Logo
Logo
×
   

Advertisement

রাজধানী

দুই যুগ আগের মামলায় কারাগারে বৃদ্ধ নুর মোহাম্মদ

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

দুই যুগ আগের মামলায় কারাগারে বৃদ্ধ নুর মোহাম্মদ

নুর মোহাম্মদ হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

Advertisement

দুই যুগ আগে কিশোরগঞ্জের একটি দোকানে ডাকাতির সময় দুই ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া ১০৪ বছর বয়সি নুর মোহাম্মদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চতুর্থ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা ইয়াসমিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেছিলেন তিনি। তবে আদালত আবেদনটি নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান জানান, অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে নিজ খরচে পরিবহণে করে কারাগারে যাওয়ার আবেদন করেছিলেন নুর মোহাম্মদ। তবে আদালত সেই আবেদনও নামঞ্জুর করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে কিশোরগঞ্জের বড় বাজার এলাকায় ফেরদৌসের দোকানে ডাকাতি হয়। ডাকাতির সময় মোশাররফ হোসেন ও আবদুল কবিরকে হত্যা করা হয়। পরে দোকানের সিন্দুক থেকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতেরা। এ ঘটনায় ফেরদৌস কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কিশোরগঞ্জ থানার তৎকালীন এসআই আনোয়ার হোসেন। বিচার শেষে ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর চতুর্থ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল রায় দেন। রায়ে আটজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার বিচার চলাকালে হারিছ মিয়া নামে এক আসামির মৃত্যু হয়।

পরে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে ২০০৭ সালের ১৯ আগস্ট উচ্চ আদালত আসামিদের সাজা পুনর্নির্ধারণ করেন। এতে নুর মোহাম্মদের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার নুর মোহাম্মদের পক্ষে আইনজীবী ফয়সাল আহমেদ আদালতে জামিনের আবেদন করেন। তিনি বলেন, নুর মোহাম্মদের বয়স ১০৪ বছর। তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন না এবং নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন করেন। স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করায় আপিলের শর্তে তার জামিন প্রার্থনা করা হয়।

তবে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার নথি অনুযায়ী, নুর মোহাম্মদ হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। পরে আদালত থেকে জামিন নিয়ে তিনি পলাতক হন এবং রায় ঘোষণার সময়ও তিনি পলাতক ছিলেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম