Logo
Logo
×

Advertisement

উপসম্পাদকীয়

শতফুল ফুটতে দাও

বিশ্ব শিক্ষক দিবস ও আমার গুণী শিক্ষকরা

Advertisement

ড. মাহবুব উল্লাহ্

ড. মাহবুব উল্লাহ্

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্ব শিক্ষক দিবস ও আমার গুণী শিক্ষকরা

Advertisement

৫ অক্টোবর ছিল বিশ্ব শিক্ষক দিবস। ১৯৬৬ সাল থেকে পৃথিবীর দেশে দেশে এ দিবসটি বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসাবে পালিত হয়ে এসেছে। ইউনেস্কো এ দিবসটি পালনের উদ্যোগ নিয়েছিল। বিশ্বসভ্যতা ও ঐতিহ্য রক্ষায় দিবসটির গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষকদের বলা হয়, মানুষ গড়ার কারিগর। সেই শিক্ষকদের যদি আমরা সম্মান ও মর্যাদার আসনে বসাতে কুণ্ঠিত হই, তা হবে অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় দিবসটি পালনের জন্য এক মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করে। এ উপলক্ষ্যে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, ৫ অক্টোবর দুপুর দুইটায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছিলেন এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন ছিলেন অনুষ্ঠানের সভাপতি। এ ছাড়া অনুষ্ঠানের মঞ্চে আরও আসন গ্রহণ করেছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আরও ছিলেন শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দি আমিন এবং সংসদে শিক্ষাবিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।

এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের মূল স্লোগান ছিল, ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াও।’ শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানোর কাজটি রাষ্ট্রের জন্য বেশ কঠিন। শিক্ষকদের অনেক সমস্যা আছে। সেসব সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজন প্রচুর অর্থ-সম্পদ। তবে অর্থ-সম্পদ দিয়ে সব সমস্যার অবসান কল্পনা করা যায় না। সমস্যা সমাধানে উদ্যোগের পেছনে থাকতে হবে গভীর অঙ্গীকার, নিষ্ঠা ও সততা। সম্পদের সঙ্গে নিষ্ঠা ও সততা যখন যুক্ত হয়, তখন এর চেয়ে ভালো কিছু হয় না।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে সরকার গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। ১০২ জন শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ জন, সাধারণ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন, চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়/মহাবিদ্যালয়ের ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতজন, সাধারণ মাধ্যমিক পর্যায়ের ১০ জন, সাধারণ কলেজ পর্যায়ের ১৫ জন, আলিম/ফাজিল/কামিল মাদ্রাসার পাঁচজন, দাখিল মাদ্রাসার পাঁচজন, ইবতেদায়ি মাদ্রাসার দুজন, কারিগরি কলেজের পাঁচজন, মাধ্যমিক কারিগরি স্কুলের পাঁচজন এবং প্রাথমিক স্কুলের আটজন শিক্ষককে সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। এছাড়া ছিলেন প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বাছাইকৃত সাত গুণী শিক্ষক।

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বাছাইকৃত গুণী শিক্ষকদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার দৃষ্টি কাড়েন মোহাম্মদ লুৎফর রহমান। তিনি মূলত ১ টাকার শিক্ষক হিসাবে পরিচিত। ১৯৭৪ সাল থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তিনি শিশুদের শিক্ষা দেন। শুরুর দিকে তিনি কোনো অভিভাবকের কাছ থেকে টাকা নিতে চাইতেন না। বিনা পয়সায় সন্তানদের পড়াতে গিয়ে অভিভাবকরা লজ্জাবোধ করতেন। অভিভাবকদের এই মানসিক কষ্টের অবসানের জন্য মোহাম্মদ লুৎফর রহমান ছাত্রপ্রতি ১ টাকা করে বেতন নিতে সম্মত হন। সেই থেকে তিনি ১ টাকার শিক্ষক হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

অনুষ্ঠান মঞ্চে আসন গ্রহণ করার জন্য আমাকে বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে পূর্বাহ্নে জানানো হয়েছিল দুই-তিন মিনিট কিছু বলতে হবে। সভা শুরু হতেই আমাকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমি মানসিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম না। যে কারণে আমি যা কিছু বলব ভেবেছি, তার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ না বলা থেকে যায়। আমি শুরুতেই বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে গুণী শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করি। আমি একটি কবিতার একটি ছত্র উচ্চারণ করি। এই ছত্রের কথা ছিল, ‘মোরা শিক্ষক, মোরা ধরণির দীক্ষক’। ধরণির দীক্ষক হওয়া যে একটি কঠিন দায়িত্ব, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সবকিছু মাথায় ঢুকিয়ে দিতে পারেন না। তিনি পারেন শিক্ষার্থীদের মনে শেখার ও জানার আগ্রহ সৃষ্টি করতে। যে শিক্ষক এই আগ্রহের চেতনা জাগিয়ে দিতে পারেন, তিনিই প্রকৃত শিক্ষক, গুণী শিক্ষক। শিক্ষাবিদরা বলেন, শিক্ষকদের রাঁধুনি গুণ থাকতে হয়। ঘরে রান্না করার মতো সামগ্রী নেই, অথচ অতিথি এসেছেন। অতিথিকে কীভাবে আপ্যায়ন করা হবে, সেটাই বড় চিন্তার বিষয়। এমন অবস্থায় অতিথিকে আপ্যায়িত করার জন্য যে রাঁধুনি কিছুমিছু রেঁধে ফেলতে পারে এবং তা সুস্বাদুও হয়, সেই রাঁধুনিই গুণী রাঁধুনি। তেমনই শিক্ষা উপকরণের অভাব সত্ত্বেও যে শিক্ষক শিক্ষার্থীর জ্ঞানের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন, তিনিই প্রকৃত শিক্ষক।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে আমার স্মৃতিপটে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত গুণী শিক্ষকদের ছবি ভেসে ওঠে। তারা যখন বেঁচে ছিলেন, তখন পথিমধ্যে তাদের দেখা পেলে পদধূলি নিয়েছি। আজ আর তাদের পদধূলি নেওয়ার সুযোগ নেই। তারা চলে গেছেন অনন্তলোকে। শুধু ভাবি, সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক ইচ্ছায় তারা যদি আবার ফিরে আসতেন, তাহলে ভক্তিভরে তাদের পদধূলি নিতাম। হায়! তারা আর ফিরে আসবেন না।

আমার বক্তব্যে রবীন্দ্রনাথের লেখা ‘জনৈক অধ্যাপককে পত্রটি’ (২৮ ভাদ্র ১৩৩৫/১৯২৮) পাঠ করেছিলাম। এই পত্রটি বিশ্ব ভারতী পত্রিকায় ১৩৪৯ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণে মুদ্রিত হয়েছিল। কবি লিখেছেন, ‘...শিক্ষা বলতে কী বোঝায়? প্রাণকে সম্পূর্ণ জাগানো। প্রাণ বলতেই বোঝায়, সত্য আগ্রহের লক্ষ্য ধরে নিরন্তর এগোনো। আমাদের দেশে মানুষ আগ্রহহীন-মানুষের প্রতি তাদের আগ্রহ নেই, জ্ঞানের প্রতিও।...শিশুকাল থেকে ছেলেদের মনে আমরা শিক্ষণীয় বিষয় ভারী করে চালাই, তাতেই শিক্ষার আগ্রহ মারা পড়ে, অর্থাৎ চিত্তকে আমরা বইয়ের শেলফের মতো দেখি, প্রাণবান জিনিসের মতো দেখি না। আমাদের দেশে সবচেয়ে দরকার শিশুকাল থেকেই আমাদের ছেলেমেয়েদের মনে আগ্রহ জাগিয়ে দেওয়া-চারদিকে যা কিছু আছে, সবকিছুতেই তাদের আগ্রহ জাগানো চাই-বিচিত্র বিষয়ে-কেননা মনের খোরাক দেহের খোরাকের মতোই বিচিত্র। আমাদের শিক্ষকদের নিজেরই মনে চারদিকের প্রতি, ছাত্রদের প্রতি আগ্রহ নেই বলেই তারা শুধু মরা মন হয়। সে মন অকর্মকভাবে বস্তু ধারণ করতেই পারে, কিন্তু রূপ সৃষ্টি করতে পারে না। তারা বীজের বস্তার মতো, বীজকে ফলানো তাদের কর্ম নয়-কারণ বীজের প্রতি তাদের প্রাণগত আগ্রহই নেই। যে শিক্ষক যে বিষয়টি সর্বদাই নিজে পড়ে না, অন্যকে পড়ায়, তার শিক্ষকতার অধিকার নেই। যাই হোক আমার পণ এই যে, এখনকার ছাত্রদের শুধু বিদ্বান করা নয়, আগ্রহবান করা। জীবনের প্রতি, জগজের প্রতি অন্তহীন ঔৎসুক্য যেন থাকে। তাহলেই তারা বেঁচে আছে বলে জানব।’

আমি সৌভাগ্যবান। প্রাথমিক থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ের শিক্ষকরা আমাকে জ্ঞান অন্বেষণে আগ্রহবান করে তুলতে পেরেছিলেন। আমার আত্মার সলতেটিকে জ্বালিয়ে দিয়ে যে চেতনার উদ্বোধন করেছিলেন আমার শিক্ষকরা, সে কারণেই আমি আজকের আমি হতে পেরিছি, তা যৎসামান্য হোক না কেন। এজন্য আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করি আমার প্রাথমিকের শিক্ষক মজিদ পণ্ডিত, বেনু বাবু, আবদুর রশিদ স্যারের প্রতি। আমার মাধ্যমিকের শিক্ষক যজ্ঞেশ্বর বাবু, নূর আহমদ খান, ক্যাপ্টেন আবদুর রহমান, জয়নুল আবেদীন, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এবং মোহাম্মদ আলীর কথা স্মরণ করে আবারও মনে হয়, তারা আমাকে জ্ঞানের প্রতি আগ্রহী করে তুলেছিলেন। ঢাকা কলেজে পেয়েছিলাম প্রফেসর নোমান, আবু রূশদ্ মতিন উদ্দিন, কবি ও ড. আশরাফ সিদ্দিকী, সব্যসাচী লেখক শওকত ওসমান, প্রিন্সিপাল জালাল উদ্দিন, দর্শনের শিক্ষক আবদুল ওয়াহাব, ভূগোলের শিক্ষক প্রফেসর এম আই চৌধুরী ও প্রফেসর ওবায়দুল হক এবং অর্থনীতির শিক্ষক আওলাদ হোসেন বিশ্বাস, গোলাম রহমান এবং এজেডএম শামসুল আলম। জীবনে আর যে কটা দিন পাব, তাদের আমি শ্রদ্ধা ও স্মরণ করে যাব, তারা আমাকে একজন উৎসুক জ্ঞান অন্বেষণকারীতে পরিণত করতে পেরেছিলেন। যার ফলে আমি পাঠ্যবইয়ের বাইরে গ্রন্থাগারে গিয়ে অনেক রেফারেন্স বই পড়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে আমার সময়ে ছিলেন তিনজন হার্বার্ডখ্যাত অধ্যাপক-ড. নুরুল ইসলাম, ড. আবু মাহমুদ, ড. আনিসুর রহমান এবং শিকাগোখ্যাত ড. মোজাফফর আহমদ। এছাড়া ছিলেন রেহমান সোহবান। এরা তাদের সাধ্যমতো আমাদের অর্থনীতির জ্ঞান দিয়েছেন। এর পাশাপাশি শিখিয়েছেন সক্রেটিসের ভাষায় ‘An unexamined life is not worth living.’ এ কারণেই জীবনভর নিজের প্রতি, কাজের ব্যাপারে অন্তরলোকে প্রশ্ন তুলেছি, কী করছি, কী করা উচিত এবং কী করা উচিত নয়। এসব শিক্ষকের মধ্যে শুধু প্রফেসর রেহমান সোবহানই এখনো বেঁচে আছেন। আমেরিকার বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর গুস্তাফ এফ পাপানেক, রাজন স্টাইল রোডান এবং পেট্রিশিয়া জুলিয়ান হার্টকে আজো ভুলিনি। প্রফেসর লীরয় জোন্সকেও ভুলবার নয়। দিল্লির জওহরাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার পিএইচডি সুপারভাইজার পরলোকগত প্রফেসর কৃষ্ণা ভরদ্দাজকে স্মরণে রাখব তার মনন মেধা ও সাবলীল চিন্তারাশির জন্য। তিনিও বলতেন, কোনো কিছু প্রশ্ন না করে গ্রহণ করা যাবে না। তিনি ছিলেন জগৎবিখ্যাত ক্লাসিক্যাল পলিটিক্যাল ইকোনমিস্ট। এক জীবনে এতসব মহৎ শিক্ষকের সংস্পর্শে আসা যে কত বড় সৌভাগ্য, তা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। পরিবারের মধ্যে আমার শিক্ষাবিদ পিতা মরহুম হাবিব উল্লাহ ছিলেন আমার সর্বক্ষণের শিক্ষক।

এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বাংলাদেশ সরকার ১০২ জন গুণী শিক্ষককে একটি মেডেল, একটি সার্টিফিকেট ও দুই লাখ টাকার চেক দিয়ে সম্মাননা জানিয়েছে। সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষকের সংখ্যা ১২ জন থেকে ১০২ জনে উন্নীত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধন্যবাদার্হ হবেন। সেসঙ্গে বলব, আমি যখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তাম, তখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা খুবই জীর্ণশীর্ণ জীবনযাপন করতেন। কবি আশরাফ সিদ্দিকীর ভাষায় বলতে হয়,

আমি যেন সেই হতভাগ্য বাতিওয়ালা

আলো দিয়ে বেড়াই পথে পথে কিন্তু

নিজের জীবনই অন্ধকারমালা।

মানিক বাবু! অনেক বই পড়েছি আপনার

পদ্মানদীর মাঝির ব্যথায় আমিও কেঁদেছি

বহুবার।

খোদার কাছে মুনাজাত করি; তিনি

আপনাকে দীর্ঘজীবী করুন

আমার অনুরোধ : আপনি আরও একটি বই লিখুন আপনার সমস্ত দরদ দিয়ে তাকে তুলে ধরুন আ-র, আমাকেই তার নায়ক করুন!

এখন প্রাথমিক শিক্ষকদের মনে কাজ করছে এক হীনম্মন্যতাবোধ, যদিও তারা আগের মতো দরিদ্র নন। রবীন্দ্রনাথ কথিত শিক্ষকদের মধ্যে ‘মরা মন ভাব’ আজও ব্যাপকভাবে বিদ্যমান। শিক্ষকদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং ‘মরা মন ভাব’ দূর করতে হবে। তাহলেই শুধু বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন অর্থবহ হয়ে উঠবে।

ড. মাহবুব উল্লাহ : জাতীয় অধ্যাপক, অর্থনীতিবিদ

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

শতফুল ফুটতে দাও বিশ্ব শিক্ষক দিবস ও আমার গুণী শিক্ষকরা

বিশ্ব শিক্ষক দিবস ও আমার গুণী শিক্ষকরা

বিমানবন্দরে যাত্রী দুর্ভোগ : কার্যকর সমাধান চাই

বিমানবন্দরে যাত্রী দুর্ভোগ : কার্যকর সমাধান চাই

শিক্ষিত কর্মজীবী নারীর লুকানো সংগ্রামের অদৃশ্য শ্রম

শিক্ষিত কর্মজীবী নারীর লুকানো সংগ্রামের অদৃশ্য শ্রম

অন্যমত দেশের জ্বালানি খাত শক্তিশালী করতে হবে

দেশের জ্বালানি খাত শক্তিশালী করতে হবে

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম