দ্রুত অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে জকসুর মানববন্ধন
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম
দ্রুত অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে জকসুর মানববন্ধন। ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কেরানীগঞ্জে নির্মিতব্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের সাত একর জমিতে ২০২৬ সালের মধ্যে ১৬ শত শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত এবং বিশেষ বৃত্তির টাকা হস্তান্তরের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবন প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, অস্থায়ী আবাসনের বরাদ্দের টাকা নয়-ছয় করার জন্য ‘স্থায়ী আবাসন’ নাম দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন টেন্ডারবাজির পরিকল্পনা করছে। শিক্ষার্থীরা যেখানে পুরান ঢাকায় মেসে কষ্টে দিনাতিপাত করছে, সেখানে তাদেরকে বঞ্চিত করে এ ধরনের হীন পরিকল্পনা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এ বছরের মধ্যেই ১৬ শত শিক্ষার্থীর জন্য কেরানীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া তিনি শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে হস্তান্তরের দাবি জানান।
জকসুর এজিএস মাসুদ রানা বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে জবির সব আন্দোলনের সাধারণ একটি দাবি ছিল- দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর। শুধু প্রথম ধাপের কাজ নয়; বরং সামগ্রিক কাজ সেনাবাহিনীর হাতে অর্পণ করতে হবে। কেরানীগঞ্জে ১৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন বাস্তবায়নে টালবাহানা করে শিক্ষার্থীদেরকে বঞ্চিত করতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।
জকসু শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল বলেন, কেরানীগঞ্জে সাত একরে এ বছরের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। যেহেতু এই কাজ বাস্তবায়নের বাজেট চলে এসেছে, কাজ বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাধ্য। তারা যদি ব্যর্থ হয়, তালবাহানা শুরু করে, আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে এসব অধিকার আদায় করে ছাড়ব।
মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা ‘শিক্ষা-টেন্ডারবাজি, একসঙ্গে চলে না’, ‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে আবাসন, কবে দিবা প্রশাসন’, ‘এক দুই তিন চার, হল আমার অধিকার’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
এছাড়াও মানববন্ধনে বক্তারা গত ৪ আগস্ট ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, জকসু প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দের ওপর ছাত্রদলের হামলার বিচার না করায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান। মানববন্ধনে জকসু নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

