Logo
Logo
×
   

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

হালফিল বয়ান

দেশভাগের ৭৯ বছরে সাম্প্রদায়িকতার ফিরে আসা

Advertisement

Icon

ড. মাহফুজ পারভেজ

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

দেশভাগের ৭৯ বছরে সাম্প্রদায়িকতার ফিরে আসা

Advertisement

১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের, আর ১৫ আগস্ট ভারতের জন্ম গভীর মানবিক ট্র্যাজেডি ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের মাধ্যমে। বিভক্ত হয় ভূখণ্ড, পরিবার, নাগরিকত্ব, মানুষের ঘরবাড়ি। উদ্বাস্তু, সংখ্যালঘু, সীমান্ত, সন্দেহ এবং এক দীর্ঘস্থায়ী যাতনার স্মৃতি নিয়ে ৭৯ বছর পর সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্ন, ১৯৪৭ কি সত্যিই শেষ হয়ে গেছে? নাকি সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতি পুরোনো ছায়ায়, নতুন ভাষায়, নতুন আইনে, নতুন রাজনৈতিক কৌশলে, নতুন সামাজিক উগ্রতায় আবার ফিরে আসছে দক্ষিণ এশিয়া উপমহাদেশে?

প্রশ্নটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভারতের ক্ষেত্রে, যেখানে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কল্পনা ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্র-যেখানে নাগরিকত্বের ভিত্তি ধর্ম নয়, সংবিধান। যেখানে রাষ্ট্র কোনো একটি ধর্মের রাষ্ট্র নয়। যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালন, প্রচার ও বিবেকের স্বাধীনতা সাংবিধানিক অধিকার।

ভারতের গণতন্ত্রের শক্তি ছিল তার সংখ্যাগরিষ্ঠতার মধ্যে নয়; বরং সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সাংবিধানিক সক্ষমতায়। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মীয় পরিচয় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কবজা করলে ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ ভূলুণ্ঠিত হয়ে প্রশ্ন করে, ভারত রাষ্ট্র কি সত্যিই সব ধর্মের নাগরিকের সমান রাষ্ট্র?

হিন্দু ধর্ম এবং হিন্দুত্ববাদ এক জিনিস নয়। ভারতের কোটি কোটি হিন্দু নাগরিকের ‘হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস’কে ‘হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক মতাদর্শের’ সঙ্গে এক করে দেখা যেমন ভুল, তেমনি হিন্দুত্ববাদকে কেবল ধর্মীয় আচার হিসাবে দেখা আরও বড় ভুল। হিন্দুত্ব মূলত একটি রাজনৈতিক-জাতীয়তাবাদী প্রকল্প, যা ভারতীয় জাতিসত্তাকে উচ্চবর্ণের হিন্দু স্বার্থ ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন এ রাজনৈতিক পরিচয় রাষ্ট্রের নাগরিক পরিচয়ের ওপর প্রাধান্য পেতে শুরু করে। তখন মুসলমান বা খ্রিষ্টান হওয়া শুধু ব্যক্তিগত ধর্মীয় পরিচয় থাকে না, তা রাজনৈতিক সন্দেহ ও প্রশ্নের বিষয়ে পরিণত করা হয়। কে আসল ভারতীয়? কে অনুপ্রবেশকারী? কার পূর্বপুরুষ এ ভূখণ্ডের? কার আনুগত্য রাষ্ট্রের প্রতি? এ প্রশ্নগুলো ধর্মীয় পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করে পুরোনো সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

উত্তর ভারতের ‘বুলডোজার রাজনীতি’ হলো এ সাম্প্রদায়িক উগ্রতার সবচেয়ে দৃশ্যমান দৃষ্টান্তগুলোর একটি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ২০২৫ সালের ভারতবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপিশাসিত রাজ্যেগুলোতে মুসলমানদের বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রে এগুলোকে সাম্প্রদায়িক সংঘাত বা রাজনৈতিক বিরোধের পর ‘কালেকটিভ পানিশমেন্ট’-এর মতো প্রয়োগ করা হয়েছে। ২০২৬ সালেও এমন অভিযোগ অব্যাহত থাকার কথা বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে এসেছে। ইউএসসিআইআরএফ-সমর্থিত একটি ২০২৬ রিপোর্টে আসামে বাংলাভাষী মুসলমানদের বহু বাড়ি এবং উত্তরপ্রদেশে মসজিদ, মাদ্রাসা ও মুসলিম মালিকানাধীন স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে।

অথচ আইনের শাসনের মৌলিক নীতি হলো, অপরাধের বিচার আদালত করবে, প্রশাসনিক প্রতিশোধ হবে না। কোনো নাগরিক অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে মামলা হবে। বিচার হবে। দোষী হলে শাস্তি হবে। কিন্তু কোনো সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংঘর্ষের পর সেই সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া সমষ্টিগত শাস্তির শামিল, যা ভারতে চলছে। আসামে ধর্মীয় পরিচয়, ভাষা, অভিবাসন এবং নাগরিকত্বের প্রশ্ন তুলে বাংলাভাষী মুসলমানদের একটি অংশকে ‘বাংলাদেশি’ বা ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ কিংবা ‘রোহিঙ্গা’ নামে চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যমূলক পদক্ষেপ দৃশ্যমান।

প্রশ্ন হলো, একজন মানুষের নাগরিকত্ব কি তার ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে দুর্বল হয়ে যেতে পারে? যদি একজন মুসলমানকে আগে প্রমাণ করতে হয় যে তিনি ভারতীয়, আর অন্য নাগরিককে তার ভারতীয়ত্ব প্রমাণ করতে না হয়, তাহলে নাগরিকত্বের সাংবিধানিক সমতা কোথায় থাকে?

পশ্চিমবঙ্গে সীমান্তের ওপারের মানুষকে আবার ‘অন্য’ বানানোর চেষ্টা চলছে। অথচ পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস দেশভাগের

ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। বাংলা ভূখণ্ডের লাখ লাখ মানুষের পরিবার দেশভাগের ফলে স্থানান্তরিত হয়েছিল। পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে মানুষের যাতায়াত, পারিবারিক সম্পর্ক, ভাষা ও সংস্কৃতি দেশভাগের পরও বহুদিন অব্যাহত ছিল। এখন ক্ষমতাসীনদের তরফে বাংলাভাষা, নাগরিকত্ব এবং ধর্মীয় পরিচয়কে ঘিরে সন্দেহ তৈরি করায় ১৯৪৭-এর সাম্প্রদায়িক স্মৃতি আরও তীব্র হচ্ছে। ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাঙালি, বিশেষত মুসলিম বাসিন্দাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ গভীর উদ্বেগজনক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু পরিবারকে সীমান্তের ‘জিরো লাইনে’ আটকে পড়তেও হয়েছে। এটি কেবল মানবিক সংকট নয়, দেশভাগের সাম্প্রদায়িক স্মৃতির পুনরুত্থানের মতো এক ভয়াবহ প্রতিচ্ছবি। কারণ ১৯৪৭-এ মানুষকে বলা হয়েছিল, তুমি কোন ধর্মের? তারপর বলা হয়েছিল, তোমার দেশ কোনটি? আজ যদি আবার কোনো নাগরিকের পরিচয় নির্ধারিত হয় তার ভাষা, ধর্ম, বংশ বা সীমান্তের নিকটবর্তী বসবাসের ভিত্তিতে, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই-উপমহাদেশ কি ইতিহাস থেকে সত্যিই শিক্ষা নিয়েছে?

গণতন্ত্রের সবচেয়ে সংবেদনশীল পরীক্ষা ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ভারতে বিপদের মধ্যে রয়েছে। কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের শক্তি মাপার সহজ উপায় সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মীয় স্বাধীনতা নয়, সংখ্যালঘুর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা। ভারতের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ প্রত্যেক ব্যক্তির বিবেকের স্বাধীনতা এবং ধর্ম অবলম্বন, পালন ও প্রচারের অধিকার স্বীকার করে। ২০২৫ সালের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যে ধর্মান্তর-বিরোধী আইন শক্তিশালী করা হয়েছে এবং এসব আইন মুসলিম ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ওপর অসম প্রভাব ফেলছে।

দেশভাগের সবচেয়ে বড় মানবিক শিক্ষা ছিল উদ্বাস্তু মানুষের দুর্দশা। কিন্তু আজ যখন ‘অবৈধ অভিবাসী’ চিহ্নিত করার নামে বাংলাভাষী মানুষের ওপর উচ্ছেদ, আটক বা বহিষ্কারের অভিযোগ ওঠে, তখন ইতিহাসের সঙ্গে একটি ভয়াবহ প্রতিধ্বনি তৈরি হয়। ১৯৪৭ সালে মানুষ সীমান্ত পেরিয়েছিল। আজ যদি আবার মানুষের পরিচয়কে কেন্দ্র করে সীমান্তের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়, তাহলে ইতিহাস যেন একটি বৃত্ত সম্পূর্ণ করতে চায়। কিন্তু রাজনীতিবিদদের ভুলে গেলে চলবে না, মানুষকে ভূখণ্ড থেকে সরিয়ে দেওয়া যায়; তার ইতিহাসকে সরানো যায় না।

সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রচিন্তার বিপদ হলো, সে প্রথমে নাগরিককে তার ধর্মীয় পরিচয়ে সংজ্ঞায়িত করে, তারপর সেই পরিচয়ের ভিত্তিতে অধিকার নির্ধারণ করতে শুরু করে। এভাবেই হিংসা শুরু হওয়ার আগেই সাম্প্রদায়িকতা শুরু হয়। সাম্প্রদায়িকতার সবচেয়ে বিপজ্জনক লক্ষণ শুধু দাঙ্গা নয়। দাঙ্গা তার শেষ পর্যায়। তার আগে তৈরি হয় রাজনৈতিক বিভেদের ভাষা। যেমন-‘অনুপ্রবেশকারী’, ‘দেশদ্রোহী’, ‘জিহাদি’, ‘শত্রু’, ‘ভোটব্যাংক’, ‘অন্যরা’। এ শব্দগুলো বারবার উচ্চারিত হলে মানুষ ধীরে ধীরে প্রতিবেশী ও সহ-নাগরিক থেকে শত্রু-পরিচয়ে পরিণত হয়। তারপর পরিচয় থেকে সন্দেহ। সন্দেহ থেকে ঘৃণা। ঘৃণা থেকে বৈষম্য। বৈষম্য থেকে হিংসা। এটাই সাম্প্রদায়িকতার সামাজিক গতিবিদ্যা। তাই ১৯৪৭-এর পুনরাবৃত্তি মানে আবার হুবহু সেই একই দাঙ্গা হবে-এমন নয়।

পুনরাবৃত্তি আরও সূক্ষ্ম। ১৯৪৭-এ বিভাজন হয়েছিল ভূখণ্ডে। বর্তমান ভারতে বিভাজন ঘটানো হচ্ছে নাগরিকত্বে, ভোটাধিকারে, বসতিতে, ধর্মীয় স্বাধীনতায়, সামাজিক মর্যাদায়, সাংস্কৃতিক পরিচয়ে। তাহলে সেটিও দেশভাগের মতোই বিভাজনের এক নতুন ও সুপ্ত রূপ। এভাবেই সীমান্ত না সরিয়েও সমাজকে ভাগ করার সাম্প্রদায়িক প্রচেষ্টা বর্তমান ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সত্য।

কিন্তু ভারতের গণতন্ত্রের অবক্ষয় নিয়ে কথা বলা মানে ভারতের বিরোধিতা করা নয়। বরং ভারতের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দেওয়া। ভারত পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র। তার সংবিধান ধর্মীয় বহুত্ববাদ, মৌলিক অধিকার এবং নাগরিক সমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি বহন করে। সেই কারণেই সংখ্যালঘু অধিকার সংকুচিত হলে উদ্বেগের মাত্রা বেশি হয়। কারণ ভারত যদি বহুত্ববাদী গণতন্ত্রের জায়গা থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদী ধর্মীয় রাজনীতির দিকে সরে যায়, তার প্রভাব কেবল ভারতের অভ্যন্তরে সীমাবদ্ধ থাকবে না। দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি দেশ-এর অভিঘাত অনুভব করবে। কেননা, এক দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদ বাড়লে, অন্য দেশেও প্রতিক্রিয়াশীল জাতীয়তাবাদ বাড়ে। সংখ্যালঘু আরও নিরাপত্তাহীন হয়। পারস্পরিক সন্দেহ বৃদ্ধি পায়। সীমান্ত আরও রাজনৈতিক ও উত্তপ্ত হয়।

বর্তমান ভারতে সেটাই হচ্ছে। যে রাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক নিরাপদ, কিন্তু সংখ্যালঘু নাগরিক ভয় নিয়ে বসবাস করে, সেই রাষ্ট্রকে পূর্ণ অর্থে শান্তিপূর্ণ বলা যায় না। কারণ শান্তি শুধু সংঘর্ষের অনুপস্থিতি নয়। শান্তি হলো-অন্যের অস্তিত্বকে নিরাপদ মনে করার সামাজিক সক্ষমতা। ভারত ক্রমেই সেই গণতান্ত্রিক সক্ষমতা হারাচ্ছে।

৭৯ বছর আগে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতার ছায়ায় ছিল দেশভাগের কান্না। যারা সেই কান্নাকে শুধু স্মরণ করেন, তাদের উচিত কান্নার কারণগুলোকে পুনরায় শক্তিশালী হতে না দেওয়া। ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের অবক্ষয়, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বা বৈষম্যের অভিযোগ, নাগরিকত্বকে ধর্মীয় পরিচয়ের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলা, নির্বিচার উচ্ছেদ, ধর্ম পালনের স্বাধীনতায় প্রতিবন্ধকতা-এসব কেবল ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রশ্ন হিসাবে দেখলে ভুল হবে। এগুলো দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তঃসাম্প্রদায়িক সম্পর্কের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষণগুলোও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব প্রবণতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কারণ সাম্প্রদায়িকতা একবার রাজনৈতিক বৈধতা পেলে তার শেষ কোথায়, তা কেউ জানে না। তাই দক্ষিণ এশিয়ার শান্তিকামী গণবিবেক যদি সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ না হয়, তাহলে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি প্রতিদিন মানুষ ও সমাজকে নতুন করে ভাগ করবে। আর যে সমাজ বারবার ভাগ হয়, তার কাছে স্বাধীনতা থাকে, কিন্তু শান্তি থাকে না। গণতন্ত্র থাকে, কিন্তু তার আত্মা ক্রমশ ক্ষয় হয়ে যায়। দেশভাগের ৭৯ বছরে সাম্প্রদায়িকতার ফিরে আসার ধ্বনিতে সেই অবক্ষয়ের পদধ্বনিই শোনা যাচ্ছে।

প্রফেসর ড. মাহফুজ পারভেজ : চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; নির্বাহী পরিচালক, চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি)

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম