ওসমান হাদীর মৃত্যুতে চবি শিবিরের বিক্ষোভ
Advertisement
চবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:১৫ পিএম
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। পরে সোহরাওয়ার্দী হল ও আলাওল হল প্রদক্ষিণ করে দুই নম্বর গেটে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিল শেষ করেন নেতাকর্মীরা।
এ সময় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ‘ভারতের আগ্রাসন, রুখে দাও জনগণ’, ‘আওয়ামী লীগের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘লাল জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’, ‘আমরা সবাই হাদী হব, গুলির মুখে কথা কইব’—এ ধরনের স্লোগান দিতে শোনা যায়।
চবি
ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমরা
যুগে যুগে দেখেছি, ফ্যাসিবাদীরা
ও জুলুমবাজরা বিপ্লবীদের গুপ্তভাবে হত্যা করে। যারা ফ্যাসিবাদ,
জুলুম এবং সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদের
বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, তাদের হত্যার জন্য বারবার নীলনকশা
করা হয়েছে। হাদীকেও সেভাবেই হত্যা করা হয়েছে। জুলাই
আন্দোলনের পর অনেক জুলাই
যোদ্ধা নৈতিকতা বিসর্জন দিলেও আমাদের নেতা হাদী তার
নৈতিকতার সর্বোচ্চ অবস্থান ধরে রেখেছিলেন।’
সমাবেশে চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম রনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে অগ্রভাগে থেকে যারা কাজ করেছে, তাদের মধ্যে শরীফ ওসমান হাদী অন্যতম। মধ্যযুগীয় কায়দায় তার মাথায় গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এই ক্ষতি হয়তো বাংলাদেশ আর কখনো পূরণ করতে পারবে না। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে যারা কাজ করবে, তাদের পেছনে অনুপ্রেরণাদায়ী ভূমিকা পালন করবেন ওসমান হাদী। তার জনপ্রিয়তা যখন বুদ্ধিজীবী মহল থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে, তখন একটি পক্ষ তা মেনে নিতে পারেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী খুনি হাসিনা ও ভারতের যৌথ পরিকল্পনায় এবং যারা ভারতীয় আধিপত্য কায়েম করতে চায়, তাদের নীলনকশায় তাকে শহীদ করা হয়েছে। আমরা আহ্বান জানাতে চাই, সরকার যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মসনদে বসে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার তাদের নেই।
উল্লেখ্য,
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর
বিজয়নগর এলাকায় চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ওসমান হাদীকে
গুলি করা হয়। গুলিটি
তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের
পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে
উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে
করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া
হয়।

