গুম বন্ধে প্রস্তাবিত আইন যথেষ্ট নয়
Advertisement
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
গুম হচ্ছে পৃথিবীর নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর একটি। এটি সম্প্রতি তৈরি হয়েছে। এর আগে গুম জিনিসটাকে অপরাধ হিসাবে এভাবে বাংলাদেশে অথবা আন্তর্জাতিক আইনে সেভাবে সংজ্ঞায়িত ছিল না। আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের (আইসিসি) ‘রোম সনদ’ অনুযায়ী, গুমকে আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের সাধারণ কোনো আইনে গুমকে অপরাধ হিসাবে সেভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, নতুন প্রস্তাবিত গুম প্রতিরোধ এবং প্রতিকার আইনটি ছাড়া। পরে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, যেখানে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার হয়, সেখানে মানবতাবিরোধী অপরাধের যে দীর্ঘ তালিকা আছে, তার মধ্যে গুমকে একটা অপরাধ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এ অপরাধটা বাংলাদেশে ঘটেছে বিস্তৃত ও সুসংবদ্ধভাবে। অর্থাৎ বিগত স্বৈরাশাসক রাষ্ট্রীয় পলিসির অংশ হিসাবে গুমকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করা এবং ভিন্ন মতকে নিস্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করেছে এবং সেটা হয়েছে ব্যাপকভাবে। আর তা করার জন্য রাষ্ট্রীয় বিশেষ কয়েকটি বাহিনীকে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং একটা সুসংবদ্ধ পদ্ধতিতে তা হয়েছে।
গুমকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করার জন্য তারা প্রথমত একটা পরিকল্পনা করেছিল। এর সঙ্গে ওই সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং জড়িত ছিলেন। তিনি তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকের মাধ্যমে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন। মূলত র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), ডিজিএফআই-এ দুটো বাহিনীকে দিয়ে প্রথমে কাজটি শুরু করা হয়। এ কাজে প্রথমদিকে গোপন বন্দিশালায় কিছুদিন আটক রেখে তারপর ছেড়ে দেওয়া বা এরকম কিছু করা হতো। কিন্তু একটা পর্যায়ে গোপন বন্দিশালার ধারণাটি আরও পরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধভাবে ব্যবহার করার বিষয়টি করায়ত্ত করা হয়। আমরা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন মামলায় তদন্ত রিপোর্ট থেকে বিষয়টি জেনেছি। বিভিন্ন গুমের দায়ে যেসব অভিযুক্ত আসামি ছিল, তাদের জবানবন্দি থেকে আমরা যেটা পেয়েছি যে, এ ধারণাটা তারা নিয়েছেন ইসরাইলের কাছ থেকে, যারা ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী জনগণকে ধরে নিয়ে গিয়ে কোনো রকমের চিহ্ন রাখত না। বহু বছর পরে হয়তো কাউকে ফেরত দিত বা কাউকে বিভিন্ন মামলায় দেখা যেত বা বিভিন্ন সময় তাদের পাওয়াও যেত। ভারতেও কাশ্মীরি স্বাধীনতাকামীদের নিশ্চিহ্ন করার জন্য গুমকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে। আমরা জানতে পেরেছি, বাংলাদেশের র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন অথবা র্যাবের গোয়েন্দা ইউনিট তথা র্যাব ইন্টেলিজেন্স উইং এ প্রশিক্ষণ নিয়েছে ভারতের বিভিন্ন স্থানে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে। আর এসব বাহিনীর সদস্যরা ইসরাইল ও ভারতীয় বাহিনীর পদ্ধতি অনুসরণ করে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের গুম করে একই রকমভাবে গোপন কারাগারে আটকে রাখার ব্যাপারে সেখান থেকে প্রশিক্ষিত হন। গুমের শিকারকে অমানবিক নির্যাতনের ধারণাটিও আমাদের অফিসাররা ইসরাইল এবং ভারতের কাছ থেকেই প্রশিক্ষিত হয়েছে। পরে তারা নিজেরাই এটাকে একটা শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল।
কীভাবে করা হতো গুম? গুমের টার্গেট ব্যক্তিকে প্রথমে কোনো একটা জায়গা থেকে কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে অপহরণ করে ফেলা হতো। অর্থাৎ আপনি হয়তো কোনো বাজারের সামনে অথবা শপিংমলের সামনে অথবা আপনার বাসার সামনে অথবা অফিস থেকে নেমেছেন, সেখান থেকে ওঠিয়ে নেওয়া হতো। তারা প্রথমত প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ট্র্যাকিংটা করত, নজরদারির মধ্যে রাখত দীর্ঘ সময়। এ কাজের জন্য তারা রাষ্ট্রীয় আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করেছে। এ প্রতিষ্ঠানের নাম হচ্ছে এনটিএমসি বা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার। এর মাধ্যমে তারা ভিকটিমের (তাদের ভাষ্য সম্ভাব্য সাবজেক্ট) অবস্থান শনাক্ত করত, দীর্ঘদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করত এবং যে মুহূর্তে তাকে অপহরণ করত, সে সময়টা তারা নির্ধারণ করে সঠিক অবস্থানে পৌঁছে যেত।
নিখুঁত পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি থাকার কারণে গাড়ি থেকে বা বাসা থেকে নামার পর চোখের পলকে কয়েক ব্যক্তি তাকে ধরে মাইক্রোবাসে তুলে ফেলতে বা গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যেতে পারত। এ প্রক্রিয়াটা এমনভাবে ঘটত, কেউ বুঝতেই পারত না লোকটাকে আসলে অপহরণ করা হলো। হয়তো ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলতে বলতেই এমনভাবে তুলে ফেলা হয়েছে, কেউ বোঝার আগেই ভিকটিমকে নম্বরবিহীন মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যাওয়া হয়ে গেছে। নিয়ে যাওয়ার পরে প্রথমে গাড়িতেই টর্চার শুরু হয়ে যেত। কখনো গাড়িতে ইনজেকশন পুশ করে মেরে ফেলা হতো। আবার কখনো কখনো গাড়ির মধ্যে নৃশংসভাবে হাতুড়ি দিয়ে মাথার মগজ বের করে মেরে ফেলার কাজ করা হতো।
মেরে ফেলা হলে কোনো একটা গোপন জায়গায় নিয়ে লাশকে ডিসপোজাল করে নদ-নদী, খাল-বিলে পেট চিরে ইটের বস্তা বেঁধে ফেলে দেওয়া হতো। আবার যারা জীবিত থাকত, তাদের কোনো গোপন কারাগারে রাখা হতো। সেটি হতো কোনো ডিজিএফআই সেল কিংবা র্যাবের আয়নাঘর বা সারা দেশে সৃষ্ট আয়নাঘর। সেখানে তাদের মাসের পর মাস, দিনের পর দিন, বছরের পর বছর আটকে রাখা হতো। একপর্যায়ে যদি তারা মনে করত বা তাদের ইচ্ছা হতো, একে মেরে ফেলা দরকার, তখন সেখান থেকে বের করে তাকে কোনো একটা এলাকায় বিশেষ করে বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট অঞ্চল কিংবা ঢাকামুখী মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গোপনে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হতো। এরপর পেট চিরে লাশগুলোকে নদীতে অথবা সমুদ্রে ফেলে দিত তারা।
পুরো ব্যবস্থাটির পরিকল্পনা করা, নজরদারি থেকে শুরু করে তুলে নেওয়া, তারপর গোপন বন্দিশালায় আটক করা, সেখানে নির্যাতন করা, পরে তাদের হত্যা করে লাশ ডিসপোজাল করে দেওয়া-এই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে কয়েকটি বাহিনী একসঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করত। কোনো বাহিনী গ্রেফতার করার পরে কোনো ভিকটিমকে যদি কখনো মনে করত, তারা তাকে মামলা দিয়ে আদালতে হাজির করবে, সে ক্ষেত্রে তারা আরেক ধরনের কাজ করত। তারা একই ধরনের মামলা অর্থাৎ জঙ্গি মামলা কিংবা অস্ত্র মামলা, বিস্ফোরক মামলা অথবা সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হঠাৎ করে একটা জায়গায় তাকে ফেলে দিয়ে বলত, এখান থেকে তাকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সে নানা ধরনের জঙ্গিবাদী তৎপরতার সঙ্গে জড়িত। মোটা দাগে বলা যায়, গ্রেফতার হওয়া এ হাজার হাজার মানুষকে তারা পরে আদালতে হাজির করেছে দীর্ঘদিন পরে, সে ক্ষেত্রে সাধারণ একটা ধারার মধ্য দিয়ে, একটা আইনের মধ্য দিয়েই তাদের মামলার প্রক্রিয়ার মধ্যে যুক্ত করেছে।
একটা প্যাটার্নের মাধ্যমে অর্থাৎ কমান্ড স্ট্রাকচারের নিচের দিকে এসে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের ইন্টেলিজেন্স উইং থেকে ফিল্ড পর্যায়ের এক্সিকিউশন পর্যন্ত গুমের পুরো প্রক্রিয়াটা তারা পরিকল্পিতভাবে শেষ করত। এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এর বিচার হচ্ছে। কারণ এ অপরাধকে যেহেতু আন্তর্জাতিক আইনের অপরাধ, বাংলাদেশের নিজস্ব আইনের নয় এবং এ অপরাধের প্রকৃতি যেহেতু বিস্তৃত ও সুসংবদ্ধ, সে কারণে এটি আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার হচ্ছে।
এর বাইরে বিচ্ছিন্ন কিছু গুম হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িতরা ব্যক্তিগত কোনো প্রয়োজন মাঝে-মধ্যে কোনো কোনো ব্যক্তিকে উঠিয়ে নিয়ে গুম করেছে, হত্যা করেছে। সেটিকে বিস্তৃত, সুসংবদ্ধ হিসাবে চিহ্নিত না করে সাধারণ আইনে বিচার করার জন্যই বাংলাদেশে আইন করতে হচ্ছে। অর্থাৎ যদি কোনো গুম সুসংবদ্ধ পদ্ধতিতে হয় অথবা বিস্তৃত হয়, সে ক্ষেত্রে বিচারের জন্য তা চলে যাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। কিন্তু বিক্ষিপ্ত-বিচ্ছিন্নভাবে যদি ব্যক্তিগত পর্যায়ে শত্রুতার কারণে গুম হলে সেটির বিচার নতুন আইনে হবে। এমন কোনো আইন এতদিন বাংলাদেশে না থাকার কারণেই প্রস্তাবিত আইনটি মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে, যা পার্লামেন্টে উত্থাপিত হয়েছে।
কিন্তু এ প্রস্তাবিত আইনের বেশকিছু ত্রুটি আছে। মোটা দাগে বলা যায়, বিএনপি সরকারের প্রস্তাবিত আইনটি অসম্ভব খারাপ হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করা আইনে গুমের তদন্ত করার ক্ষমতা ছিল মানবাধিকার কমিশনের; কিন্তু বর্তমান আইনে, যদি ধরুন পুলিশ গুম করে, তাহলে তদন্তের জন্য পুলিশকেই অনুরোধ করতে হবে এবং পুলিশ তদন্ত করে রিপোর্ট দেবে। ডিজিএফআই করলে ডিজিএফআই রিপোর্ট দেবে, র্যাব করলে র্যাব রিপোর্ট দেবে। অতীতের অভিজ্ঞতা বলে, এ বাহিনীগুলোর যারা অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল, তারা নানা ভাবে প্রমাণগুলো বিনষ্ট করার চেষ্টা করেছে। আয়নাঘরগুলোর আলামত ধ্বংস করে দিয়েছে, অপরাধীদের বাঁচানোর জন্য নানা কাহিনি তৈরি করেছে। সুতরাং ন্যায়বিচার কখনোই নিশ্চিত হবে না, যদি যে বাহিনী অপরাধ করেছে, তাদের হাতেই তদন্তের কাজটি দেওয়া হয়। সেজন্য বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মীরা বা আমরা যারা আছি, ভিকটিম পরিবারসহ সচেতন মহল সবাই মনে করছে, এ তদন্তের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে দেওয়া হলে, সেই অপরাধের কোনো প্রমাণই থাকবে না এবং কখনো অপরাধীদের বিচার করা সম্ভব হবে না।
তাছাড়া, এর সঙ্গে একটা ধারা যুক্ত করা হয়েছে, যদি কোনো ভিকটিম পরিবার অভিযোগ করে এবং সেটা যদি তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তাহলে যিনি অভিযোগ করবেন, তাকেই পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এটি অভিযোগ করার ক্ষেত্রে ভিকটিম পরিবারকে আরও নিরুৎসাহিত করবে। মানুষ প্রতিকার চাইতে আসবে না। কারণ, পুলিশের বিরুদ্ধে যদি আমি গুমের অভিযোগ করি, এক সময় পুলিশ বাঁচার জন্যই সে তদন্ত করে বলবে, এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। তখন বিচার তো আমি পাবই না, উলটো পরিবারগুলো পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের ঝুঁকিতে থাকবে। এটা অসম্ভব কঠোর একটি আইন হয়েছে এবং এ আইন কোনো অবস্থাতেই সমর্থনযোগ্য নয়।
বাংলাদেশে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে যাতে গুম কখনো না হয়, সেটার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যেভাবে তদন্তের দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়েছিল, সেভাবেই একটা তৃতীয় কোনো সংস্থার কাছে তদন্তের দায়িত্ব না দিলে বাংলাদেশে গুমের সংস্কৃতি আবার ফেরত আসতে পারে; যা এই জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত হবে।
আজকে এ গুম দিবস বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। কারণ এ অপরাধ নতুনভাবে বিশ্বব্যাপী আবার দেখতে পাচ্ছি আমরা। চিলি, আর্জেন্টিনা, ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে ‘ডার্টি ওয়ার’ বা ‘অপারেশন কন্ডোর’ নামে ব্যাপকভাবে গুম হয়েছিল, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। ঠিক সেই জিনিসই আমরা ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বাংলাদেশে সংঘটিত হতে দেখেছি।
এ অপসংস্কৃতি বাংলাদেশে আর কখনো ফিরে না আসুক, আমরা সবাই তা চাই। আমরা এই দেশকে নিরাপদ রাখতে চাই। এ কারণেই একটা আইনি পরিকাঠামো থাকতে হবে, যাতে এই ধরনের ঘটনা ঘটারই কোনো সুযোগ যাতে না থাকে। প্রস্তাবিত যে আইনটি আছে, সেটা সেই চাহিদা পূরণ করতে কোনোভাবেই সক্ষম হবে না। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ করব, তারা যেন এ আইনটি পুনর্বিবেচনা করেন এবং এমনভাবে আইনটা তৈরি করেন, যাতে অপরাধী যারা, তাদের কাছেই তদন্তের দায়িত্বটা না পড়ে এবং এর মাধ্যমে অপরাধটা এ সমাজ থেকে চিরতরে নির্মূল হয়।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম : জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট; সাবেক চিফ প্রসিকিউটর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
