গরমে সিদ্ধ হয়ে উপকূলেই মারা গেল ৫ লাখ ঝিনুক
jugantor
গরমে সিদ্ধ হয়ে উপকূলেই মারা গেল ৫ লাখ ঝিনুক

  লাইফস্টাইল ডেস্ক  

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:৪১:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে বিশ্বব্যাপী। কোথাও হাড় কাঁপানো শীত আর কোথায় গরমে সিদ্ধ হয়ে যাওয়ার জো। 

নিউজিল্যান্ডের উপকূলীয় অঞ্চলে মারা গেছে লক্ষাধিক ঝিনুক। আরও বহু জীববৈচিত্র্য সিদ্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। অস্বচ্ছ পানিতে প্রাকৃতিকভাবে গরমে সিদ্ধ হয়ে মারা গেছে প্রায় পাঁচ লাখ ঝিনুক। আর এর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করছেন সামুদ্রিক বিশেষজ্ঞরা।

মৃত ওইসব ঝিনুককে নিউজিল্যান্ডের উত্তরের দ্বীপ মাউনগানুই ব্লাফ উপকূলে পাওয়া গেছে। এগুলো ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন অকল্যান্ডের বাসিন্দা ম্যান ব্র্যানডন। 

ব্র্যানডন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত ঝিনুকের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন। ভিডিওতে ব্র্যানডন জানান, গরমে সিদ্ধ হয়ে এসব ঝিনুক মারা গেছে।

এই মৃত্যুর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করেছে নিউজিল্যান্ডের ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক বাস্তু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্রিস বাটারসিহিল। তিনি বলেন, ঝিনুকের অস্বাভাবিক মৃত্যু এবারই প্রথম নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা বিপুল টুয়াটুয়া ককলস ও ক্লামস (এক ধরনের ঝিনুক) মরে যেতে দেখেছি।

পানিতে কীভাবে এত সংখ্যক শামুকের মৃত্যু হলো তা অনুসন্ধানে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। শেগল, পলি– এমনকি ভারী ধাতবগুলোকে ফিল্টার করার দক্ষতার জন্য ঝিনুক নদীগুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অধ্যাপক ক্রিস বাটারসিহিল এএফপিকে জানান, অত্যধিক গরম ও স্থায়ী পানিতে অক্সিজেনের অভাবে শামুক-ঝিনুকগুলো মারা যাচ্ছে।

অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু জেফস জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আরও বেশি জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দিনে দিনে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে তাদের সংখ্যা কমে যাবে।

গরমে সিদ্ধ হয়ে উপকূলেই মারা গেল ৫ লাখ ঝিনুক

 লাইফস্টাইল ডেস্ক 
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে বিশ্বব্যাপী। কোথাও হাড় কাঁপানো শীত আর কোথায় গরমে সিদ্ধ হয়ে যাওয়ার জো।

নিউজিল্যান্ডের উপকূলীয় অঞ্চলে মারা গেছে লক্ষাধিক ঝিনুক। আরও বহু জীববৈচিত্র্য সিদ্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। অস্বচ্ছ পানিতে প্রাকৃতিকভাবে গরমে সিদ্ধ হয়ে মারা গেছে প্রায় পাঁচ লাখ ঝিনুক। আর এর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করছেন সামুদ্রিক বিশেষজ্ঞরা।

মৃত ওইসব ঝিনুককে নিউজিল্যান্ডের উত্তরের দ্বীপ মাউনগানুই ব্লাফ উপকূলে পাওয়া গেছে। এগুলো ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন অকল্যান্ডের বাসিন্দা ম্যান ব্র্যানডন।

ব্র্যানডন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত ঝিনুকের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন। ভিডিওতে ব্র্যানডন জানান, গরমে সিদ্ধ হয়ে এসব ঝিনুক মারা গেছে।

এই মৃত্যুর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করেছে নিউজিল্যান্ডের ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক বাস্তু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্রিস বাটারসিহিল। তিনি বলেন, ঝিনুকের অস্বাভাবিক মৃত্যু এবারই প্রথম নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা বিপুল টুয়াটুয়া ককলস ও ক্লামস (এক ধরনের ঝিনুক) মরে যেতে দেখেছি।

পানিতে কীভাবে এত সংখ্যক শামুকের মৃত্যু হলো তা অনুসন্ধানে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। শেগল, পলি– এমনকি ভারী ধাতবগুলোকে ফিল্টার করার দক্ষতার জন্য ঝিনুক নদীগুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অধ্যাপক ক্রিস বাটারসিহিল এএফপিকে জানান, অত্যধিক গরম ও স্থায়ী পানিতে অক্সিজেনের অভাবে শামুক-ঝিনুকগুলো মারা যাচ্ছে।

অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু জেফস জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আরও বেশি জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দিনে দিনে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে তাদের সংখ্যা কমে যাবে।