প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে: খন্দকার মারুফ
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
বক্তব্য রাখছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে টেকসই গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। অতীতে প্রতিষ্ঠিত বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং টেকসই উন্নয়ন—সবই বিএনপির অর্জন।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান সমৃদ্ধ দেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে তার ডায়নামিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ হবে স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত রাষ্ট্র, যা বিশ্ববাসী অবাক বিস্ময়ে দেখবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার নৈয়াইর ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বার্ষিক ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার মারুফ বলেন, দেশের প্রতিকূল ও ধ্বংসাত্মক অবস্থা থেকে প্রতিবারই উত্তরণ ঘটিয়েছে বিএনপি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার সরকার দেশে টেকসই উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুস্থ ধারার রাজনীতি, টেকসই উন্নয়ন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় দিনরাত কাজ করছেন। নতুন ধারার রাজনীতি ও সরকার পরিচালনায় বর্তমান বাংলাদেশে তারেক রহমানের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সূচিত সুস্থ ধারার রাজনীতিকে জনগণ বিপুল সমর্থন জানাচ্ছে। দেশকে এগিয়ে নিতে প্রতিহিংসার রাজনীতির পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর সূচিত সুস্থ ধারার উন্নয়নের রাজনীতি, আইনের শাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
খন্দকার মারুফ বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিট দখল ও রাহাজানি হয় না। লেখাপড়ার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে এবং শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন হয়। বিএনপি সরকার সব পাবলিক পরীক্ষা নকলমুক্ত করে শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিহাস গড়েছে।
তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষাঙ্গনে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং ঢালাওভাবে পাশের হার বাড়িয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমূলে ধ্বংস করেছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে তারা কাজ করেনি। ফ্যাসিস্ট সরকার ইচ্ছা করে শিক্ষাঙ্গনকে অশান্ত ও বিপর্যস্ত করেছে। কারণ দেশের মানুষ ভালো থাকুক—এটি শেখ হাসিনা কখনো চাননি।
তিনি আরও বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান সরকারের শিক্ষাঋণ এবং উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর এবং ছেলেদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
ড. খন্দকার মারুফ অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, আপনার স্কুল-কলেজপড়ুয়া সন্তান কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে—এ বিষয়ে তীক্ষ্ণ নজরদারি রাখতে হবে। গাফিলতির কারণে আপনি, দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুস সোবহান মিয়াজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাশেম, বিএনপি নেতা এম.এ. লতিফ ভূইয়া, নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, পিটার চৌধুরী, আরিফ মাহামুদ, চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ও প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস রহমান।
