্রে প্রতিভার বিকাশ বা উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে উৎপাদনশীলতা অবহেলিত হয়ে থাকে। যেমন, কোনো কারখানায় দুজন শ্রমিক যদি একই গ্রেডে কর্মরত থাকেন, তাহলে সাধারণত তাদের মজুরি একই রকম হয়ে থাকে। একজন শ্রমিক যদি দিনে দুটি গামছা তৈরি করেন এবং আরেকজন তিনটি গামছা তৈরি করেন, তাদের মজুরি একই হবে। কারণ তারা একই গ্রেডে চাকরি করেন। এতে অধিক উৎপাদনশীল শ্রমিকের প্রতি অবিচার করা হয়। এক সময় তার মাঝে হতাশা চলে আসতে পারে। কারণ তিনি বুঝতে পারবেন, অধিক উৎপাদন করলেও কোনো লাভ নেই। তারা একই মজুরি পাবেন। অথচ নিয়মটি যদি এমন হতো, একই গ্রেডে কর্মরত দুজন শ্রমিককে দৈনিক ন্যূনতম দুটি গামছা তৈরি করতে হবে। কেউ যদি বেশি গামছা তৈরি করতে পারেন, তাহলে তাকে প্রতিটি গামছা বেশি উৎপাদনের জন্য ৫০ টাকা বেশি মজুরি দেওয়া হবে; তাহলে যিনি তিনটি গামছা তৈরি করছেন, তিনি চেষ্টা করবেন কীভাবে প্রতিদিন চারটি গামছা তৈরি করা যায়। আর যিনি দুটি গামছা তৈরি করেন, তিনি চেষ্টা করবেন কীভাবে তিনটি গামছা তৈরি করা যায়। উৎপাদনশীলতাকে মজুরি বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে যারা অনুৎপাদনশীল খাতে কর্মরত আছেন, তাদের ব্যাপারেও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে একজন ব্যক্তি ৬০ বছর পর্যন্ত চাকরি করতে পারেন। কোনো ধরনের মারাত্মক দুর্নীতি বা অপরাধ না করলে তার চাকরি চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। এতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে যারা চাকরি করেন, তাদের মধ্যে একধরনের অহমিকা চলে আসে। তারা নানা ধরনের অন্যায়-অপকর্মে যুক্ত হয়ে পড়েন। কারণ তারা জানেন মারাত্মক কোনো অপরাধ না করলে চাকরি যাবে না। চাকরির নিশ্চয়তা উৎপাদনশীলতা ক্ষুণ্ন করার একটি বড় ধরনের কারণ হতে পারে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের চাকরিবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। নিয়মটি এমন হতে পারে-যারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করবেন, তাদের চুক্তিভিত্তিক তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। তিন বছর চাকরি করার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যদি নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে তাকে পদোন্নতি দিয়ে উচ্চতর পদে আবারও তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। এভাবে তিনি একটি নির্দিষ্ট বয়সসীমা পর্যন্ত চাকরি করবেন। আর যারা প্রাথমিকভাবে তিন বছরের কার্যক্রমে তাদের উপযুক্ততা ও সততার সর্বোচ্চ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হবেন, তাদের একই পদে আরও তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। কারও বিরুদ্ধে অদক্ষতা ও দুর্নীতির যুক্তিসংগত অভিযোগ পাওয়া গেলে পদাবনতি ঘটানো যেতে পারে, এমনকি চাকরিচ্যুত করা যেতে পারে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবীদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ না দিয়ে যদি চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হতো, তাহলে তাদের মাঝে চাকরি হারানোর ভয় থাকত। তারা বাধ্য হতেন সঠিকভাবে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে।
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ : অর্থনীতিবিদ, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা
অনুলিখন : এম এ খালেক
সংশোধনী : গত ২৯ আগস্ট ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড : ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপির স্বপ্ন’ শীর্ষক নিবন্ধের (অনুলিখন) তৃতীয় অনুচ্ছেদে ছাপা হয়েছে, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জিডিপির আকার ৫১ বিলিয়ন ডলার।’ প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের মোট জিডিপির আকার ৫০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
