Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

দৃষ্টিপাত

এ পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে

Advertisement

Icon

ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

রাজধানীর মিরপুরের একটি বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে (রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্র) হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সরকারদলীয় সংসদ-সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন। স্পিকার তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে তাৎক্ষণিকভাবে ওই পদ শূন্য ঘোষণা করেন। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখল নিয়ে সৃষ্ট সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্রাথমিকভাবে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত এ কঠোর পদক্ষেপ বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে। আমাদের দেশের একটি সাধারণ প্রবণতা হচ্ছে, সরকারি দলের নেতৃস্থানীয় কেউ কোনো অন্যায় বা অপকর্ম করলে নানাভাবে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে হয়তো ব্যক্তিবিশেষকে আইনের হাত থেকে রক্ষা করা যায়; কিন্তু সরকারের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হয়।

বরাবরের মতোই এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ধরনের সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। একটি মহল চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সন্ত্রাসসহ নানা ধরনের অপকর্ম করে চলেছে। কেউ কেউ দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে এসব অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। এতে সরকারের ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে। সরকারি দলের সমর্থক নামধারীদের অপকর্মের সুযোগে পতিত স্বৈরাচারের দোসররাও পরিকল্পিতভাবে নানা ধরনের অপকর্ম করে চলেছে বলে অনেকেই মনে করেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের। কোনো অজুহাতেই সন্ত্রাস বা নৈরাজ্যের দায় সরকার এড়াতে পারে না। প্রতিবার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তিত হওয়ার পর নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে কিছুদিন দেশের আইনশৃঙ্খলা বিপর্যস্ত থাকে; তবে অচিরেই তা আবারও স্বাভাবিক হয়ে আসে। কিন্তু চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে মব সন্ত্রাস শুরু হয়। হত্যা-খুন, চাঁদাবাজি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক অবস্থা বলে মেনে নেওয়া যায় না। বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছিল। তখন দেশে কোনো নির্বাচিত সরকার দায়িত্বে ছিল না। কিন্তু এখন তো দেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব পালন করছে। তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার কথা।

পুলিশের সাবেক এক আইজিপি এবং অপরাধ বিশেষজ্ঞ এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীকে ব্যাপক মাত্রায় দলীয়করণের মাধ্যমে তাদের পেশাদারত্বকে ক্ষুণ্ন করা হয়। কিছু পুলিশ সদস্য অতিমাত্রায় দলীয় আনুগত্য প্রদর্শন করেছেন। ফলে তাদের প্রতি সাধারণ মানুষের প্রচণ্ড ক্ষোভ পরিলক্ষিত হয়। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন থানা থেকে পুলিশ সদস্যরা পালিয়ে গেছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিজিবি অথবা সেনাসদস্যদের মাধ্যমে থানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। গণ-অভ্যুত্থানের পর থানা থেকে পুলিশ সদস্যদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো ঘটেনি। কোনো কোনো পুলিশ সদস্য এখনো বাইরে ডিউটি করতে যেতে ভয় পান। দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যরা হামলার শিকার হয়েছেন এমন ঘটনাও ঘটেছে। পুলিশের কোনো উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা অতিমাত্রায় দলীয় আনুগত্য প্রদর্শন করে এখন বিপাকে রয়েছেন। এদের অনেকেই পরিকল্পিতভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না এবং বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রতি এখনো আনুগত্য প্রদর্শন করে চলেছেন, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা যেতে পারে। কোনো বিশেষ দলের প্রতি নয়, পুলিশকে সরকারের প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্য প্রদর্শন করতে হবে। কারণ, তারা রাষ্ট্রীয় বাহিনী, কোনো বিশেষ দলের বাহিনী নন।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নিজদলীয় সংসদ-সদস্যের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তবে এখানেই থেমে থাকলে চলবে না; দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাকে কঠোর অবস্থান গ্রহণ ও বজায় রাখতে হবে। তাকে ‘টপডাউন অ্যাপ্রোচ’ গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর ও রুয়ান্ডার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা যেতে পারে। ১৯৫৯ সাল থেকে লি কুয়ান ইউ সিঙ্গাপুরের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। তিনি ‘টপডাউন অ্যাপ্রোচ’ নীতি প্রয়োগ করে দেশটিকে কিছুদিনের মধ্যেই একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হন। লি কুয়ান ইউ এবং তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা সততা ও আন্তরিকতার চূড়ান্ত পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেন। তিনি বুঝতে পারেন, সব ধরনের অন্যায়ের পেছনে আর্থিক কারণ থাকে। তাই তিনি সর্বপ্রথম দুর্নীতি নির্মূলে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি নিজেসহ মন্ত্রিপরিষদের সব সদস্যের জন্য অর্জিত সম্পদের আর্থিক বিবরণী দাখিল বাধ্যতামূলক করেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অধীনে করাপ্ট প্র্যাকটিসেস ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোকে (সিপিআইবি) সম্পূর্ণ স্বাধীন একটি সংস্থা হিসাবে গড়ে তোলেন। এতে সংস্থাটির ওপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অনুসন্ধান ও ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্ণ ক্ষমতা লাভ করে। সংস্থাটির সদস্যদের ওয়ারেন্ট ছাড়াই যে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষমতা দেওয়া হয়। অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় অভিযুক্তের ওপর। দুজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপিত হলে সিপিআইবিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সংস্থাটি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হয়। রাষ্ট্রীয় পুঁজিবাদ ও মুক্তবাজার অর্থনীতির সংমিশ্রণে সিঙ্গাপুর নিজস্ব অর্থনৈতিক মডেল গড়ে তোলে। তারা বিদেশে বিনিয়োগ আহরণের জন্য সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ফলে অল্পদিনের মধ্যেই সিঙ্গাপুর একটি টেকসই উন্নত দেশে পরিণত হয়। লি কুয়ান ইউ ৩১ বছর সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ের মধ্যে তার বিরুদ্ধে কখনোই দুর্নীতি এবং দলীয়করণ ও আত্মীয়করণের অভিযোগ ওঠেনি। ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝিতে সিঙ্গাপুর তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশ থেকে প্রথম বিশ্বের উন্নত দেশ হিসাবে আবির্ভূত হয়।

রুয়ান্ডার দৃষ্টান্ত আরও চমকপ্রদ। মধ্য আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডার অর্থনৈতিক উত্থান আরও বিস্ময়কর। ১৯৯৪ সালে দেশটিতে ভয়াবহ জাতিগত দাঙ্গা সংঘটিত হয়। এতে প্রায় ১০ লাখ মানুষ নিহত হয়। দেশটির অর্থনৈতিক কাঠামো, সামাজিক শৃঙ্খলা একেবারে ভেঙে পড়ে। সেই অবস্থা থেকে দেশটি এখন আফ্রিকার উন্নয়নের মডেলে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রপতি পল কাগামের নেতৃত্বে রুয়ান্ডা সরকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কৌশল গ্রহণ করে। তারা ২০২০ সালে ‘ভিশন ২০৫০’ বাস্তবায়ন শুরু করে। এ পরিকল্পনার লক্ষ্য হচ্ছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে রুয়ান্ডাকে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে রুয়ান্ডাকে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নত ও উচ্চআয়ের দেশে পরিণত করা। দেশটি এ লক্ষ্য অর্জনের পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে চলেছে। প্রশাসন ও সামাজিক ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়েছে। ট্রান্সপারেসি ইন্টারন্যাশনালের মতে, রুয়ান্ডা সাব-সাহারান আফ্রিকান অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম দুর্নীতিমুক্ত দেশে পরিণত হয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে দেশটি কার্যকর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করে চলেছে। বিশ্বব্যাংকের সহজ ব্যবসায় পরিবেশের ক্ষেত্রে রুয়ান্ডার অবস্থান আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয়। বিদেশি বিনিয়োগ আহরণের ব্যাপারে তারা খুবই সচেতন। তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশটির অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো। রুয়ান্ডাকে আফ্রিকার সিলিকন ভ্যালি হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। তারা কৃষিকে প্রথাগত অবস্থা থেকে বের করে এনে শিল্পের সহায়ক শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। গত দুই দশকে রুয়ান্ডা ৭ থেকে ৮ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। রুয়ান্ডা নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য প্রদর্শন করেছে। রুয়ান্ডার পার্লামেন্টে ৬৩ দশমিক ৮ শতাংশ নারী সদস্য। উচ্চ কক্ষের ২৬টি আসনের মধ্যে অর্ধেকই নারী। রুয়ান্ডা দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। কেউ দুর্নীতি করলে তাকে শাস্তি পেতেই হয়। দলীয় বা অন্য কোনো বিবেচনা সেখানে প্রাধান্য পায় না।

পৃথিবীতে এমন কোনো দেশ নেই, যে দুর্নীতিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে উন্নয়ন অর্জন করতে পেরেছে। বাংলাদেশ এক সময় পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছিল। কিছু মানুষ মনে করেন, রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার অর্থই হচ্ছে সন্ত্রাস, অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিত্ত-বৈভব গড়ে তোলার অবারিত সুযোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজদলীয় একজন সংসদ-সদস্যকে পদত্যাগ করানোর মাধ্যমে চমৎকার একটি নজির সৃষ্টি করেছেন। তার এ দৃষ্টান্তমূলক কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে, এটাই প্রত্যাশিত। একজন প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক বলতে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়ে স্বীয় স্বার্থ উদ্ধারে তৎপর থাকেন না। তিনি দল-মত নির্বিশেষে দেশের সব মানুষের কল্যাণ কামনা করেন এবং তাদের কল্যাণার্থে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি হবেন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন একজন মানুষ। দেশ ও জাতির কল্যাণে তিনি এমন সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যা দেশকে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে। বর্তমান সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার এক মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপির আকার হচ্ছে ৫০১ বিলিয়ন ডলার। এর অর্থ হচ্ছে, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে আগামী ৮ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতি বা জিডিপির আকার দ্বিগুণ করতে হবে। এজন্য প্রতিবছর গড়ে ১০ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ আহরণ করতে হবে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার অর্জন করতে হবে বছরে ৮ থেকে ৯ শতাংশ। পেছনে শত্রু রেখে যুদ্ধযাত্রা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ঠিক তেমনি পেছনে দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ রেখে উন্নয়ন অর্জন করতে চাওয়া কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী দলীয় সংসদ-সদস্যের বিরুদ্ধে যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, অন্যান্য দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধেও ঠিক একইরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আগামীতে দল-মত নির্বিশেষে অপরাধী যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, অপরাধী কখনোই দলের জন্য সম্পদ নয়। তারা সরকারের জনপ্রিয়তা নষ্ট করার জন্য দায়ী। সংসদ-সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির বিরুদ্ধে যেভাবে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, অন্য অপরাধীদের বিরুদ্ধেও একইভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।

ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী : প্রফেসর ইমেরিটাস, সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

দৃষ্টিপাত এ পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে

এ পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে

সাইবার নিরাপত্তায় যেসব ঝুঁকি তৈরি করছে এআই

সাইবার নিরাপত্তায় যেসব ঝুঁকি তৈরি করছে এআই

প্রান্তিক মানুষের স্বার্থহানি অনাকাঙ্ক্ষিত হবে

প্রান্তিক মানুষের স্বার্থহানি অনাকাঙ্ক্ষিত হবে

জাতিসংঘের করিডর যেন এক নাট্যশালা

জাতিসংঘের করিডর যেন এক নাট্যশালা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম