Logo
Logo
×

Advertisement

শিক্ষাঙ্গন

পুনঃপরীক্ষা নয়, প্রয়োজন শিখনঘাটতি পূরণের কার্যকর উদ্যোগ

Advertisement

Icon

মো. আব্দুর রাজ্জাক

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩১ পিএম

পুনঃপরীক্ষা নয়, প্রয়োজন শিখনঘাটতি পূরণের কার্যকর উদ্যোগ

সংগৃহীত

Advertisement

এসএসসির ফল প্রকাশের পর ছেলেটি অনেকক্ষণ বিদ্যালয়ের মাঠে বসে ছিল। বন্ধুরা কলেজে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে, অথচ তার সামনে যেন সব পথ বন্ধ। পরিবারের প্রত্যাশা, স্বজনদের প্রশ্ন আর ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা তাকে বিচলিত করে তুলেছে। বাড়ি ফিরে মা যখন জানতে চাইলেন, ‘এখন কী হবে?’ ছেলেটির কাছে কোনো উত্তর ছিল না।

কিন্তু রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্নটি আরও গুরুত্বপূর্ণ—অকৃতকার্য শিক্ষার্থীকে কি দ্রুত আবার পরীক্ষায় বসানো হবে, নাকি তার দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে? এটি শুধু পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণের প্রশ্ন নয়; বরং শিক্ষার উদ্দেশ্য, শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব নির্ধারণের প্রশ্ন।

শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ও পাবলিক পরীক্ষা শিক্ষাব্যবস্থার পরস্পরপরিপূরক দুটি অংশ। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের শেখান, অনুশীলনের সুযোগ দেন এবং ভুল সংশোধনে সহায়তা করেন। অন্যদিকে পাবলিক পরীক্ষা নির্ধারিত শিক্ষাস্তরের শেষে তাদের অর্জন ও পরবর্তী স্তরের জন্য প্রস্তুতি যাচাই করে।

পাবলিক পরীক্ষা প্রয়োজনীয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর অর্জন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা এবং সনদের গ্রহণযোগ্যতা মূল্যায়ন করা যায়। তবে পরীক্ষা শিক্ষার উদ্দেশ্য নয়; এটি শিক্ষার্থীর শিখন-অর্জন যাচাইয়ের একটি মাধ্যম। শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য হলো জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ, চিন্তাশক্তি ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা তৈরি করা।

অতএব, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া মানে শিক্ষার্থী নির্ধারিত মূল্যায়নমান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফল অর্জন করতে পারেনি। কিন্তু এ থেকে তাকে মেধাহীন কিংবা ভবিষ্যতে সফল হওয়ার অযোগ্য বলা যায় না। বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা, অনিয়মিত উপস্থিতি, পারিবারিক দারিদ্র্য, অসুস্থতা, পরীক্ষাভীতি কিংবা শিক্ষার অনুপযুক্ত পরিবেশ তার ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। আবার শিক্ষকস্বল্পতা, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ও পাঠদানের দুর্বলতাও বিবেচনার দাবি রাখে।

একজন শিক্ষার্থী একাধিক বিষয়ে দুর্বল হতে পারে, অন্য কেউ একটি বিষয়ে সামান্য নম্বরের জন্য অকৃতকার্য হতে পারে। সুতরাং সবার জন্য একই ব্যবস্থা কার্যকর হবে—এমন ধারণা যুক্তিসংগত নয়।

বিভিন্ন দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরুদ্ধারের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। কোথাও সম্পূরক পরীক্ষা, কোথাও অতিরিক্ত পাঠদান, আবার কোথাও নির্দিষ্ট কোর্স পুনরায় সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের (CBSE) ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট শর্তে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সম্পূরক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও স্কুল ডিস্ট্রিক্টে সামার স্কুল, অতিরিক্ত পাঠদান কিংবা প্রয়োজনীয় কোর্স পুনরায় সম্পন্ন করার ব্যবস্থা রয়েছে। কানাডার অন্টারিওতে ক্রেডিট পুনরুদ্ধার ও সামার স্কুলের মতো সুযোগও রয়েছে। ফ্রান্সের ব্যাকালরেয়া পরীক্ষায় নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী শিক্ষার্থীদের মৌখিক মূল্যায়নের মাধ্যমে ফল উন্নত করার সুযোগ দেওয়া হয়।

এসব ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য থাকলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় দিক রয়েছে: অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরুদ্ধারের সুযোগ তৈরি করা এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা নিশ্চিত করা—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো নয় বা তিন মাস পর পুনরায় পরীক্ষার আয়োজন সবকিছুর সমাধান নয়, শিক্ষার্থীর অসম্পূর্ণ শিখন-অর্জন পূরণ করাও শিক্ষাব্যবস্থার দায়িত্ব।

বাংলাদেশের বাস্তবতায় তাই অন্য দেশের কোনো একটি পদ্ধতি হুবহু অনুসরণ না করে তার কার্যকর উপাদানগুলো গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ধরা যাক, এসএসসির ফল প্রকাশের পর সরকার ঘোষণা করল, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা তিন মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষায় বসবে। এতে এক বছর অপেক্ষা করতে হবে না। শিক্ষার্থী ও পরিবারও দ্রুত অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা করবে।

কিন্তু এই তিন মাসে শিক্ষার্থীরা কী করবে? তাদের কি নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক ক্লাস হবে? দুর্বলতা শনাক্ত করে শিক্ষক কি প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবেন? নাকি শুধু পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করে নিজে নিজে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ছেড়ে দেওয়া হবে?

যে শিক্ষার্থী গণিতের বীজগণিত বোঝেনি, ইংরেজিতে বাক্য গঠনে দুর্বল কিংবা বিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা আয়ত্ত করতে পারেনি, তার সমস্যা শুধু নতুন পরীক্ষার তারিখ ঘোষণায় দূর হবে না। এর জন্য প্রয়োজন পরিকল্পিত পাঠদান, অনুশীলন এবং ধারাবাহিক মূল্যায়ন।

অবশ্য আগে থেকেই প্রস্তুত থাকা বা সামান্য নম্বরের জন্য অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে দ্রুত পুনঃপরীক্ষা কার্যকর হতে পারে। কিন্তু সবার শিখনঘাটতি এক রকম নয়। তাই পাঠদান ছাড়া পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করলে পাসের হার কতটা বাড়বে, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, ফল ভালো হলেও প্রকৃত দক্ষতা সমানভাবে বাড়বে কি না, তা বিবেচনা করা।

শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া এবং তাকে উত্তীর্ণ হওয়ার উপযুক্ত করে তোলা এক বিষয় নয়। পুনঃপরীক্ষার সুযোগ কার্যকর করতে প্রয়োজন পরিকল্পিত প্রতিকারমূলক শিক্ষা (Remedial Education)।

প্রথমে ফলাফল বিশ্লেষণ করে বিষয়ভিত্তিক শিখনঘাটতি শনাক্ত করতে হবে। এরপর ছোট দলে পাঠদান, দুর্বল অধ্যায়ে অতিরিক্ত অনুশীলন, নিয়মিত ছোট পরীক্ষা, শিক্ষকের ব্যক্তিগত পরামর্শ এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে ডিজিটাল উপকরণ, অনুশীলনপত্র ও সহপাঠীভিত্তিক শেখার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।

এ ক্ষেত্রে শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন শিক্ষার্থী কোন ধারণাটি বুঝতে পারেনি, তা শনাক্ত করে পাঠদান সাজাতে হবে। শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, অনুশীলন ও অগ্রগতির তথ্য সংরক্ষণ করলে তার জন্য পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়াও সহজ হবে।

তিন মাস সময়কে তাই কেবল পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় হিসেবে নয়, বরং নির্দিষ্ট শিখনঘাটতি পূরণের নিবিড় শিক্ষণকাল হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এক বছর অপেক্ষা করানোও সব ক্ষেত্রে কার্যকর সমাধান নয়। কোনো শিক্ষার্থী এক বা দুটি বিষয়ে দুর্বল হলেও অন্য বিষয়ে সন্তোষজনক ফল করলে তাকে সব বিষয়ে আবার পড়তে বাধ্য করা অপ্রয়োজনীয় হতে পারে। তার জন্য বিষয়ভিত্তিক পুনঃপরীক্ষা ও অতিরিক্ত ক্লাস যথেষ্ট হতে পারে।

অন্যদিকে, একাধিক বিষয়ে গভীর দুর্বলতা থাকলে কিংবা পরবর্তী শিক্ষাস্তরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি না থাকলে দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে পরবর্তী বছরের নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। তবে শুধু নতুন ব্যাচের সঙ্গে বসিয়ে দিলেই শিখনঘাটতি দূর হবে না; প্রয়োজন আলাদা শিখন-পরিকল্পনা ও নিয়মিত মূল্যায়ন।

আবার এক বছর অপেক্ষার কারণে হতাশা, আর্থিক সংকট কিংবা কর্মজীবনে প্রবেশের চাপে কেউ পড়াশোনা ছেড়ে দিতে পারে। তাই শিক্ষার্থীর প্রয়োজন, পারিবারিক অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষার সুযোগ বিবেচনায় নিতে হবে।

মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত কাউকে শাস্তি দেওয়া নয়, আবার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন না করেই পরবর্তী স্তরে পাঠানোও নয়। শিক্ষার্থীর শিখনঘাটতি অনুযায়ী দ্রুত সম্পূরক পরীক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদি পাঠদানের সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলাই অধিকতর যুক্তিসংগত।

মূলত: বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা

প্রথমত, ফল প্রকাশের পর বিষয়ভিত্তিক নম্বর ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের তথ্য বিশ্লেষণ করে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা শনাক্ত করতে হবে। যাদের শিখনঘাটতি সীমিত, তাদের পরিকল্পিত পাঠদান ও প্রস্তুতি যাচাইয়ের পর সম্পূরক পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। যাদের দুর্বলতা ব্যাপক, তাদের জন্য নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ সহায়তা ও পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

দ্বিতীয়ত, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে পাঠ্য উপকরণ, অতিরিক্ত ক্লাস, প্রয়োজনীয় যাতায়াত সহায়তা ও কাউন্সেলিং দিতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন শুধু দারিদ্র্য বা পারিবারিক সংকটের কারণে শিক্ষার বাইরে চলে না যায়।

তৃতীয়ত, শিক্ষকদের দায়িত্ব, পাঠপরিকল্পনা, উপস্থিতি, মূল্যায়ন ও প্রতিবেদন তৈরির বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় জনবল ও অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে, যাতে প্রতিকারমূলক শিক্ষা কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে।

চতুর্থত, কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মানসম্মত সুযোগ তৈরি করতে হবে। এগুলোকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য নিম্নমানের বিকল্প হিসেবে নয়, বরং মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাপথ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

পঞ্চমত, নির্বাচিত কিছু অঞ্চলে পরীক্ষামূলকভাবে কর্মসূচি চালু করে তার ফল মূল্যায়ন করা যেতে পারে। কতজন শিক্ষার্থী নিয়মিত অংশ নিল, কতজনের শিখনঘাটতি পূরণ হলো, কতজন পুনঃপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলো এবং পরবর্তী শিক্ষাস্তরে কতজন টিকে থাকল—এসব তথ্যের ভিত্তিতে কর্মসূচির কার্যকারিতা নির্ধারণ করে সফল উদ্যোগ সারা দেশে সম্প্রসারণ করা উচিত।

একজন শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয় সুযোগ দেওয়া মানবিকতা। কিন্তু শেখার সুযোগ না দিয়ে শুধু দ্বিতীয়বার পরীক্ষার হলে পাঠানো পূর্ণাঙ্গ শিক্ষানীতি হতে পারে কী? আবার প্রয়োজনীয় সহায়তা ছাড়া তাকে এক বছর পিছিয়ে দেওয়াও দূরদর্শী সমাধান হতে পারে না।

রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু পরীক্ষা আয়োজন করা নয়; শিক্ষার্থীর দুর্বলতা শনাক্ত করা, প্রয়োজনীয় পাঠদান নিশ্চিত করা এবং তার শিখনঘাটতি পূরণের বাস্তব সুযোগ তৈরি করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পাবলিক পরীক্ষা শিক্ষার মান যাচাই করবে, আর শিক্ষাব্যবস্থার মান প্রকাশ পাবে ব্যর্থতার পর একজন শিক্ষার্থীকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, তার মধ্য দিয়েও।

বাংলাদেশের শিক্ষানীতিতে পাবলিক পরীক্ষার নীতি, কৌশল ও লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু অকৃতকার্য শিক্ষার্থীকে দ্রুত পাস করানো নয়, বরং তাকে এমনভাবে শেখানো, যাতে সে পরবর্তী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পাশাপাশি জীবনের পরবর্তী ধাপের জন্যও জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে পারে। কারণ পরীক্ষায় পাস করা সাফল্যের একটি ধাপ; কিন্তু শেখার সক্ষমতা অর্জনই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ভিত্তি।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণে পাশ করা শিক্ষার্থীদের আবেদনের শেষ তারিখ কাল

এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণে পাশ করা শিক্ষার্থীদের আবেদনের শেষ তারিখ কাল

পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের আবেদন নিয়ে যে নতুন তথ্য দিল বোর্ড

পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের আবেদন নিয়ে যে নতুন তথ্য দিল বোর্ড

পুনর্নিরীক্ষণে কুমিল্লা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেলেন আরও ২০৭ জন, ফেল থেকে পাশ ৩৩৬

পুনর্নিরীক্ষণে কুমিল্লা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেলেন আরও ২০৭ জন, ফেল থেকে পাশ ৩৩৬

এসএসসির খাতা কি দ্বিতীয়বার মূল্যায়নের আবেদন করা যায়?

এসএসসির খাতা কি দ্বিতীয়বার মূল্যায়নের আবেদন করা যায়?

নতুন করে জিপিএ-৫ পেল ৭৫৩ শিক্ষার্থী

যশোর শিক্ষা বোর্ড নতুন করে জিপিএ-৫ পেল ৭৫৩ শিক্ষার্থী

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল আজ, জানা যাবে যে উপায়ে

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল আজ, জানা যাবে যে উপায়ে

আরও পড়ুন

কানাডার ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির সুযোগ, বছরে মিলবে ১৫ হাজার ডলার

কানাডার ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির সুযোগ, বছরে মিলবে ১৫ হাজার ডলার

উপাচার্যকে ভেতরে রেখেই চুয়েটের ভিসি ভবনে তালা

উপাচার্যকে ভেতরে রেখেই চুয়েটের ভিসি ভবনে তালা

পুনঃপরীক্ষা নয়, প্রয়োজন শিখনঘাটতি পূরণের কার্যকর উদ্যোগ

পুনঃপরীক্ষা নয়, প্রয়োজন শিখনঘাটতি পূরণের কার্যকর উদ্যোগ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় একই প্রশ্ন দুবার, যা বলছে কর্তৃপক্ষ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় একই প্রশ্ন দুবার, যা বলছে কর্তৃপক্ষ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম