Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

শীতে বিপর্যস্ত সৈয়দপুর, তাপমাত্রা নামল ৯ ডিগ্রিতে

Advertisement

Icon

সৈয়দপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫২ এএম

শীতে বিপর্যস্ত সৈয়দপুর, তাপমাত্রা নামল ৯ ডিগ্রিতে

শীত আর কুয়াশায় বিপর্যস্ত নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার মানুষ। ছবি: যুগান্তর

Advertisement

শীত আর কুয়াশায় বিপর্যস্ত নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার মানুষ। ঘন কুয়াশায় রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত সৈয়দপুর-ঢাকা সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকের খেতের ফসল নষ্ট হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টায় সৈয়দপুরের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

সৈয়দপুরে ঘন কুয়াশার কারণে মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছেন বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা। প্রায় প্রতিদিনই রাত থেকে দুপুর অথবা সারাদিন এভাবেই চলাচল করছে যানবাহন। কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল বাধার মুখে পড়েছে। 

বুধবার রাতে বাসে করে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে আসছিলেন মনোয়ার ইকবাল। ভোরে তিনি বলেন, রংপুর থেকে সৈয়দপুরের দিকে যতই এগোচ্ছি ততই শীত ও কুয়াশার তীব্রতা বাড়তে থাকে। গাইবান্ধা শহর অতিক্রম করার পর থেকেই হেডলাইটের আলো সামনের ২০ ফুট পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল না।

নাবিল পরিবহণের চালক আতাউর রহমান বলেন, অবস্থা এতটাই বেসামাল যে, আশপাশের কোনো গাড়ির হর্ন সামান্য শোনা গেলেও কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করতে হয়েছে। 

সৈয়দপুর বিমানবন্দর অফিস জানায়, ঘন কুয়াশার কারণে আকাশ থেকে নিচের কিছুই দেখা যায় না। এ কারণেই বিমান চলাচলে বাধার মুখে পড়ছে। কুয়াশা কেটে গেলেই বিমান চলাচল স্বাভাবিক হবে।

উপজেলার বোতলাগাড়ি ইউনিয়ন এর কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রচন্ড শীত আর হিমেল হাওয়ার কারনে বীজতলা, আলু, মরিচসহ শীতকালীন ফসলের ক্ষতির আশংকা করছি। একই কথা বলেছেন অন্যান্য ইউনিয়নের কৃষকরাও। 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভুষন বলেন, বীজতলা রাতের বেলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। ছত্রাক থেকে বাঁচতে জমিতে আইল বেঁধে পানি আটকে রেখে সকালে ছেড়ে দিতে হবে। ভালো ফলন পেতে কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বিভিন্ন ভিটামিন ছিটানোর পরামর্শ দেন তিনি।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টায় ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। আগামীতে তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই সবাইকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দেন তিনি।   

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম