Logo
Logo
×
   

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

কোনো একক শক্তির আধিপত্য চিরস্থায়ী নয়

Advertisement

Icon

মেজর (অব.) মনজুর কাদের

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কোনো একক শক্তির আধিপত্য চিরস্থায়ী নয়

Advertisement

সৃষ্টিকর্তার বিধান হলো কেউ এককভাবে শক্তিশালী হয়ে সবকিছু সব সময় নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এটি সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ মুহূর্তে, ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বমঞ্চে তার অভূতপূর্ব সামরিক শক্তির কথা জানিয়ে দেয়। তবে সেই একক আধিপত্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। পুঁজিবাদের নেতা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৪৯ সালের ২৯ আগস্ট কাজাখস্তানে প্রথম পারমাণবিক বোমার সফল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে সেই অহংকারের অবসান ঘটিয়ে দেয়। শুরু হয় দুই পরাশক্তির পারমাণবিক প্রতিযোগিতা, যা পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তিতে পরিণত হয়। শেষ পর্যন্ত একক পরাশক্তির আধিপত্যের পরিবর্তে দুই পরাশক্তি পারমাণবিক ভারসাম্যের যুগে প্রবেশ করে।

চীনের পারমাণবিক শক্তির উত্থান : চীনের পারমাণবিক বোমা অর্জন স্নায়ুযুদ্ধের শক্তির ভারসাম্যে একটি নতুন মাত্রা যোগ করে। এর ফলে-যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বাইরে এশিয়ায় একটি স্বতন্ত্র পারমাণবিক শক্তির উত্থান ঘটে। চীন তার নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিতে পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা যুক্ত করে। এশিয়ার কৌশলগত রাজনীতিতে চীনের প্রভাব বৃদ্ধি পায়। পারমাণবিক শক্তির একক আধিপত্যের ধারণা আরও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।

সমাজতন্ত্র ঠেকানোর কৌশল : বিগত স্নায়ুযুদ্ধের সময় কমিউনিস্ট পার্টি শাসিত সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনকে ঠেকাতে গিয়ে পুঁজিবাদ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রবক্তা যুক্তরাষ্ট্রকে পুরোদস্তুর হিমশিম খেতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে ধর্মও তখন ভূরাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছিল। জরুরি ভিত্তিতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক শক্তিকে কমিউনিজমবিরোধী জোটে অন্তর্ভুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে সোভিয়েত প্রভাব ও কমিউনিজম ঠেকাতে মুসলিমপ্রধান দেশগুলোকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তৎপরতা বৃদ্ধি পায়।

দৃশ্যপটে আফগানিস্তান : সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন : ১৯৭৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর তৎকালীন পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট সরকারকে রক্ষা ও নিজেদের আঞ্চলিক প্রভাব বজায় রাখার জন্য সে দেশে সামরিক আগ্রাসন চালায়। এটি সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ নামে পরিচিত, যা দীর্ঘ ১০ বছর চলেছিল। আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসনের পর কমিউনিস্টবিরোধী মুজাহিদিনদের সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান ও সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধর্মীয় পরিচয় ও সোভিয়েতবিরোধী রাজনৈতিক আবেগকে এ প্রতিরোধে কাজে লাগানো হয়। অর্থাৎ, স্নায়ুযুদ্ধের ভূরাজনীতিতে ইসলাম শুধু একটি ধর্মীয় পরিচয় ছিল না; কিছু ক্ষেত্রে এটি কমিউনিজমবিরোধী তৎপরতায় একটি উপাদান হিসাবেও ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৪৫ থেকে ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভেঙে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী পরাশক্তি হিসাবে স্নায়ুযুদ্ধে লিপ্ত ছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনে ১৫টি নতুন প্রজাতন্ত্র গঠিত হয় এবং এর ফলে স্নায়ুযুদ্ধে বিজয়ী হয়ে বিশ্বে একক শক্তি হিসাবে আবির্ভূত হয় যুক্তরাষ্ট্র। স্বল্পমেয়াদে সোভিয়েতবিরোধী প্রতিরোধকে শক্তিশালী করার যে কৌশল গ্রহণ করা হয়েছিল, পরবর্তী দশকগুলোতে আফগানিস্তানসহ বৃহত্তর অঞ্চলের রাজনৈতিক সহিংসতা ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিকাশের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এর ফলে বিশ্ববাসী এক দশক পর ভূরাজনীতিতে নতুন দৃশ্য দেখতে পান।

যুক্তরাষ্ট্র আত্মতুষ্টি : জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি : স্নায়ুযুদ্ধে বিজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র যখন বিশ্বের একক পরাশক্তির আসনে অধিষ্ঠিত হয়ে আত্মতুষ্টির ঘোরে নিমগ্ন, তখন আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন মুসলিমপ্রধান দেশে জেগে উঠতে থাকে ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতির বিকাশ। মুসলিম বিশ্বের ব্যাপক সম্ভাবনা একদিকে যেমন নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিতে থাকে, অন্যদিকে ইসলামবিরোধী শক্তিগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগের জন্ম নেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে হামলা : অহংকার বিপন্ন হওয়ার শঙ্কা :

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলার ২৫ বছর পরও মার্কিন সামরিক ও নিরাপত্তাব্যবস্থার ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্নগুলো সামনে এসেছিল, তা এখনো রয়ে গেছে। কীভাবে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী গোয়েন্দাব্যবস্থা ও নিরাপত্তা কাঠামো এমন একটি নজিরবিহীন হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থ হলো-এ প্রশ্ন আজও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়ে গেছে। সরকারি তদন্ত প্রতিবেদনে গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়হীনতা, হুমকি অনুধাবনে ব্যর্থতা, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতার কথা উঠে এসেছে-যার ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্ক পুরোপুরি শেষ হয়নি। পাশাপাশি, ৯/১১-এর পেছনে কারা ছিল এবং ঘটনাটির প্রকৃত প্রেক্ষাপট কী-তা নিয়ে বিভিন্ন পরস্পরবিরোধী তত্ত্বও প্রচলিত রয়েছে।

এককেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ : ৯/১১-এর পর যুক্তরাষ্ট্র যখন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ এবং এককেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা সুসংহত করার প্রচেষ্টায় ব্যস্ত, তখন উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তিগুলোও নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করতে থাকে। ২০০৬ সালে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনের সমন্বয়ে ব্রিক-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীকালে দক্ষিণ আফ্রিকার অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে এটি ব্রিকস-এ রূপান্তরিত হয়। এ প্রক্রিয়া বিশ্বব্যবস্থায় বহুমুখী শক্তির উত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।

করোনাভাইরাস কীভাবে বিশ্বব্যবস্থা বদলে দেয় : যুক্তরাষ্ট্র যখন অপ্রতিরোধ্য ও দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে-যা থামানো কোনো দেশের পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না, তখন শুরু হয় কোভিড-১৯ মহামারি, যা শুধু একটি স্বাস্থ্যসংকট ছিল না; এটি বিশ্ব অর্থনীতি, ভূরাজনীতি, রাষ্ট্রের ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। ২০২০ সালে শুরু হওয়া মহামারি বিশ্বায়নের দুর্বলতা প্রকাশ করে এবং অনেক দেশকে নিজেদের সরবরাহব্যবস্থা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। করোনার ধাক্কায় বিশ্বরাজনীতির নতুন বাস্তবতা, অতিমারি, অর্থনীতি ও ক্ষমতার পালাবদল ঘটে। এ সময় ডিজিটাল প্রযুক্তি মানুষের কাজ, শিক্ষা, ব্যবসা ও যোগাযোগের পদ্ধতি বদলে দেয়। অনলাইন লেনদেন, ই-কমার্স, দূরবর্তী কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল সেবার প্রসার অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা তৈরি করে। ভাইরাসটি বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো প্রকাশ করে দেয় এবং দীর্ঘদিন ধরে চলমান সবকিছুর পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করে।

বদলে গেছে বিশ্বব্যবস্থা : নয়াদিল্লিতে ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন শুধু একটি বহুপাক্ষিক বৈঠকেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এর আড়ালে ভারত ও চীনের সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়েরও ইঙ্গিত মিলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই নেতা এমন একটি বার্তা দিয়েছেন-মতানৈক্য থাকতেই পারে, কিন্তু সেই মতানৈক্য যেন সংঘাতে রূপ না নেয়। ভারতীয় গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে এ বৈঠককে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিক উন্মোচনের সম্ভাবনা হিসাবে দেখা হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ডোকলামে দুদেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে দোলাচল, অরুণাচল নিয়ে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মোদি-শি বৈঠকের তাৎপর্য শুধু ভারত-চীন সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি এশিয়ার দুই বৃহৎ শক্তির মধ্যে সংঘাত থেকে ব্যবস্থাপিত প্রতিযোগিতা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সহযোগিতা এবং একক আধিপত্য থেকে বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার দিকে সম্ভাব্য পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত-যা নতুন স্নায়ুযুদ্ধের সময় এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে।

চীন পূর্বেই সতর্কপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে : ২০১৮ সালে (২০১৭ সালে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর) চীন বিশেষভাবে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য, সংযোগ ও সহযোগিতার ধারণা যখন সামনে এনেছিল, তখন ভারত একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চীনকে এড়িয়ে গিয়ে আঞ্চলিক শক্তি হওয়ার চেষ্টা করে। চানক্য নীতি যে স্নায়ুযুদ্ধের সময় কার্যকর হয় না, তা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সঠিকভাবে বুঝতে পারেননি। তবে চীন ঠিকই বুঝতে পেরেছিল, প্রথম স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ভারত রাশিয়াকে ছাড়া চলতে পারবে না। তাই চীন রাশিয়ার সঙ্গে গড়ে তুলেছে গভীর সম্পর্ক। গালওয়ান সংঘাতের সময়ে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় ভারতের মুখরক্ষা হয়, যা তাকে স্মরণ রাখতে হবে সবসময়।

নতুন ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা : ২০১৮ সালে পুরোনো স্নায়ুযুদ্ধের স্মৃতি পেছনে ফেলে বিশ্ব যখন নতুন এক ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন চীন এশিয়াকে তার কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে। যুক্তরাষ্ট্র যখন চীনের উত্থান ঠেকাতে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ বাড়াতে শুরু করে, তখন চীন এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনের পরিবর্তে সহযোগিতা ও পারস্পরিক নির্ভরতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়।

এশিয়ার নিজস্ব শক্তি ও সংহতি : শি জিনপিংয়ের ‘অভিন্ন ভবিষ্যতের সম্প্রদায়’ ধারণার মাধ্যমে চীন এশীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাগত সহযোগিতাকে আরও ঘনিষ্ঠ করার আহ্বান জানায়। ফলে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ, চীন-আসিয়ান সহযোগিতা এবং সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার মতো কাঠামো শুধু অর্থনৈতিক প্রকল্প বা আঞ্চলিক সংগঠন হিসাবে নয়, বরং উদীয়মান বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থায় এশিয়ার নিজস্ব শক্তি ও সংহতি গড়ে তোলার বৃহত্তর কৌশলের অংশ হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র যখন নতুন স্নায়ুযুদ্ধে তার নিজস্ব বলয়কে সংগঠিত করে শক্তি প্রদর্শন করতে শুরু করে, চীন তখন এশিয়ার অর্থনৈতিক পারস্পরিক নির্ভরশীলতাকে ঐক্যের হাতিয়ারে পরিণত করতে চেয়েছে।

প্রতিক্রিয়া : ব্রিকসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে মোকাবিলা করার জন্য রাশিয়া যদি ভারতকে চীনের পাশে ভিড়িয়ে দিতে চায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কালক্ষেপণ না করে দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান এবং বাংলাদেশকে নিজের বলয়ে রাখার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। কোনো একক শক্তির আধিপত্য যে চিরস্থায়ী নয়, তা বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যাবে।

মেজর (অব.) মনজুর কাদের : সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ-সদস্য

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম