আমরা জিডিপি খুঁজি আর ভুটান খোঁজে সুখ
jugantor
আমরা জিডিপি খুঁজি আর ভুটান খোঁজে সুখ

  মাসুদ করিম  

১২ এপ্রিল ২০১৯, ২২:৪১:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

শিশুর অভ্যর্থনায় উচ্ছ্বসিত ভুটান প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। ছবি: যুগান্তর

ভুটান আমার প্রিয় দেশের তালিকায় অন্যতম। ২০১০ সালে ভুটানে সার্ক সম্মেলন কভার করতে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখলাম, ভুটানের মানুষ খুবই অমায়িক। এতটা আন্তরিকতা, উষ্ণতা আর ভালবাসা কোনও দেশে সার্ক কভার করতে গিয়ে পাইনি। রাজার পদটা প্রধানমন্ত্রীর উপরে।

সেই হিসাবে রাজার কাছে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত করাই প্রটোকলে অনুমোদন করে । কিন্তু ভুটানের রাজা শেখ হাসিনার ছেলের মতোই । তাই তিনি ওই সময়ে হোটেলে গিয়ে শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেন।

ভুটানের রাজা বিয়ের পরে বাংলাদেশে হানিমুন করেছিলেন । শেখ হাসিনার পরিবার ও ভুটানের রাজ পরিবারের মধ্যে খুবই আন্তরিক একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে । মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ৬ ডিসেম্বর সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভুটান । আমরা যেমন জিডিপি খুঁজি, ভুটান খোঁজে সুখ, সেখানে তারা বলে গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস। আমার কাছে খুব মজা লাগল । পৃথিবীতে একটা দেশে ধুমপান নিষিদ্ধ আর সেই দেশটা হল ভুটান।

কানেকটিভিটির জন্য সব দেশ বিমসটেক মটরযান চুক্তি করতে চাইছে কিন্তু ভুটান বলছে তার পরিবেশ বিনষ্ট হবে। এই চুক্তি এখনই তারা সই করবে না । ভারতসহ অনেকেই চাপাচাপি করছে। বাংলাদেশও বলছে সই করার জন্য। কিন্তু আমি পরিবেশের প্রতি মায়া করে ভুটানের অবস্থানকে সমর্থন করি।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডাক্তার লোটে শেরিং আজ বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি আমার এলাকায় অবস্থিত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে লেখাপড়া করে ডাক্তার হয়েছেন। তাই তিনি এবারের সফরে সেখানে যাবেন। বিষয়টা আমার কাছে একটা বিশাল চমক।

তিনি আবার রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সুরের ধারার পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এতে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে নতুন মাত্রা যোগ হবে। আমি লোটে শেরিংয়ের বাংলাদেশে আগমনকে স্বাগত জানাচ্ছি । বাংলাদেশে তার ভ্রমন আনন্দময় হোক।

লেখক: চিফ রিপোর্টার, দৈনিক যুগান্তর

আমরা জিডিপি খুঁজি আর ভুটান খোঁজে সুখ

 মাসুদ করিম 
১২ এপ্রিল ২০১৯, ১০:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শিশুর অভ্যর্থনায় উচ্ছ্বসিত ভুটান প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। ছবি: যুগান্তর
শিশুর অভ্যর্থনায় উচ্ছ্বসিত ভুটান প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। ছবি: যুগান্তর

ভুটান আমার প্রিয় দেশের তালিকায় অন্যতম। ২০১০ সালে ভুটানে সার্ক সম্মেলন কভার করতে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখলাম, ভুটানের মানুষ খুবই অমায়িক। এতটা আন্তরিকতা, উষ্ণতা আর ভালবাসা কোনও দেশে সার্ক কভার করতে গিয়ে পাইনি। রাজার পদটা প্রধানমন্ত্রীর উপরে।

সেই হিসাবে রাজার কাছে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত করাই প্রটোকলে অনুমোদন করে । কিন্তু ভুটানের রাজা শেখ হাসিনার ছেলের মতোই । তাই তিনি ওই সময়ে হোটেলে গিয়ে শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেন।

ভুটানের রাজা বিয়ের পরে বাংলাদেশে হানিমুন করেছিলেন । শেখ হাসিনার পরিবার ও ভুটানের রাজ পরিবারের মধ্যে খুবই আন্তরিক একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে । মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ৬ ডিসেম্বর সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ভুটান । আমরা যেমন জিডিপি খুঁজি, ভুটান খোঁজে সুখ, সেখানে তারা বলে গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস। আমার কাছে খুব মজা লাগল । পৃথিবীতে একটা দেশে ধুমপান নিষিদ্ধ আর সেই দেশটা হল ভুটান।

কানেকটিভিটির জন্য সব দেশ বিমসটেক মটরযান চুক্তি করতে চাইছে কিন্তু ভুটান বলছে তার পরিবেশ বিনষ্ট হবে। এই চুক্তি এখনই তারা সই করবে না । ভারতসহ অনেকেই চাপাচাপি করছে। বাংলাদেশও বলছে সই করার জন্য। কিন্তু আমি পরিবেশের প্রতি মায়া করে ভুটানের অবস্থানকে সমর্থন করি।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডাক্তার লোটে শেরিং আজ বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি আমার এলাকায় অবস্থিত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে লেখাপড়া করে ডাক্তার হয়েছেন। তাই তিনি এবারের সফরে সেখানে যাবেন। বিষয়টা আমার কাছে একটা বিশাল চমক।

তিনি আবার রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সুরের ধারার পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এতে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে নতুন মাত্রা যোগ হবে। আমি লোটে শেরিংয়ের বাংলাদেশে আগমনকে স্বাগত জানাচ্ছি । বাংলাদেশে তার ভ্রমন আনন্দময় হোক।

লেখক: চিফ রিপোর্টার, দৈনিক যুগান্তর 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন