শতফুল ফুটতে দাও
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে করণীয়
Advertisement
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতি জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা সৃষ্টি করেছে। গৃহস্থালিতে ব্যবহারকারীরা গ্যাস না পাওয়ায় রান্নাবান্নায় নিদারুণ কষ্ট ভোগ করছেন। গ্যাসের অভাবে সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়বে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার ওপর। বিদ্যুতের অভাবে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। অনেক কারখানায় শ্রমিক ছাঁটাই হচ্ছে। বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত থাকলে সেচের মেশিনগুলো চালানো সম্ভব হবে না। বিদ্যুৎনির্ভর সেচযন্ত্রগুলো চালু না থাকলে শুষ্ক মৌসুমে দেশের অনেক জায়গায় খাদ্যশস্য উৎপাদন ব্যাহত হবে। এককথায় বলা যায়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি জাতীয় অর্থনীতির প্রাণশক্তি। এ প্রাণশক্তি দুর্বল হয়ে পড়লে অর্থনীতি নানামুখী চাপের মধ্যে পড়বে। সরকারের ঋণ বাড়বে এবং ভর্তুকি দিতে গিয়ে রাজস্ব সংকট তীব্র আকার ধারণ করবে।
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যে ধরনের জ্বালানি প্রয়োজন, তা এ মুহূর্তে বড় ধরনের ঘাটতির সম্মুখীন। ক্রমাগতভাবে গ্যাস উত্তোলন করার ফলে এবং নতুন নতুন গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধান না করায় গ্যাসের তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে। গ্যাসের অভাব পূরণের জন্য বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানি করতে হচ্ছে। টার্মিনাল সংকট ও প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে গ্যাসবাহী জাহাজগুলো থেকে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। বিদেশ থেকে আমদানি করা গ্যাস দিয়ে সমস্যার উপশম ঘটানো সম্ভব হচ্ছে না। ইরান যুদ্ধের ফলে কাতার থেকে গ্যাস আমদানি আপাতত বন্ধ আছে। কবে নাগাদ আমদানির জন্য সমুদ্রপথ খুলবে তা নিয়েও রয়েছে ভয়াবহ অনিশ্চয়তা। এ কারণে সিঙ্গাপুর থেকে স্পট মার্কেটে গ্যাস কিনতে হচ্ছে এবং এর জন্য গচ্চা দিতে হচ্ছে বিপুল অর্থ। আমদানিতে দুর্নীতি হচ্ছে বলেও অভিযোগ আসছে। বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের অতিরিক্ত কোনো সুযোগ নেই। কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি যতদিন চালু রাখা সম্ভব হবে, ততদিনই শুধু এই বিুদ্যৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। এছাড়া অন্য কোনো নদীতে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা না ভাবাই শ্রেয়। রূপপুরে এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার অর্থ ব্যয় করে রুশ ঋণে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। কথা ছিল ২০২৪ সালের মধ্যে এ কেন্দ্রটি উৎপাদনে আসবে। আজ ২০২৬ সাল শেষের পথে। নানা অজুহাতে সেখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এসব অজুহাতের আসল কারণটি জানা যাচ্ছে না। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রুশ ঋণ ও রুশ প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ায় আমেরিকা নানাভাবে বাগড়া দিচ্ছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এছাড়া পারমাণবিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখভালে নিযুক্ত আছে ভারতীয় প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ। এদের হাতে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কতটা নিরাপদ সেই শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এছাড়া পারমাণবিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির জন্য বিশেষায়িত ট্রান্সমিশন লাইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সে রকম ট্রান্সমিশন লাইন তৈরি করা হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কিছু বলা হয়নি। ট্রান্সমিশন লাইনের সমস্যা যদি না থাকে, তাহলে খুবই আনন্দের কথা।
বাংলাদেশে কয়েকটি কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। দেশের দক্ষিণের কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা কয়লায় চালিত হয়। উত্তরবঙ্গের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়, তার জন্য উত্তোলিত সমুদয় কয়লা ব্যবহার হয় না বলে কয়লার উদ্বৃত্ত স্তূপ সৃষ্টি হচ্ছে। বাংলাদেশে বেশ কয়টি কয়লার খনি আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলো হলো-বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ী, খালাসপীর, জামালগঞ্জ ও দীঘিপাড়া কয়লা খনি। বাংলাদেশের কয়লার মান খুবই উন্নত। এগুলো বিটুমিনাস শ্রেণির কয়লা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সর্বাত্মকভাবে কয়লা খনিগুলো চালু করা হলে ৩০০ থেকে ৫০০ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। অথচ একশ্রেণির অবিমৃষ্যকারী বুদ্ধিজীবী ও অ্যাক্টিভিস্টদের কারণে কয়লা খনিগুলো কাজে লাগানো যাচ্ছে না। যদি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে সর্বোচ্চ পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সম্মানজনকভাবে পুনর্বাসিত করা যায় এবং তাদেরকে কয়লা খনির লাভের অংশীদার করা যায়, তাহলে শুধু কয়লা খনিগুলো দিয়ে আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে বিপুল পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে এবং দেশের চাহিদাও দেশের সম্পদ দ্বারা পূরণ করা সম্ভব হবে। ইউরোপ আমেরিকায় শিল্প বিপ্লবের চাকা ঘোরানো সম্ভব হয়েছে বিপুল পরিমাণে কয়লা পুড়িয়ে। শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, কলকারখানা চালানো, রেলগাড়ি চালানো ও বাষ্পীয় পোত চালানো সম্ভব হয়েছে। পাশ্চাত্য জগতের উন্নয়নের ভিত্তি মূলে রয়েছে কয়লার ব্যবহার। বাংলাদেশে আরও দুটি কয়লা খনি চালু করলে পরিবেশের জন্য বড় ধরনের ক্ষতিকর কিছু হবে বলে মনে হয় না। সুতরাং আমাদের কয়লা সম্পদ ব্যবহারের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। মিডিয়ার খবরে জানা যাচ্ছে বর্তমান সরকার কয়লার ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে।
বাংলাদেশে গ্যাসের মজুত এখন আর সন্তোষজনক অবস্থায় নেই। শেখ হাসিনার সরকার গ্যাস অনুসন্ধানে পেট্রোবাংলাকে ব্যবহার করে কোনো উদ্যোগই গ্রহণ করেনি। অথচ নতুন সক্রিয় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। ইতোমধ্যে পেট্রোবাংলা দুটি গ্যাসক্ষেত্রে কূপ খনন শুরু করেছে। গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানোর জন্য সরকার আরও দুটি আধুনিক রিগ সংগ্রহ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে নতুন গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে গ্যাস উত্তোলনের জন্য দুই থেকে তিন বছর অপেক্ষা করতে হবে। ভোলায় গ্যাসের একটি সমৃদ্ধ খনি আবিষ্কৃত হয়েছে। এ গ্যাস বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বা অন্য কোনো অঞ্চলে নেওয়ার জন্য নদীর তলদেশ দিয়ে পাইপ বসাতে হবে। এর জন্য ৬০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যের বিষয় হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও ভোলার গ্যাস ব্যবহারের জন্য ৬০০ কোটি টাকার জোগান হচ্ছে না। দুঃখের বিষয় বটে। ভোলা দ্বীপটির অভ্যন্তরীণ প্রয়োজনে ভোলার গ্যাস দিয়ে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা ভাবা হচ্ছে।
বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশ হওয়ায় এখানে ব্যাপকভাবে সূর্যকিরণ পাওয়া যায়। সূর্যকিরণ দিয়ে এখানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তবে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সুবিধা ও অসুবিধাগুলোর কথা গভীরভাবে ভাবতে হবে। সৌরবিদ্যুতের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ : ১. সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে কোনো পরিবেশ দূষণ হয় না, ফলে এটি একটি পরিষ্কার ও পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস।
২. সূর্যের শক্তি প্রায় অনন্ত, এবং এটি পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উৎস। তাই এ শক্তি ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা নেই।
৩. একবার সৌর প্যানেল স্থাপন করলে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ বিল অনেকটা কমে যায়।
৪. সৌরশক্তি ব্যবহার করলে নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, বিশেষত দূরবর্তী বিদ্যুৎবিহীন এলাকায়।
৫. সৌর প্যানেল স্থাপনের পর এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ খুবই কম।
সৌর বিদ্যুতের অসুবিধা :
১. সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য প্রথম দিকে খরচ অনেক বেশি হয়ে থাকে।
২. মেঘলা বা বৃষ্টির দিনগুলোতে সূর্যালোক কম পাওয়া যায়। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা হতে পারে।
৩. সৌরশক্তি রাতের বেলায় ব্যবহার করতে হলে ব্যাটারিতে সংরক্ষণ করতে হয়। এবং ব্যাটারি সিস্টেম বেশ ব্যয়বহুল।
৪. যথেষ্ট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বেশ বড় জায়গায় সৌর প্যানেল স্থাপন করতে হয়। এতে প্রচুর জায়গার প্রয়োজন হয়।
৫. সৌর প্যানেলের কার্যকারিতা বা দক্ষতা এখনো তুলনামূলকভাবে কম, তাই বড় মাপের বিদ্যুৎ উৎপাদন করার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
দেশের জ্বালানি খাত বর্তমানে একাধিক চাপের মধ্যে রয়েছে। দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমছে, এলএনজি আমদানিতে ব্যয় বাড়ছে, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি ও ক্যাপাসিটি চার্জের বিশাল বোঝা রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অনিশ্চয়তা। এ পরিস্থিতিতে নতুন কোনো বড় প্রকল্প দেশের জ্বলানি সমস্যা প্রশমনে ভূমিকা রাখলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য এর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জ্বালানি নিরাপত্তায় সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় রয়েছে। ১. অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সক্ষমতার ব্যয় (১.৫ থেকে ১.৮ বিলিয়ন) কমিয়ে আনা। ২. বছরে বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়বে ৬ শতাংশ হারে। ৩. খুলনা ও বরিশালে আরও দুটি ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগেসিফিকেশন ইউনিট নির্মাণ। ৪. ভোলায় হবে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র। ৫. মাতারবাড়ী ও পায়রায় দুটি কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র সম্প্রসারণ। ৬. সৌরবিদ্যুতে দশ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা তৈরি। ৭. সক্ষমতার ২০ শতাংশ ব্যাটারি স্টোরেজ। ৮. বায়ু বিদ্যুতের ৪০০০ মেগাওয়াট সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো। ৯. আরও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা। উল্লেখ্য, চীন এখন ক্ষুদ্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রযুক্তিতে এগিয়ে আছে। ১০. ক্যাপটিভ বিদ্যুতের পরিবর্তে গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহ।
বণিক বার্তার প্রতিবেদন অনুযায়ী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বড় পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। নতুন টার্মিনাল নির্মাণের মাধ্যমে বাড়ানো হবে এলএনজি আমদানির সক্ষমতা, নির্মাণ করা হবে গ্যাসভিত্তিক ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, নেওয়া হবে আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মতো বড় প্রকল্প। ২০৩১ সালের মধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোডম্যাপে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বড় পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অদক্ষতার বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে। তবে এসব দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে কাঠামোগত সংস্কার কীভাবে করা হবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা কীভাবে বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কৌশল ও সময়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা কী, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা নেই। বরং নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ সক্ষমতার বিষয়টি সামনে রেখে জ্বালানি নিরাপত্তার নামে নতুন অবকাঠামো ও বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকেই সরকারের ঝোঁক বেশি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা।’
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে আমদানিনির্ভরতা বাড়লে সেটা দেশের আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশীয় উন্নতমানের কয়লা ব্যবহারের কথা ভাবতে হবে। ভাবতে হবে নতুন নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কারের বিষয়টি। ক্যাপাসিটি চার্জের যন্ত্রণা থেকে কীভাবে দ্রুত বের হয়ে আসা যায় তার আইনগত কৌশল ও প্রযুক্তিগত কৌশল নিয়েও ভাবতে হবে। কুইক রেন্টালের কারণে একদিকে প্রচুর উৎপাদন ক্ষমতা এবং অন্যদিকে এর ব্যবহারযোগ্যতা না থাকায় বড় ধরনের সংকটের জন্ম হয়েছে। বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের কৌশলে থাকবে সর্বোচ্চভাবে দেশীয় জ্বালানির ব্যবহার এবং যথাসম্ভব আমদানি পরিহার।
ড. মাহবুব উল্লাহ : জাতীয় অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ

