প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষকের পদায়নের নতুন তারিখ ঘোষণা
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’-এর আওতায় নবনিযুক্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষকের পদায়ন আবারও পেছানো হয়েছে। ১১ অক্টোবরের পরিবর্তে আগামী ১৮ অক্টোবর পদায়নের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
একই সঙ্গে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণের সময়ও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ চলবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১ অক্টোবর নবনিযুক্ত শিক্ষকরা নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। ৪ অক্টোবর তাদের পদায়নের কথা ছিল। তবে পরে তা পিছিয়ে ১১ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়। এবার দ্বিতীয় দফায় সময় বাড়িয়ে ১৮ অক্টোবর করা হলো।
গত ৪ অক্টোবর থেকে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের পাঁচ দিনব্যাপী পরিচিতিমূলক ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ শুরু হয়।
১৪ হাজার ৩৮৪ জন নিয়োগের সুপারিশ
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি প্রার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন।
২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।
এরপর নির্বাচিত প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ডোপ টেস্ট ও একাধিক ধাপে পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হয়। দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে গত ২৪ সেপ্টেম্বর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়গুলো নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে। তাদের ১ অক্টোবরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ায় তৈরি হয় অনিশ্চয়তা
চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও পুলিশ ভেরিফিকেশনে বেশ কয়েকজনের নাম বাদ পড়ায় নিয়োগপ্রার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এর প্রতিবাদে নিয়োগবঞ্চিত অনেক প্রার্থী আন্দোলনে নামেন।
পরবর্তী সময়ে নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের অধিকাংশই নিয়োগপত্র পান।
এদিকে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের পদায়নের তারিখ দ্বিতীয় দফায় পিছিয়ে ১৮ অক্টোবর নির্ধারণ করায় তাদের কর্মস্থলে যোগদানের অপেক্ষার সময় আরও বাড়ল।
