চারশ বস্তা সরকারি চাল আটক
Advertisement
শরীয়তপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
শরীয়তপুর সদর উপজেলার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজির ৪শ বস্তা চাল কালোবাজারে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে আংগারিয়া খাদ্যগুদাম থেকে জাজিরা নেওয়ার পথে শরীয়তপুর শহরের চন্দ্রা হোটেলের সামনে আটক করেছেন স্থানীয়রা।
সোমবার সকালে ঢাকা-শরীয়তপুর মহাসড়কের চন্দ্র হোটেলের সামনে এ চালবোঝাই ট্রাক আটক করেছেন স্থানীয়রা। দিনভর চালের ট্রাক সেখানে থাকলে খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনের কেউ এ চাল জব্দ করতে আসেনি।
চালক বোরহান উদ্দিন ও ডিও লেটার সূত্রে জানা যায়, এ চাল সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের ঠিকাদার মানিক মাহমুদের। চাল শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া খাদ্যগুদাম থেকে রুদ্রকর বাজারে নেওয়ার কথা। সেখানে না নিয়ে ঢাকা-শরীয়তপুর মহাসড়ক দিয়ে জাজিরার কোনো ব্যবসায়ীর কাছে কালোবাজারে বিক্রি করার কারণে উল্টোপথে এ চাল নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা সন্দেহজনকভাবে আটক করে। সকালে চাল আটক করলেও ঠিকাদার মানিক মাহমুদ ও সরকারি লোকজন কেউ চাল উদ্ধার করতে আসেনি। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে ড্রাইভার বোরহান উদ্দিনকে জিজ্ঞাসা করলে সে উল্টো পাল্টা জবাব দেয়। বর্তমানে চাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার লোকজনের তত্ত্বাবধায়নে রয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী চালের মূল্য ৩ লাখ ২০ হাজার ৯৭০ টাকা।
ট্রাকচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, আমাকে আংগারিয়া খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন ভাড়া করে নিয়ে এসেছে। আমি এর বাইরে কিছু জানি না।
ঠিকাদার মানিক মাহমুদ ও খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনকে ফোন করে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ডিও লেটার দিয়ে চাল বের করার পর সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। তবে যার নামে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে তাকে আমরা ফোনে পাচ্ছি না।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলোরা ইয়াসমিন বলেন, চাল আটকের বিষয়টি শুনেছি।
বিষয়টি ডিসি ফুডের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ডিও লেটার আছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আমি সুস্পষ্ট কিছু জানি না।
