শাহজালালে একদিনে ৬২৫ কার্টন সিগারেটসহ ২৮ লাখ টাকার পণ্য আটক
Advertisement
দক্ষিণখান (ঢাকা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২২ পিএম
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) বি ও সি-শিফটের পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট, হোয়াইটেনিং সিরাম, জর্দা ও বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে।
একদিনের এসব অভিযানে আটক পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৮ লাখ টাকা।
সিআইআইডি সূত্রে জানা গেছে, মহাপরিচালকের কাছে পাওয়া নির্ভরযোগ্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে বিশেষ নজরদারি চালানো হয়।
দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮৪ ফ্লাইটের যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি চালায় সিআইআইডির বি-শিফট। গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় যাত্রী মো. হিমেলের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ২৭০ কার্টন সিগারেট ও ১ দশমিক ২৪ কেজি হোয়াইটেনিং সিরাম উদ্ধার করা হয়।
একই ফ্লাইটের অপর যাত্রী শারমিন আক্তারের কাছ থেকেও আরও ২৭০ কার্টন সিগারেট আটক করা হয়।
বি-শিফটের অভিযানে সব মিলিয়ে ৫৪০ কার্টন সিগারেট ও ১ দশমিক ২৪ কেজি হোয়াইটেনিং সিরাম আটক করা হয়। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ২১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
অন্যদিকে, সিআইআইডির সি-শিফট দিল্লি থেকে আসা এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-২৩৭ ফ্লাইটে নজরদারি চালায়। রাত আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ফ্লাইটটি শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণের পর যাত্রী মহাথি হাসান বাবুর ব্যাগেজ তল্লাশি করে ৩১ কার্টন সিগারেট ও ১৩২ পিস হোয়াইটেনিং সিরাম আটক করা হয়।
একই ফ্লাইটের যাত্রী সোহদুল হাসান শাকিলের কাছ থেকে ৫৪ কার্টন সিগারেট, ১৪৪ পিস হোয়াইটেনিং সিরাম ও ৩ কেজি জর্দা উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া কাতার থেকে আসা কিউআর-৬৪০ ফ্লাইটের যাত্রী রফিকুল সারদারের ব্যাগ তল্লাশি করে ৩ লিটার বিদেশি মদ আটক করা হয়।
সিআইআইডির দেওয়া সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, সি-শিফটের অভিযানে মোট ৮৫ কার্টন সিগারেট, ২৭৬ পিস হোয়াইটেনিং সিরাম, ৫ কেজি জর্দা ও ৩ লিটার বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।
সিআইআইডির বি ও সি-শিফটের পৃথক অভিযানে একদিনে সব মিলিয়ে ৬২৫ কার্টন বিদেশি সিগারেট, হোয়াইটেনিং সিরাম, জর্দা ও বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে। আটক পণ্যের মোট আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৮ লাখ টাকা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে শাহজালাল বিমানবন্দরে গোয়েন্দা নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও শুল্ক ফাঁকির পণ্য আটক করা হচ্ছে।


