যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশ
সেই আলমগীরের নেতৃত্বাধীন কৃষক দলের কমিটি বিলুপ্ত
Advertisement
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পদের জোরে বিগত আড়াই বছর ধরে পতেঙ্গায় বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে লিপ্ত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলমগীর। তার নেতৃত্বাধীন পুরো কমিটিই বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের দপ্তর সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটি বিলুপ্তির বিষয়টি জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, অনিবার্য কারণবশত জাতীয়তাবাদী কৃষক দল চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল বুধবার এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চিঠিতে ‘অনিবার্য করণবশত’ উল্লেখ করা হলেও মূলত উত্তর ও দক্ষিণ পতেঙ্গায় বিভিন্ন খাতে চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে আলমগীর ও তার নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যুগান্তরে তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশের পর কেন্দ্র থেকে এই কমিটি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তে দলের সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
তারা বলছেন, ২০২২ সালে কৃষক দল চট্টগ্রাম মহানগরের ৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। চার বছর ধরে সেই কমিটি আর পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি। এই অপূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতা হয়েই আলমগীর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে নগরীর উত্তর ও দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডে ঘাট দখল, চর দখল, হোটেল ব্যবসা দখল, অন্যের জমিতে সাইনবোর্ড ঝুঁলিয়ে চাঁদা আদায়সহ বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হন।
নিজের ভাই, অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের সমন্বয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাত থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করতে থাকেন। তার হাতে একপ্রকার জিম্মি ছিল পুরো পতেঙ্গা। তার এমন চাঁদাবাজিতে বিএনপি তথা সরকারের ভাবমূর্তিও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছিল। নগর বিএনপি এমনকি কেন্দ্রীয় নেতারা সাবধান করার পরও আলমগীর দিনে দিনে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেন। চাঁদার টাকায় রাতারাতি ‘আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ’ বনে যান।
এ নিয়ে বুধবার দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় ‘সবখাতে চাঁদাবাজি: কৃষকদলের আলমগীরে জিম্মি পতেঙ্গা’ এই শিরোনামে এবং অনলাইন ভার্সনে ‘চাঁদাবাজির ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’-কে এই কৃষক দল নেতা আলমগীর?’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

-6aa123251a468.jpg)