কুয়াশার বন্দিদশা কাটিয়ে রোদের দেখা পেল ঠাকুরগাঁও
Advertisement
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৭ এএম
অবশেষে উত্তুরে হাওয়ার দাপট কাটিয়ে চেনা ছন্দে ফিরলো ঠাকুরগাঁও। ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
অবশেষে উত্তুরে হাওয়ার দাপট কাটিয়ে চেনা ছন্দে ফিরলো ঠাকুরগাঁও। দীর্ঘ কয়েক দিনের কুয়াশার মায়াজাল ছিন্ন করে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে আকাশজুড়ে দেখা মিলল সেই কাঙ্ক্ষিত সোনালি আভার। হিমেল পরশ সরিয়ে সূর্যি মামার আগমনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে উত্তর জনপদ।
গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকেই হাড়কাঁপানো ঠান্ডার সঙ্গে কনকনে উত্তুরে হাওয়ায় কার্যত জবুথবু হয়ে পড়েছিল জনজীবন। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা গড়ানোর পর সূর্যের কিঞ্চিৎ দর্শন মিললেও সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালের ছবিটা ছিল একেবারেই ভিন্ন। এদিন ভোরের আলো ফুটতেই শহরের টিনের চাল আর শীতের আড়ষ্টতায় নুয়ে পড়া গাছের পাতায় রুপোলি ঝিলিক দেখা যায়। ডানা ঝাপটে নতুন রোদের উষ্ণতা মেখে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে পাখিরাও।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগনাথপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের কৃষকদের চোখেমুখে এখন স্বস্তির ছাপ। বোরো চাষের ভরা মৌসুমে এই রোদ যেন প্রকৃতির দেওয়া এক আশীর্বাদ।
কৃষক বাবুলাল বলেন, ‘আজকের এই দিনটা আমাদের জন্য সৃষ্টিকর্তার উপহার। কড়া রোদ না থাকলে ধান চারা নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় পড়তে হতো। ’
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের উপ-পরিচালক মাজেদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকেই জেলায় রোদের দেখা মেলায় জনজীবনে স্বস্তি ফিরেছে। রোদ উঠায় ফসলের রোগবালাইয়ের আশঙ্কাও কিছুটা কমেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
রোদ উঠতেই পাড়া-মহল্লায় শিশু-কিশোরদের হইহুল্লোড় আর কর্মজীবীদের চনমনে ব্যস্ততা বলে দিচ্ছে— শীতের কামড় কাটিয়ে ঠাকুরগাঁও আবার সচল।

