Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

মক্কা চুক্তি : সম্ভাবনার নতুন দিগন্তের হাতছানি

Advertisement

Icon

মে. জে. ফজলে এলাহী আকবর (অব.)

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মক্কা চুক্তি : সম্ভাবনার নতুন দিগন্তের হাতছানি

Advertisement

(গত সংখ্যার পর)

বাংলাদেশ এবং নানা মুনির নানা মত

ওপরের আলোচনা থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার যে, মক্কা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি বহুল আকাঙ্ক্ষিত ভূরাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং অন্তরে যাই থাকুক, প্রায় সব শক্তিধর দেশ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। মক্কা চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যেও প্রচণ্ড উৎসাহ-উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ করে জোট গঠনের প্রাথমিক অবস্থায় বাংলাদেশকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মর্মে একটি খবর প্রচারিত হলে মানুষ তা বিপুলভাবে সমর্থন করে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে আমন্ত্রণ পেলে যোগদানের পক্ষে তাদের শক্ত অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু বেশকিছু পক্ষ মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের ঘোর বিরোধী। বিরোধিতাকারীদের বড় অংশটি পতিত স্বৈরাচারের অনুসারী। তারা প্রতিবেশী দেশকে বাংলাদেশ আক্রমণ করার মতো দেশবিরোধী বক্তব্য দিতে কুণ্ঠাবোধ করে না, কিন্তু তারা কোনো অবস্থায়ই এ চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়া মেনে নিতে পারবে না। কারণ তাদের হিসাবে এটা সরাসরি ভারত বিরোধিতা। দ্বিতীয় পক্ষটি বিরোধিতার পরিবর্তে অপেক্ষায় থাকার নসিহত দিচ্ছে। এ অংশটির ধারণা, ভারত অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দেশ, তাদের রপ্তানি বন্ধ হলে আমরা অনশন করব, আমাদের গার্মেন্টস রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাবে, সর্বোপরি তারা যদি সত্যি সত্যি আক্রমণ করে বসে, আমাদের তা ঠেকানোর শক্তি নেই। এই জুজুর ভয় দেখিয়ে তারা আমাদের ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ পররাষ্ট্রনীতির নখদন্তহীন আপ্তবাক্যটি বারবার স্মরণ করিয়ে দিতে চান। অথচ তারা একবার নিজেদের প্রশ্ন করেন না, আমাদের নির্লজ্জ নীরবতা-কী কাঁটাতারে ফেলানীর লাশ ঝুলে থাকা বন্ধ করতে পেরেছে? অথবা আমাদের নিরীহ জনসাধারণের বিএসএফ-এর টার্গেট প্র্যাক্টিসের লক্ষ্যবস্তু হওয়া কি তাতে বন্ধ হয়েছে? এ দুপক্ষের বাইরে তৃতীয় যে পক্ষটি আমাদের মক্কা চুক্তিতে যোগদানের বিরোধিতায় সবচেয়ে সরব তারা হচ্ছে, ভারতীয় সোশ্যাল এবং প্রিন্ট মিডিয়া, যাদের অনেকেই সরাসরি সরকারি সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে। যেমন, পালকি শর্মা, উদয় জি এস, প্রতিম রঞ্জন বোস, মানস ঘোষ, মেজর গৌরভ থেকে শুরু করে অনেক রথী-মহারথী এমন ভাষায় কথা বলছে যেন, বাংলাদেশ কোনো স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র নয়, ভারতের করদ রাজ্য। অথচ, ভারত বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক অংশীদার। তাদের সঙ্গে আমাদের রয়েছে বিপুল আমদানি ঘাটতি, ১৩ বিলিয়ন ডলারের আমদানির বিপরীতে মাত্র ১.৮৯ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করি আমরা। এর বাইরে রয়েছে বড় অঙ্কের ইনফরমাল অর্থনীতি, যার অঙ্কটাও চোখ কপালে তোলার মতো, এনবিআরের হিসাবে ১১ বিলিয়ন ডলার, যার পুরোটাই প্রায় আমদানি। বাংলাদেশ থেকে ভারতে রেমিট্যান্স যায় আরও ৫ বিলিয়ন ডলার। এত সুযোগ সুবিধার বিপরীতে আমাদের প্রাপ্তির অঙ্ক কী? আমরা যেন কখনো এ ন্যায্য প্রশ্ন উত্থাপন করতে না পারি, তার জন্য তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমাগত অপপ্রচার চালিয়ে যায়। ভারতের রয়েছে ইংরেজিতে পটু, স্থানীয় এবং বিদেশে বসবাসরত ভারতীয় ডায়াস্পোরাদের বিশাল বড় নেটওয়ার্ক, যারা অহর্নিশ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ উত্থাপন করে। বিপরীতে ভিক্টিম হয়েও, শুধু সচেতনতার অভাবে আমরা আজ পর্যন্ত ভিক্টিম কার্ডটি খেলতে পারিনি, ইংরেজিতে পারদর্শী না হওয়ায় এবং রাজনৈতিকভাবে বহুধাবিভক্ত বাংলাদেশি ডায়াসপোরাদের ঔদাসীন্যের কারণে। উদাহরণস্বরূপ, শান্তিবাহিনীকে অস্ত্র, প্রশিক্ষণ দিয়ে ২৪ বছর পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে রাখার পরও তারা আমাদের বিরুদ্ধে সেভেন সিস্টার্সের বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে মদদ দেওয়ার বায়বীয় অভিযোগ আনে, নির্বিচারে মুসলিম নিধনের পরও বাংলাদেশকে উগ্রবাদী হওয়ার ট্যাগ দেয়, সংখ্যালঘু নির্যাতনের কিছু সত্য ঘটনার সঙ্গে অসংখ্য মিথ্যা ঘটনার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে, বহির্বিশ্বে আমাদের উগ্রবাদী হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্টা করে। অন্যদিকে আমরা আদানির বিশাল অঙ্কের অযৌক্তিক দাবি মিটাতে গিয়ে নিত্যনৈমিত্তিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হচ্ছি, আমাদের বন্দরে আমাদের আগে তাদের জাহাজ খালাস করার মতো অবমাননাকর চুক্তিতে ফেঁসে গেছি, তিতাস নদীতে বাঁধ তুলে পালাটানা বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল পরিবহণের জন্য ওভার ডাইমেনশনাল কার্গোর জন্য পথ করে দিয়ে নদীর স্বাভাবিক নাব্য নষ্ট করে দিয়েছি, নির্ধারিত হওয়ার ১০ বছর পর রোড ট্রানজিট ফি বাড়ানোর পরিবর্তে ১০ ভাগের ১ ভাগে নামিয়ে এনে তাঁবেদারির এক মহা উপাখ্যান রচনা করেছি। আমাদের এ তোষণনীতির একটা বড় কারণ, ভারতের শক্তিকে ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে দেখা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বন্ধুহীন থাকা।

মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের কেন যোগ দেওয়া উচিত

এখানেই সুযোগ থাকলে মক্কা চুক্তিতে আমাদের যোগদান করার আসল মাজেজা লুকিয়ে আছে। এ চুক্তির অংশ হলে আমরা হয়তো সামরিক দিক দিয়ে শক্তিশালী হব না, কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে আমাদের নিস্তরঙ্গ অর্থনীতি জীবন ফিরে পাবে। সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করেন। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। পাশাপাশি সৌদি আরব বাংলাদেশে বিনিয়োগ, জ্বালানি, অবকাঠামো ও বাণিজ্যের সম্ভাব্য বড় অংশীদার। যার অন্যতম উদাহরণ, সম্প্রতি চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে সৌদি কোম্পানির ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জাতিসংঘ বাহিনীর শান্তি মিশনে যোগ দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে পারদর্শী হয়ে উঠেছে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে সংঘাতপ্রবণ এলাকায় জাতিসংঘ বাহিনী মোতায়েনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। সৌদি আরব সেই শূন্যস্থান পূরণ করে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে বিনা অর্থে উন্নত প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করার পাশাপাশি রিক্রুটমেন্ট এবং রিটেনশনের সমস্যা লাঘব করতে পারে। তাই সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ককে শুধু ধর্মীয় আবেগ দিয়ে নয়, অর্থনৈতিক নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকেও দেখতে হবে।

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতে তুরস্ক ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশীদার হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। ড্রোন, সাঁজোয়া যান, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, নৌ প্রতিরক্ষা এবং অন্যান্য সামরিক প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করা তুরস্কের কাছ থেকে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা গ্রহণ আমাদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হলে আমাদের সামনে তুরস্কের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি স্থানান্তর, ড্রোন ও কাউন্টার-ড্রোন প্রযুক্তি, সামরিক যোগাযোগ ও সার্ভিলেন্স প্রযুক্তি এবং কিছু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম যৌথভাবে উৎপাদনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত জটিল। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এ সম্পর্কের সবচেয়ে সংবেদনশীল দিক। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বাস্তবতা হলো, প্রয়োজনের আলোকে রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক পরিবর্তিত হয়। তা নাহলে আজকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জাপান বা ভিয়েতনামের গভীর সম্পর্কের কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যেত না। তাই বাংলাদেশ যদি মক্কা চুক্তিতে যোগ দেয়, পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্কও নতুন মাত্রা পেতে পারে। তুরস্কের মতো পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও আমরা তাদের বিপুল সামরিক শক্তি, প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণের সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের সুযোগ গ্রহণ করতে পারি। তবে এখানে সবচেয়ে সংবেদনশীল যে প্রশ্নটি প্রণিধানযোগ্য তা হলো, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধাবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান কী হবে? মক্কা চুক্তি একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি হলেও, এখানে যে কারও যুদ্ধের অংশীজন হওয়া যে বাধ্যতামূলক নয়, তা সৌদি আরবের ওপর হুথিদের আক্রমণের পর পাকিস্তান এবং তুরস্কের নীরবতাই প্রমাণ করে। যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া এবং না পড়ার সিদ্ধান্ত একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। মক্কা চুক্তিকে যারা মুসলিম ন্যাটো বলে অভিহিত করেন, তাদের জ্ঞাতার্থে বলে রাখা ভালো যে, ন্যাটোর ৭৭ বছরের ইতিহাসে এ জোটভুক্ত ৩২টি দেশ কয়েকশ ছোট-বড় যুদ্ধ বা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে ২০০১ সালের ১/১১’র ঘটনা ছাড়া কখনো আর্টিকেল ৫ প্রয়োগ করা হয়নি। এ চুক্তিতে আমাদের যুক্ত হওয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে, শত্রুর বিরুদ্ধে একটা ডিটারেন্স সৃষ্টি করা, যে বাংলাদেশ আক্রান্ত হলে মক্কা চুক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো সক্রিয় হতে পারে, যা কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সামরিক হতে পারে। ন্যাটোর আর্টিকেল ৪ অনুযায়ী আক্রান্ত দেশকে সাহায্যের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য এবং সাহায্যের প্রকৃতি বর্ণনা করতে হয়, যা আর্টিকেল ৫ কে সক্রিয় করে। এভাবেই ২০১২ সালে সিরিয়া যখন তুরস্কের একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে, তখন তুরস্ক ন্যাটোকে আর্টিকেল ৪ অনুসারে বিষয়টি অবহিত করে এবং আর্টিকেল ৫ ইনভোক করে। এরপর ন্যাটো তুরস্কের অনুরোধ অনুযায়ী তুরস্কে প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি মোতায়েন করে। মক্কা জোট একইভাবে কাজ করবে বলে অনুমেয়। যেই কারণে পাকিস্তানের ১ স্কোয়াড্রন টি জে-এফ ১৭ থান্ডার মাল্টিরোল ফাইটারসহ বিপুলসংখ্যক সেনাসদস্য সৌদি আরবে মোতায়েন থাকলেও পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সাউদ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে হুথিদের নিবৃত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

পরিশেষে বলা যায়, মক্কা চুক্তি আমাদের জন্য অমিত সম্ভবনার এক বিশাল দ্বার উন্মোচন করেছে। যদি আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়, তবে চুক্তির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণ করে যোগদানের পক্ষে সরব হওয়া উচিত। আমাদের মনে রাখা উচিত, সিদ্ধান্তহীনতা এবং নতজানু পররাষ্ট্রনীতি আমাদের জাতি হিসাবে অনেক পিছিয়ে দিয়েছে। পরপর চারটি নির্বাচনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে ভারত আমাদের ওপর একদলীয় শাসন চাপিয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে তারা একই পথ অনুসরণ করবে না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমাদের হাতেও অনেক তুরুপের তাস আছে। জুলাই আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে, এ দেশের মানুষ যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে একত্রে রাস্তায় নেমে আসে। বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রণেতা জিয়াউর রহমানের হেজিং ডিপ্লোমেসির একটা কারিশমা ছিল, পৃথিবীর সব বড় শক্তির সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেও, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলা। আমরা জিয়াউর রহমান অনুসৃত বৈদেশিক নীতি অবলম্বন করলে এ চুক্তি থেকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সামরিক দিক দিয়ে সর্বোচ্চ লাভবান হব।

মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর (অব.) : বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা উপদেষ্টা; চেয়ারম্যান, ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটিজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (এফএসডিএস)

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম